খুঁজুন
advertisement
advertisement
রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১৬ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ কাল, যেভাবে জানা যাবে

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৩:০৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ কাল, যেভাবে জানা যাবে

এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ কাল, যেভাবে জানা যাবে

শিক্ষা ডেস্ক: চলতি বছরের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট বা এইচএসসি এবং সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে শিক্ষা বোর্ডগুলো। গত শনিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, নির্ধারিত দিনে বেলা এগারোটার সময় আনুষ্ঠানিকভাবে এই ফলাফল প্রকাশের কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন শিক্ষামন্ত্রী। দেশজুড়ে লাখ লাখ শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকরা এই ফলাফলের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন।

পরীক্ষার্থীরা দুটি ভিন্ন উপায়ে খুব সহজেই তাদের নিজ নিজ ফলাফল জানতে পারবেন। প্রথমত, ঘরে বসেই অনলাইনে শিক্ষা বোর্ডের নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট ভিজিট করে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ফলাফল ডাউনলোড করা সম্ভব হবে। এছাড়া সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো থেকেও নির্ধারিত সময়ে ফলাফল সংগ্রহ করা যাবে বলে শিক্ষা বোর্ড সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে।

ডিজিটাল মাধ্যমের পাশাপাশি মোবাইল ফোনের খুদে বার্তার বা এসএমএসের মাধ্যমেও ফলাফল পাওয়ার বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। শিক্ষার্থীরা তাদের মোবাইল থেকে নির্দিষ্ট নিয়মে মেসেজ পাঠিয়ে খুব দ্রুতই ফলাফল নিজেদের ফোনে জেনে নিতে পারবেন। এজন্য শিক্ষা বোর্ডগুলোর পক্ষ থেকে আগে থেকেই মেসেজ পাঠানোর সঠিক ফরম্যাট বা পদ্ধতি জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

পরীক্ষার্থীরা ফল প্রকাশের পর কোনো কারণে ফলাফল নিয়ে অসন্তুষ্ট হলে নিয়ম অনুযায়ী খাতা পুনর্নিরীক্ষার জন্য নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন করতে পারবেন। শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, বরাবরের মতো এবারও শিক্ষার্থীরা তাদের মেধা ও পরিশ্রম অনুযায়ী কাঙ্ক্ষিত সাফল্য অর্জন করবে এবং নতুন উচ্চশিক্ষার পথে এগিয়ে যাবে।

advertisement
advertisement

কলেজে শিক্ষক ৮ জন, পরীক্ষার্থী একজন—তিনিও ফেল

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৪:৪৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কলেজে শিক্ষক ৮ জন, পরীক্ষার্থী একজন—তিনিও ফেল

কলেজে শিক্ষক ৮ জন, পরীক্ষার্থী একজন—তিনিও ফেল

শিক্ষা ডেস্ক: পটুয়াখালী জেলার মির্জাগঞ্জ উপজেলার একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চরম বিপর্যয়কর ফলাফল সামনে এসেছে। সম্প্রতি প্রকাশিত উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট পরীক্ষার ফলাফলে দেখা গেছে, ওই প্রতিষ্ঠান থেকে অংশ নেওয়া একমাত্র শিক্ষার্থীও পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারেনি। অথচ তাকে পড়ানোর জন্য প্রতিষ্ঠানে নিয়োজিত ছিলেন মোট আটজন শিক্ষক। কাঙ্ক্ষিত সাফল্য অর্জনে ব্যর্থ হওয়ায় এই প্রতিষ্ঠানটির এবারের পাসের হার সম্পূর্ণ শূন্যে নেমে গেছে। উপজেলার মজিদবাড়িয়া ইউনিয়নের সুলতানাবাদ গ্রামে অবস্থিত এমপিওবিহীন মজিদবাড়িয়া কলেজে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। রাজু আহমেদ নামের ওই পরীক্ষার্থী এক বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়ার কারণে কলেজটির গৌরবের কিছু অবশিষ্ট থাকেনি।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দুই দশকেরও বেশি সময় আগে অর্থাৎ ২০০২ সালে এই কলেজটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। কিন্তু দীর্ঘ চব্বিশ বছর পেরিয়ে গেলেও প্রতিষ্ঠানটি আজও এমপিওভুক্ত হতে পারেনি। সরকারি কোনো অনুদান বা আর্থিক সহায়তা না থাকায় কলেজটির পরিচালনা এবং শিক্ষকদের জীবনযাত্রা অত্যন্ত দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। বর্তমানে এই প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আটজন শিক্ষক সম্পূর্ণ বিনা বেতনে পাঠদান চালিয়ে যাচ্ছেন। দীর্ঘ সময় ধরে সরকারি স্বীকৃতি না পাওয়ায় শিক্ষকদের মধ্যে যেমন হতাশা কাজ করছে, তেমনি প্রতিষ্ঠানের সার্বিক কার্যক্রমেও এর বিরূপ প্রভাব পড়েছে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির বর্তমান অবকাঠামোগত অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয় বলে জানা গেছে। কলেজটির কোনো নিজস্ব পাকা ভবন বা স্থায়ী অবকাঠামো নেই। বর্তমানে একটি জীর্ণদশাগ্রস্ত টিনশেড ঘরের মধ্যে কোনো রকমে পঠনপাঠন ও দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। প্রয়োজনীয় শ্রেণিকক্ষ, ব্লাকবোর্ড, বসার বেঞ্চ এবং অন্যান্য শিক্ষা উপকরণের চরম অভাব রয়েছে। মৌলিক সুযোগ-সুবিধার এই তীব্র সংকটের কারণে এলাকার শিক্ষার্থীরা এই কলেজে ভর্তি হতে কোনো আগ্রহ দেখায় না। অভিভাবকেরাও তাদের সন্তানদের এমন ভঙ্গুর প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে ভরসা পান না।

কলেজের অধ্যক্ষ মো নূরুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, প্রতিষ্ঠার শুরুর দিকে কলেজটিতে ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা বেশ সন্তোষজনক ছিল। কিন্তু দীর্ঘ চব্বিশ বছরেও কলেজটি এমপিওভুক্ত না হওয়ায় এবং অবকাঠামোগত তীব্র সংকটের কারণে শিক্ষার্থী সংখ্যা দিন দিন কমতে থাকে। ভালো মানের শিক্ষার্থীরা এখন আর এখানে ভর্তি হতে চায় না বললেই চলে। বাধ্য হয়ে তারা কম মেধার বা ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের ওপর ভরসা করে পাঠদান চালিয়ে যাচ্ছেন, যা ফল বিপর্যয়ের অন্যতম প্রধান কারণ।

এ বিষয়ে উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মোস্তাফিজুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, এবারের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় মজিদবাড়িয়া কলেজ থেকে কেবল একজন শিক্ষার্থীই পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পেয়েছিল। প্রকাশিত ফলাফলের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, রাজু আহমেদ নামের সেই একমাত্র পরীক্ষার্থী এক বিষয়ে ফেল করায় কলেজটির শতভাগ শিক্ষার্থীই অকৃতকার্য হয়েছে। এই ঘটনাটি স্থানীয় শিক্ষা মহলে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।

দেবিদ্বারে এক মাদ্রাসার ২১ পরীক্ষার্থীর সবাই ফেল

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
দেবিদ্বারে এক মাদ্রাসার ২১ পরীক্ষার্থীর সবাই ফেল

দেবিদ্বারে এক মাদ্রাসার ২১ পরীক্ষার্থীর সবাই ফেল

শিক্ষা ডেস্ক: কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলায় অনুষ্ঠিত উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট তথা এইচএসসি এবং সমমানের পরীক্ষার ফলাফলে ব্যাপক বিপর্যয় দেখা গেছে। উপজেলার অধিকাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এ বছর কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জনে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে। শিক্ষা বোর্ডের প্রকাশিত ফলাফল বিশ্লেষণ করে জানা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশ প্রয়োজনীয় নম্বর তুলতে পারেনি। এর ফলে স্থানীয় অভিভাবক ও শিক্ষাবিদদের মধ্যে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে এবং সার্বিক শিক্ষা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছে।

উপজেলা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা অফিস থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডগুলোর অধীনে এবারের পরীক্ষায় দেবিদ্বার থেকে মোট দুই হাজার ছয়ানব্বই জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছিল। এর মধ্যে সব বিষয়ে উত্তীর্ণ হতে পেরেছে মাত্র এক হাজার একান্ন জন শিক্ষার্থী। পুরো উপজেলায় সামগ্রিক পাসের হার দাঁড়িয়েছে মাত্র বিয়াল্লিশ দশমিক ছয় চার শতাংশ, যা গত কয়েক বছরের তুলনায় বেশ হতাশাজনক। এছাড়া পুরো উপজেলাজুড়ে মাত্র ছয়জন শিক্ষার্থী সর্বোচ্চ জিপিএ-৫ অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।

এবারের ফলাফলে সবচেয়ে বড় ধাক্কা এসেছে বাগমারা ইসলামী আলিম মাদ্রাসা থেকে, যেখান থেকে কোনো পরীক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। ওই মাদ্রাসা থেকে একুশজন শিক্ষার্থী আলিম পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করলেও তাদের একজনও সফলতার মুখ দেখেনি, ফলে প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার নেমে এসেছে শূন্য শতাংশে। এমন ফলাফল কেবল ওই প্রতিষ্ঠানের জন্যই নয়, বরং পুরো উপজেলার শিক্ষাব্যবস্থার জন্য একটি বড় লজ্জার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে মানসম্মত পাঠদান ও তদারকির অভাবে প্রতিষ্ঠানটির এই বেহাল দশা তৈরি হয়েছে।

ফলাফল বিপর্যয়ের এই সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেছেন দেবিদ্বার উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা অশোক বিক্রম চাকমা। তিনি জানান, চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল অত্যন্ত হতাশাজনক এবং বিশেষ করে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের ফলাফল কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। খুব দ্রুত সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধান ও পরিচালনা পর্ষদের সঙ্গে আলোচনা করে এই বিপর্যয়ের নেপথ্য কারণগুলো খুঁজে বের করা হবে। শিক্ষার মানোন্নয়ন নিশ্চিত করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে এবং প্রয়োজনে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে পরামর্শ করে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

মাদক-সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজমুক্ত সমাজ গড়ার আহ্বান এমপি ফখরুলের

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৪:১৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মাদক-সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজমুক্ত সমাজ গড়ার আহ্বান এমপি ফখরুলের

মাদক-সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজমুক্ত সমাজ গড়ার আহ্বান এমপি ফখরুলের

রাজনীতি ডেস্ক: মাদক, সন্ত্রাস, দখলবাজি এবং চাঁদাবাজমুক্ত একটি সুশৃঙ্খল ও শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছেন নোয়াখালী-৫ আসনের সংসদ সদস্য ফখরুল ইসলাম। সম্প্রতি যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই জোরালো আহ্বান জানান। কোম্পানীগঞ্জ সরকারি উচ্চবিদ্যালয় মাঠে বসুরহাট পৌরসভা ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা যুবদলের যৌথ উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে বিএনপি ও এর বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা সমাজে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে দলীয় নেতাকর্মীদের ইতিবাচক ভূমিকা পালনের তাগিদ দেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ফখরুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি সবসময় সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতীক হিসেবে কাজ করে আসছে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং শীর্ষ নেতৃত্ব এদেশের মানুষের হৃদয়ের অত্যন্ত কাছাকাছি অবস্থান করছেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে দেশের সাধারণ মানুষ বিএনপিকে নিজেদের নিরাপদ আশ্রয় মনে করে বলেই অতীতে বড় রাজনৈতিক জয় এনে দিয়েছে। বর্তমান সরকার কোনো ধরনের অন্যায় ও রক্তচক্ষুকে ভয় পায় না এবং দেশের স্বার্থে কাউকেই বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়া হবে না বলে তিনি দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে ঘোষণা দেন।

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি গ্রহণের জন্য দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি বিশেষ নির্দেশনা প্রদান করেন এই সংসদ সদস্য। জাতীয় নির্বাচনের মতো একই রকম ঐক্য ও সংহতি বজায় রেখে ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা এবং পৌরসভা নির্বাচনে যুবদলসহ দলের সব স্তরের নেতাকর্মীদের একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। স্থানীয় পর্যায়ে দলের ভিত্তি আরও মজবুত করতে ঘরে ঘরে গিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হয়। দলের এই নীতি বাস্তবায়িত হলে স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও কাঙ্ক্ষিত সাফল্য অর্জন করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

আলোচনা সভায় জেলা যুবদলের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ ছাড়াও উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বহু নেতাকর্মী উপস্থিত থেকে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন। সভায় বক্তারা বলেন, বিএনপি সবসময় জনগণের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে সোচ্চার ছিল এবং ভবিষ্যতেও জনগণের সেবা প্রদানে নিরলসভাবে কাজ করে যাবে। সভাপতির বক্তব্যে স্থানীয় যুবদলের শীর্ষ নেতা পুরো আয়োজনে সহযোগিতা করার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ জানান এবং আগামী দিনে দলের যেকোনো আন্দোলন সংগ্রামে ঐক্যবদ্ধ থাকার শপথ গ্রহণ করেন।