খুঁজুন
advertisement
advertisement
শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১৫ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

তদন্তের ফল প্রকাশের দাবি,মনিকা পারভীনের বদলি নিয়ে প্রশ্ন?

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৭:২৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
তদন্তের ফল প্রকাশের দাবি,মনিকা পারভীনের বদলি নিয়ে প্রশ্ন?

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের আদেশে মনিকা পারভীনকে সদর থেকে নান্দাইলে এবং নান্দাইলের উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফজিলাতুন নেছাকে সদরে বদলি করা হয়। আদেশে বদলির কারণ হিসেবে ‘জনস্বার্থ’ উল্লেখ করা হয়েছে।

স্টাফ রিপোর্টার, ময়মনসিংহ
ময়মনসিংহ সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মনিকা পারভীনের নান্দাইলে বদলি ও পদায়ন নিয়ে শিক্ষক-অভিভাবকদের একাংশের মধ্যে প্রশ্ন ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। সদরের প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থাপনায় তাঁর ভূমিকা বিবেচনায় বদলি আদেশ পুনর্বিবেচনা বা স্থগিতের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। একই সঙ্গে সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ের দুই কর্মচারীর বিরুদ্ধে ওঠা ঘুষ দাবির অভিযোগের তদন্তের ফলাফল প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
গত ৯ সেপ্টেম্বর প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের আদেশে মনিকা পারভীনকে সদর থেকে নান্দাইলে এবং নান্দাইলের উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফজিলাতুন নেছাকে সদরে বদলি করা হয়। আদেশে বদলির কারণ হিসেবে ‘জনস্বার্থ’ উল্লেখ করা হয়েছে।
মনিকা পারভীনের বদলি নিয়ে আলোচনার অন্যতম কারণ হিসেবে সম্প্রতি সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ের দুই কর্মচারীর বিরুদ্ধে ওঠা ঘুষ দাবির অভিযোগ সামনে এসেছে। ‘ঘুষ.সাইট’–সংক্রান্ত অভিযোগের পর গত ৩১ আগস্ট কার্যালয়ের কর্মচারী এ এইচ এম নাদিরুল হাসান সবুজ ও মো. মুজিবুর রহমানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। একই ঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
তদন্ত কমিটির প্রধান ও উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সিকদার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ জানান, তদন্ত শেষে ৬ সেপ্টেম্বর প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। তবে প্রতিবেদনে কী পাওয়া গেছে বা কী সুপারিশ করা হয়েছে, তা প্রকাশ করা হয়নি।
তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার তিন দিনের মাথায় মনিকা পারভীনের বদলি হওয়ায় শিক্ষক-অভিভাবকদের একাংশের মধ্যে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে, বদলির সঙ্গে ওই অভিযোগের কোনো সম্পর্ক ছিল কি না। তবে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ঘুষ চাওয়া বা গ্রহণের অভিযোগ মনিকা পারভীনের বিরুদ্ধে ছিল না। ‘ঘুষ.সাইট’–এর উদ্যোক্তা শাহেদ শরীফ আহমেদেরও তাঁর বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত অভিযোগের কথা জানা যায়নি।
ময়মনসিংহ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, বদলির আদেশ জেলা কার্যালয় থেকে নয়, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে হয়েছে। মনিকা পারভীন তিন বছরের অধিক সময় একই কর্মস্থলে ছিলেন। সাধারণত তিন বছরের বেশি একই কর্মস্থলে থাকার সুযোগ নেই। নান্দাইলের কর্মকর্তা ফজিলাতুন নেছার আগে করা বদলি আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতেও দুই কর্মকর্তার কর্মস্থল পরিবর্তন হয়ে থাকতে পারে।
অন্যদিকে ফজিলাতুন নেছার বিরুদ্ধে গত ২৪ জুন নান্দাইলের বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের পক্ষ থেকে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ দেওয়া হয়েছিল। বিদ্যালয় মেরামত ও সংস্কার, সিসি ক্যামেরা, শিক্ষক বদলি ও সংযুক্তি এবং সরঞ্জাম কেনাকাটাসহ প্রশাসনিক বিষয় ছিল অভিযোগে।
ফজিলাতুন নেছা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, অভিযোগটি বেনামি এবং বিষয়টি কর্তৃপক্ষ তদন্ত করছে। তিন বছরের বেশি সময় একই কর্মস্থলে থাকার কারণে তিনি আগে থেকেই সদরে বদলির আবেদন করেছিলেন বলেও জানান।
মনিকা পারভীন বলেন, আদেশে ‘জনস্বার্থে’ বদলির কথা উল্লেখ থাকলেও নির্দিষ্ট কারণ তাঁকে জানানো হয়নি। তিনি বদলি স্থগিত বা পুনর্বিবেচনার আবেদন করেছেন। তাঁর একমাত্র মেয়ে ময়মনসিংহের বিদ্যাময়ী সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং ২০২৭ সালে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেবে। মেয়ের গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষার সময়ে কর্মস্থল পরিবর্তনের পারিবারিক প্রভাবের বিষয়টিও তিনি আবেদনে উল্লেখ করেছেন।
ময়মনসিংহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদও তাঁর বদলি পুনর্বিবেচনার জন্য প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবের কাছে সুপারিশ করেছেন।
শিক্ষক-অভিভাবকদের দাবি, প্রশাসনিক প্রয়োজন থাকলে বদলি হতেই পারে। তবে সদর শিক্ষা কার্যালয়ের দুই কর্মচারীর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের তদন্তের ফলাফল প্রকাশ এবং তার ভিত্তিতে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তা স্পষ্ট করা প্রয়োজন। সচেতন মহলের মতে, তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা এবং প্রমাণিত না হলে সেটিও প্রকাশ করা উচিত।
advertisement
advertisement

বিয়ের জন্য পাত্র-পাত্রী নির্বাচনে মহানবী (সা.) যে ৩ শর্ত বলেছেন

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৩২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বিয়ের জন্য পাত্র-পাত্রী নির্বাচনে মহানবী (সা.) যে ৩ শর্ত বলেছেন

বিয়ের জন্য পাত্র-পাত্রী নির্বাচনে মহানবী (সা.) যে ৩ শর্ত বলেছেন

ধর্ম ডেস্ক: বর্তমান সমাজে বিয়ের জন্য পাত্র বা পাত্রী নির্বাচনের সময় বাহ্যিক সৌন্দর্য এবং আর্থিক সচ্ছলতাকেই প্রধান মাপকাঠি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তবে ইসলাম ধর্ম এবং মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এই প্রচলিত ধারণার বাইরে গিয়ে সম্পূর্ণ বাস্তবমুখী ও দূরদর্শী কিছু মানদণ্ড নির্ধারণ করে দিয়েছেন। মানুষের সাময়িক রূপ বা ক্ষণস্থায়ী সম্পদের চেয়েও তিনি মানুষের অভ্যন্তরীণ গুণাবলি এবং চরিত্রকে অনেক বেশি প্রাধান্য দিয়েছেন।

ইসলামের সোনালী ইতিহাস এবং হাদিসের বাণী বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, একটি সফল ও শান্তিপূর্ণ পরিবার গঠনের জন্য বাহ্যিক রূপের চেয়ে মানসিক মেলবন্ধন ও আত্মিক প্রশান্তি অত্যন্ত জরুরি। মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জীবনসঙ্গী নির্বাচনের ক্ষেত্রে মূলত তিনটি বিশেষ গুণের ওপর জোর দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। এই নির্দেশনার মূল উদ্দেশ্য হলো বৈবাহিক জীবনে দীর্ঘস্থায়ী সুখ, পারস্পরিক বোঝাপড়া এবং একটি আদর্শ নৈতিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করা।

পাত্রী বা পাত্র নির্বাচনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে প্রথম এবং প্রধান শর্ত হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে ধর্মীয় অনুশাসন ও ভালো চরিত্রকে। কারণ পার্থিব সৌন্দর্য ও অর্থ একসময় ফুরিয়ে যেতে পারে, কিন্তু ধার্মিকতা ও নৈতিকতা সারাজীবন মানুষের জীবনকে সুন্দর ও সুরক্ষিত রাখে। একজন সৎ ও খোদাভীরু মানুষ কখনোই তার জীবনসঙ্গীর প্রতি অবিচার করতে পারে না, যা পারিবারিক জীবনকে সবসময় শান্তিময় করে তোলে।

দ্বিতীয়ত, বংশমর্যাদা বা পারিবারিক ঐতিহ্য এবং সামাজিক মর্যাদার বিষয়টিও ইসলামের দৃষ্টিতে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। একটি ভালো পরিবারে বেড়ে ওঠা মানুষ সাধারণত সামাজিক মূল্যবোধ, শিষ্টাচার এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধা সম্পর্কে ওয়াকিবহাল থাকে। এই পারিবারিক পটভূমি বা পরিবেশ দম্পতির ভবিষ্যৎ জীবন এবং তাদের সন্তান সন্ততির লালন-পালনের ক্ষেত্রে অত্যন্ত ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।

সর্বোপরি, এই গুণগুলোর পাশাপাশি পাত্র-পাত্রীর পারস্পরিক পছন্দ এবং মনের মিলের বিষয়টিও সমানভাবে গুরুত্ব পায়। বাহ্যিক রূপ বা সম্পদের মোহ ত্যাগ করে যদি এই মূলনীতিগুলো মেনে জীবনসঙ্গী নির্বাচন করা হয়, তবে সেই পরিবারে আল্লাহর রহমত বজায় থাকে। ইসলামি জীবনব্যবস্থায় এভাবেই একটি সুখী, সমৃদ্ধ এবং স্থিতিশীল পরিবার গঠনের পথনির্দেশনা স্পষ্টভাবে দেওয়া হয়েছে।

মাসের শুরুতেই নতুন পোশাক কেনার কথা ভাবছেন? কেনার আগে যে বিষয়গুলো মনে রাখতে হবে

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৪২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মাসের শুরুতেই নতুন পোশাক কেনার কথা ভাবছেন? কেনার আগে যে বিষয়গুলো মনে রাখতে হবে

মাসের শুরুতেই নতুন পোশাক কেনার কথা ভাবছেন? কেনার আগে যে বিষয়গুলো মনে রাখতে হবে

লাইফস্টাইল ডেস্ক: প্রতি মাসের শুরুতেই বেতন পাওয়ার পর নতুন জামাকাপড় বা ফ্যাশন অনুষঙ্গ কেনার ঝোঁক অনেকেরই থাকে। তবে শপিংমলে গিয়ে প্রয়োজনের অতিরিক্ত জিনিস কিনে ফেলা কিংবা আবেগতাড়িত হয়ে পোশাক কেনার অভ্যাস অনেক সময় অপ্রয়োজনীয় খরচের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। ঘরে এনে দেখা যায় এমন অনেক জিনিস জমেছে যা হয়তো আর কখনোই পরা হয় না। তাই যেকোনো পোশাক বা অনুষঙ্গ কেনার আগে একটু থেমে নিজের প্রয়োজন ও উপযোগিতা সম্পর্কে ভেবে দেখা অত্যন্ত বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

পরিবেশবাদীরা দীর্ঘদিন ধরে টেকসই জীবনযাপনের ওপর জোর দিয়ে আসছেন এবং তাঁদের মতে মানুষের আলমারির ভেতরের চিত্রও পৃথিবীর পরিবেশের ওপর বড় প্রভাব ফেলে। কোনো পোশাক বা ফ্যাশন পণ্য কেনার সময় ভাবা উচিত সেটি তৈরিতে কী ধরনের উপাদান ব্যবহার করা হয়েছে এবং তা পৃথিবীজুড়ে বর্জ্য বাড়াতে কতটা ভূমিকা রাখছে। প্রয়োজনের অতিরিক্ত কেনাকাটা বন্ধ করে ফ্যাশনে পরিমিতিবোধ বজায় রাখা এবং একই পোশাক দীর্ঘদিন ব্যবহার করার মানসিকতা গড়ে তোলা দরকার। এতে একদিকে যেমন ব্যক্তিগত সঞ্চয় বাড়ে, অন্যদিকে তেমনি পৃথিবীও অতিরিক্ত বর্জ্যের হাত থেকে রক্ষা পায়।

নতুন কোনো পোশাক বা ব্যাগ কেনার আগে নিজেকে কয়েকটি মৌলিক প্রশ্ন করা উচিত, যেমন এই জিনিসটি আসলে আপনার কতটা প্রয়োজন এবং আপনি তা কতবার পরবেন। যদি এমন হয় যে পোশাকটি ইতিমধ্যে আপনার সংগ্রহে রয়েছে কিংবা সেটি আপনার ব্যক্তিত্বের সঙ্গে মানানসই নয়, তবে কেনা থেকে বিরত থাকাই ভালো। বিশেষ করে বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে পরার জন্য ভারী ও জমকালো পোশাক একবারের বেশি পরা হয় না বললেই চলে। এর পরিবর্তে পুরোনো দিনের ঐতিহ্যবাহী শাড়ি বা ওড়না একটু নতুন নকশায় ব্যবহার করলে যেমন খরচ কমে, তেমনি পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতেও সাহায্য করা যায়।

পোশাক নির্বাচনের সময় এর উপাদানের প্রতি বিশেষ নজর দেওয়া উচিত কারণ সিনথেটিক বা পলিয়েস্টারজাতীয় কাপড় পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। এই ধরনের কৃত্রিম পোশাক তৈরিতে জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহার করা হয় এবং ব্যবহারের পর তা মাটিতে মিশতেও অনেক সময় নেয়। এর পরিবর্তে জৈব তুলার তৈরি পোশাক বেছে নেওয়া ভালো যা উৎপাদনে কম পানি লাগে এবং কোনো ক্ষতিকর কীটনাশক ব্যবহার করা হয় না। এছাড়া কেনার সময় পোশাকটিতে পরিবেশবান্ধব আন্তর্জাতিক সনদ আছে কি না তা যাচাই করে নেওয়া উচিত।

দৈনন্দিন জীবনে কৃত্রিম উপাদানের পোশাক পুরোপুরি বর্জন করা সম্ভব না হলেও কিছু সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে। সিনথেটিক কাপড় ধোয়ার সময় প্রচুর মাইক্রোপ্লাস্টিক নির্গত হয়ে নদী ও সমুদ্রের পানিতে মিশে যায় যা জলজ প্রাণীর জন্য মারাত্মক হুমকি তৈরি করে। এই সমস্যা রোধ করতে ধোয়ার সময় মাইক্রোপ্লাস্টিক ফিল্টার বা বিশেষ ব্যাগ ব্যবহার করা যেতে পারে। সচেতন নাগরিক হিসেবে আমাদের প্রত্যেকেরই উচিত ফ্যাশনের নামে অতিরিক্ত খরচ ও পরিবেশ দূষণ রোধে আরও বেশি দায়িত্বশীল ও সংযত হওয়া।

আজিমপুরে সরকারি ফ্ল্যাট ছাড়ার নোটিশ: বিপাকে শিক্ষার্থীরা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৯:১৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
আজিমপুরে সরকারি ফ্ল্যাট ছাড়ার নোটিশ: বিপাকে শিক্ষার্থীরা

আজিমপুরে সরকারি ফ্ল্যাট ছাড়ার নোটিশ: বিপাকে শিক্ষার্থীরা

জাতীয় ডেস্ক: রাজধানীর আজিমপুর এলাকার সরকারি কোয়ার্টার বা ফ্ল্যাটগুলো খালি করার জন্য সম্প্রতি একটি নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে সেখানে বসবাসরত শিক্ষার্থীরা তীব্র অনিশ্চয়তা ও উদ্বেগের মধ্যে পড়েছেন। আকস্মিক এই নোটিশ পাওয়ার পর থেকে তাদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা এবং পড়াশোনা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে বলে জানা গেছে।

শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন যে তাদের অনেকেরই ফাইনাল পরীক্ষা দোরগোড়ায় কড়া নাড়ছে। এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়ে মাথার ওপর থেকে ছাদ সরে যাওয়ার উপক্রম হওয়ায় তারা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়ার পরিবর্তে এখন তাদের বাসা খোঁজা এবং নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে ভাবতে হচ্ছে, যা তাদের একাডেমিক ফলাফলের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে সুবিধাজনক ও সাশ্রয়ী মূল্যের এই আবাসনগুলোতে থেকে পড়াশোনা চালিয়ে আসছিলেন এই শিক্ষার্থীরা। কিন্তু হঠাৎ করে ফ্ল্যাট ছাড়ার এই তাগাদা আসায় তারা চরম বিপাকে পড়েছেন। বিকল্প কোনো ব্যবস্থা না করে এমন আকস্মিক উচ্ছেদের নোটিশ দেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী ছাত্রীরা।

এই পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আরও কিছু সময় বাড়ানোর আবেদন জানানোর কথা ভাবছেন। তারা আশা করছেন, মানবিক দিক বিবেচনা করে অন্তত পরীক্ষা শেষ হওয়া পর্যন্ত ফ্ল্যাটগুলোতে থাকার সুযোগ দেওয়া হবে, যাতে তারা কোনো ধরনের বাড়তি দুশ্চিন্তা ছাড়া পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেন।