খুঁজুন
advertisement
advertisement
সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬, ২৭ আশ্বিন, ১৪৩৩
advertisement

খাইবার পাখতুনখোয়ায় জারি হলো জরুরি অবস্থা, কার্যকর হচ্ছে গভর্নরের শাসন

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১১ অক্টোবর ২০২৬, ৭:১৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
খাইবার পাখতুনখোয়ায় জারি হলো জরুরি অবস্থা, কার্যকর হচ্ছে গভর্নরের শাসন

মন্ত্রিসভার জরুরি বৈঠকে সভাপতিত্ব করছেন প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। ১১ অক্টোবর, ২০২৬

পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ খাইবার পাখতুনখোয়ায় জরুরি অবস্থা জারির পদক্ষেপ নিয়েছে দেশটির প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সরকার। সংবিধানের নিরাপত্তাবিষয়ক দুটি ধারার (অনুচ্ছেদ ২৩২ ও ২৩৪) ওপর ভিত্তি করে রোববার এই ঘোষণা কার্যকর করা হয়। এর ফলে কারাবন্দী সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) নিয়ন্ত্রিত প্রাদেশিক প্রশাসনের কার্যক্রম কার্যত অচল হয়ে পড়েছে এবং সেখানে গভর্নরের শাসন কার্যকর হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক বার্তায় পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি নিশ্চিত করেন যে, প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকের সুপারিশে তিনি স্বাক্ষর ও অনুমোদন দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনার পর মন্ত্রিসভা দেখতে পেয়েছে যে প্রাদেশিক প্রশাসন ইচ্ছাকৃতভাবে সন্ত্রাসবিরোধী লড়াই থেকে নিজেদের গুটিয়ে নিয়েছে।

কারাগারে থাকা নেতা ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে পিটিআই নেতাকর্মীরা গত ৪ অক্টোবর খাইবার পাখতুনখোয়া থেকে রাজধানী ইসলামাবাদের উদ্দেশে লংমার্চ শুরু করেছিলেন। গতকাল শনিবার ছিল এই কর্মসূচির সপ্তম দিন এবং লংমার্চটি তখনো প্রদেশটির সীমানার ভেতরেই অবস্থান করছিল। এই পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও জানিয়েছিলেন যে জরুরি অবস্থা এড়ানোর সম্ভাবনা অত্যন্ত ক্ষীণ।

এর আগে ১০ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে আইওয়ান-ই-সদরে (প্রেসিডেন্ট ভবন) প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারির সাথে প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ও অন্যান্য ঊর্ধ্বতন ব্যক্তিদের এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ফেডারেল মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিবেদন এবং সরকারি প্রতিনিধিদলের সাথে আলোচনা ফলপ্রসূ না হওয়ায় অবশেষে প্রেসিডেন্ট এই নথিতে অনুমোদন দেন। অন্যদিকে, পিটিআই কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছে যে, খাইবার পাখতুনখোয়ায় জরুরি অবস্থা কিংবা গভর্নরের শাসন জারি করে কোনো সংকটেরই সুরাহা করা যাবে না।

advertisement
advertisement

সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পরীক্ষা স্থগিত: প্রশ্নফাঁসে জড়িতদের শাস্তি ও ক্ষতিপূরণের দাবি যুব ফ্রন্টের

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১১ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৩৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পরীক্ষা স্থগিত: প্রশ্নফাঁসে জড়িতদের শাস্তি ও ক্ষতিপূরণের দাবি যুব ফ্রন্টের

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদের নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল হওয়ার ঘটনায় সড়ক অবরোধ করে প্রতিবাদ জানান ক্ষুব্ধ পরীক্ষার্থীরা। এ সময় তাঁরা প্রবেশপত্র উঁচিয়ে ধরে ক্ষোভ জানান। গতকাল সকালে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদের নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত, দোষীদের গ্রেপ্তার এবং ভোগান্তির শিকার চাকরিপ্রার্থীদের উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ যুব ফ্রন্ট। সংগঠনের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক রাশেদ শাহরিয়ার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।

উল্লেখ্য, নিয়োগ পরীক্ষা শুরুর মাত্র দুই মিনিটের মাথায় আকস্মিকভাবে পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে ওএমআর শিট ফিরিয়ে নিয়ে পরীক্ষা স্থগিতের ঘোষণা দেওয়া হয়। কর্তৃপক্ষের এমন দায়িত্বহীনতায় কেন্দ্রগুলোতে তাৎক্ষণিকভাবে পরীক্ষার্থীদের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সঞ্চার হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী বাংলাদেশেও নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁসের মতো ঘটনা ও চরম অব্যবস্থাপনা প্রমাণ করে যে পুরোনো অনিয়ম ও দুর্নীতির বলয় এখনো ভাঙা সম্ভব হয়নি। দূর-দূরান্ত থেকে ঢাকায় এসে পরীক্ষায় বসা চাকরিপ্রত্যাশীদের এভাবে মাঝপথে ফিরিয়ে দিয়ে আর্থিক, শারীরিক ও মানসিকভাবে চরম সংকটে ফেলা হয়েছে, যার দায়ভার কোনোভাবেই প্রার্থীদের ওপর চাপানো যায় না।

সংকট নিরসনে বাংলাদেশ যুব ফ্রন্ট তিনটি নির্দিষ্ট দাবি উত্থাপন করেছে। দাবিগুলো হলো—প্রশ্ন ফাঁসের নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে অপরাধীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ, ক্ষতিগ্রস্ত বেকার চাকরিপ্রার্থীদের উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দেওয়া এবং রাজধানীমুখী ভোগান্তি ও হয়রানি লাঘবে ভবিষ্যতে বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ে নিয়োগ পরীক্ষার কেন্দ্র সম্প্রসারণ করা। বেকার তরুণদের অনিশ্চয়তা ও দুর্ভোগ লাঘবে অনতিবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার তাগিদ দেয় সংগঠনটি।

কানাডার ধনকুবের ওয়েস্টন পরিবারের হাতে যাচ্ছে ব্রিটেনের ১৭৭ বছরের পুরোনো বুটস, জোর দেওয়া হচ্ছে আধুনিকায়নে

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১১ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৫৬ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কানাডার ধনকুবের ওয়েস্টন পরিবারের হাতে যাচ্ছে ব্রিটেনের ১৭৭ বছরের পুরোনো বুটস, জোর দেওয়া হচ্ছে আধুনিকায়নে

যুক্তরাজ্যের ঐতিহ্যবাহী ১৭৭ বছরের পুরোনো ফার্মেসি ও রিটেইল চেইন ‘বুটস’ কিনে নিচ্ছে কানাডার শীর্ষ ধনী ওয়েস্টন পরিবার। প্রতিষ্ঠানটির মালিকানায় থাকা উইটিংটন ইনভেস্টমেন্টস প্রায় ৮৯০ কোটি ডলারের বিনিময়ে বুটসের নিয়ন্ত্রণ নিচ্ছে বলে নিশ্চিত করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের বেসরকারি ইকুইটি প্রতিষ্ঠান সাইকামোর পার্টনার্স এবং পেসিনা পরিবারের হাত থেকে কোম্পানিটি অধিগ্রহণের এ চুক্তি ২০২৭ সালের প্রথমার্ধ নাগাদ চূড়ান্ত হতে পারে। নতুন স্বত্বাধিকারী আসার পর বিক্রয়কেন্দ্রগুলোর রূপান্তর, চিকিৎসাসেবার পরিধি বৃদ্ধি ও গ্রাহকসেবা আধুনিক করতে নতুন তহবিল জোগান দেওয়া হবে। তবে তীব্র বাজার প্রতিযোগিতা এবং ই-কমার্সের দ্রুত বিকাশ ব্র্যান্ডটির সামনে বড় পরীক্ষা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

১৮৪৯ সালে নটিংহামের একটি ভেষজ ওষুধের দোকান হিসেবে বুটসের পথচলা শুরু হয়েছিল। বর্তমানে যুক্তরাজ্যজুড়ে প্রতিষ্ঠানটির প্রায় ১ হাজার ৮০০টি বিক্রয়কেন্দ্র এবং ৫১ হাজার কর্মী নিয়োজিত আছেন। প্রেসক্রিপশনের ওষুধ ও ভ্যাকসিনের পাশাপাশি রূপচর্চাসামগ্রী, প্রসাধন এবং ভ্রমণের প্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রির জন্য এটি ব্রিটিশদের কাছে এক বিশ্বস্ত নাম। নতুন মালিক গ্যালেন ওয়েস্টন জানিয়েছেন, তারা ফার্মেসি ও চিকিৎসাসেবার বিস্তার এবং বিক্রয়কেন্দ্র আধুনিকায়নে জোর দেবেন। স্বাস্থ্যসেবা নিতে আসা ক্রেতাদের সৌন্দর্যপণ্য ক্রয়ের প্রবণতা থাকায় এ দুটি ক্ষেত্র একসঙ্গে সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে বলে তিনি মনে করেন। কানাডায় মুদি চেইন লব্লজ ও ফার্মেসি ব্যবসা শপার্স ড্রাগ মার্ট ছাড়াও যুক্তরাজ্যে ওয়েস্টন পরিবারের আরও কিছু বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

বুটসের আধুনিকায়ন প্রসঙ্গে গ্লোবালডেটা রিটেইলের সহযোগী পরিচালক সোফি উইলমট উল্লেখ করেন, বড় বিক্রয়কেন্দ্রগুলোর সৌন্দর্যপণ্য বিভাগ নতুন করে সাজানোয় ক্রেতারা বড় ডিপার্টমেন্টাল স্টোরের মতো আবহ পাচ্ছেন। ২০২৩ সালে লন্ডনের ব্যাটারসি পাওয়ার স্টেশনে রূপচর্চাবিষয়ক প্রথম একক দোকান চালুর পর ইতিমধ্যে ১৮০টির বেশি আউটলেটে এই বিভাগের রূপান্তর ঘটানো হয়েছে। তবে তিনি মনে করেন, ছোট দোকানগুলোতেও সমমানের পরিবেশ এবং সহজে সেবা পাওয়ার উপযোগী অবকাঠামো গড়ে তুলতে আরও পুঁজি বিনিয়োগ দরকার। অন্যদিকে ১৯৯৭ সালে প্রবর্তিত বুটসের ‘অ্যাডভান্টেজ কার্ড’ কর্মসূচিতে প্রতি পাউন্ড ব্যয়ের বিপরীতে তিন পেনি মূল্যের তিন পয়েন্ট পাওয়া যায়। এনবিকে রিটেইলের প্রতিষ্ঠাতা নাটালি বার্গের মতে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও সামাজিক মাধ্যমের প্রভাবের এই যুগে গ্রাহকদের অভ্যাসের তথ্য জানতে এবং সরাসরি যোগাযোগ রক্ষা করতে এই কার্ড অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

চিকিৎসাসেবায় প্রেসক্রিপশন ও টিকার পাশাপাশি চোখ-কান পরীক্ষা এবং সম্প্রতি সম্প্রসারিত ওজন কমানোর সুবিধাও দিচ্ছে বুটস। তবে সুপারড্রাগের মতো শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী এবং তরুণ প্রজন্মের অনলাইন কেনাকাটার ঝোঁক প্রতিষ্ঠানটিকে চাপে রেখেছে। ২০২৫ সালে বুটসের বিক্রির পরিমাণ ৩ দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে ৭৫০ কোটি পাউন্ডে পৌঁছালেও ক্রমবর্ধমান প্রতিযোগিতার কারণে আয়ের ওপর সার্বিক চাপ বজায় রয়েছে। এছাড়া বাসাবাড়ি থেকে কাজের সুযোগ বাড়ায় শহরের প্রাণকেন্দ্রগুলোতে ক্রেতাদের উপস্থিতি কমে গেছে, যার জেরে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে শত শত দোকান বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। দীর্ঘদিনের গ্রাহক আস্থা বজায় রেখে আধুনিকায়ন ও স্বাস্থ্যসেবার সমন্বয়ে তরুণ ক্রেতাদের আকর্ষণ করাই এখন বুটসের ভবিষ্যৎ সাফল্যের মূল চাবিকাঠি।

রমনা কালীমন্দিরে প্রতিমার গয়না চুরি: দম্পতিসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১১ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৩৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
রমনা কালীমন্দিরে প্রতিমার গয়না চুরি: দম্পতিসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ

হাতকড়া

রাজধানীর রমনা কালীমন্দিরের প্রতিমা থেকে স্বর্ণালংকার চুরির ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তিন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শনিবার দিবাগত মধ্যরাতে রাজধানীর উত্তরখান এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাঁদের ধরা হয়। গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিরা হলেন ২৯ বছর বয়সী লিপি কর্মকার, তাঁর স্বামী অর্ণব রায় (২৯) এবং ৩৫ বছর বয়সী মো. সুমন।

শাহবাগ থানা-পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৭ অক্টোবর রমনা কালীমন্দিরে চুরির ঘটনার পর সিসিটিভি ক্যামেরার ভিডিও বিশ্লেষণ করে সন্দেহভাজনদের শনাক্ত করা সম্ভব হয়। এরপর শনিবার গভীর রাতে শাহবাগ থানা এবং একটি গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা যৌথভাবে উত্তরখানের ধোবাদিয়া এলাকার একটি ভাড়া ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে লিপি ও অর্ণবকে আটক করেন। পরবর্তীতে তাঁদের তথ্যের ভিত্তিতে চোরাই সোনা কেনার দায়ে ধোবাদিয়া এলাকার নিজস্ব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকে স্বর্ণ ব্যবসায়ী সুমনকে আটক করা হয়।

এ প্রসঙ্গে শাহবাগ থানার পরিদর্শক (অপারেশন) খোকন মিয়া রোববার প্রথম আলোকে তথ্য নিশ্চিত করে জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা মন্দিরের প্রতিমার গয়না চুরিতে সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন। তাঁদের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন জানিয়ে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ আরও জানায়, ৭ অক্টোবরের রমনা কালীমন্দির ছাড়াও গত ১৩ সেপ্টেম্বর সিদ্ধেশ্বরী কালীমন্দির, নারায়ণগঞ্জের দেওভোগের শ্রীশ্রী লোকনাথ মন্দির এবং নরসিংদীর একটি কালীমন্দিরেও একই ধরনের অলংকার চুরির ঘটনা সংঘটিত হয়েছিল।