খুঁজুন
advertisement
advertisement
রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১৬ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হলে সরকারের পদত্যাগ করা উচিত: জামায়াত এমপি

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৫:১৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হলে সরকারের পদত্যাগ করা উচিত: জামায়াত এমপি

আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হলে সরকারের পদত্যাগ করা উচিত: জামায়াত এমপি

রাজনীতি ডেস্ক: দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি রোধে বর্তমান সরকার সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সাতক্ষীরা-২ আসনের সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান, সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা দিতে না পারলে এই প্রশাসনের অবিলম্বে ক্ষমতা ছেড়ে দেওয়া উচিত। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের প্রাথমিক দায়িত্ব হলেও তারা সেই দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হচ্ছে, যার ফলে পরবর্তী রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার কেবল জনগণের হাতেই ন্যস্ত থাকবে। সম্প্রতি খুলনা প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

আসন্ন ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চ কর্মসূচি সফল করার লক্ষ্যে ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে এই প্রেস ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে দলটির শীর্ষস্থানীয় নেতারা অভিযোগ করেন, খুলনাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সাধারণ মানুষ মারাত্মক নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। আকস্মিক বোমা বিস্ফোরণ, গুলিবর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের মতো ঘটনায় জনমনে তীব্র আতঙ্ক বিরাজ করছে, যা স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ও ব্যবসা-বাণিজ্যকে চরমভাবে ব্যাহত করছে। তারা আরও উল্লেখ করেন যে, বর্তমান প্রশাসনের ব্যবস্থাপনাগত দুর্বলতা, দলীয়করণ এবং নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে চরম অসচেতনতার কারণে দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি ঘটছে। সরকার গঠনের মাত্র কয়েকমাসের মাথায় এ ধরনের কঠোর কর্মসূচি হাতে নিতে বাধ্য হওয়াটাই প্রশাসনের চরম ব্যর্থতার বড় প্রমাণ বলে তারা দাবি করেন।

সংবাদ সম্মেলনে ১১ দলীয় ঐক্যের পক্ষ থেকে সাত দফা দাবি তুলে ধরা হয়, যার মধ্যে রয়েছে গণভোটের রায় পুরোপুরি বাস্তবায়ন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান অগ্রগতি, নিত্যপণ্যের বাজারমূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং জনদুর্ভোগের অবসান। এছাড়া চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা ও কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য কঠোরভাবে দমনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়। নেতারা অত্যন্ত উদ্বেগের সঙ্গে জানান যে, চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও অপরাধীরা গ্রেফতারের পরপরই সহজেই জামিন পেয়ে মুক্ত হয়ে যাচ্ছে। পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, মামলার যথাযথ প্রস্তুতি এবং পর্যাপ্ত সাক্ষ্যপ্রমাণ ও আলামতের অভাবে আসামিরা আইনি ফাঁকফোকর দিয়ে বেরিয়ে যাচ্ছে। এই ত্রুটি দূর করতে অবিলম্বে কঠোর আইন প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানানো হয়।

খুলনা সদর আসনের সংসদ সদস্য শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল সংবাদ সম্মেলনে বলেন যে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নের মূল দায়িত্ব বর্তায় সরকারের ওপর এবং জনপ্রতিনিধি হিসেবে তারা স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখছেন। অপরাধ দমন ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে এর সম্পূর্ণ দায়ভার প্রশাসনকেই বহন করতে হবে বলে তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী, ঢাকার বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হওয়া এই লংমার্চ বিভিন্ন পথসভা পেরিয়ে কুষ্টিয়ার দিকে অগ্রসর হবে। খুলনার শিববাড়ী মোড় ও ফুলতলা বাসস্ট্যান্ডে আয়োজিত দুটি বিশাল পথসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখার কথা রয়েছে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমিরের। কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ ও সফল করতে ইতিমধ্যে ১৭টি উপকমিটি গঠন করা হয়েছে এবং কয়েক সহস্রাধিক প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবক মাঠে দায়িত্ব পালন করবেন।

advertisement
advertisement

বাংলাদেশ রসায়ন অলিম্পিয়াডের আঞ্চলিক পর্ব অনুষ্ঠিত, চূড়ান্ত পর্ব ২৮ নভেম্বর

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৩:৪৬ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বাংলাদেশ রসায়ন অলিম্পিয়াডের আঞ্চলিক পর্ব অনুষ্ঠিত, চূড়ান্ত পর্ব ২৮ নভেম্বর

বাংলাদেশ রসায়ন অলিম্পিয়াডের আঞ্চলিক পর্ব অনুষ্ঠিত, চূড়ান্ত পর্ব ২৮ নভেম্বর

শিক্ষা ডেস্ক: দেশের উচ্চমাধ্যমিক এবং এ-লেভেল পর্যায়ের তরুণ শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে সম্প্রতি বাংলাদেশ রসায়ন অলিম্পিয়াডের আঞ্চলিক পর্বের প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিজ্ঞান ও রসায়ন বিষয়ে শিক্ষার্থীদের আগ্রহ বাড়াতে এবং তাদের মেধা বিকাশের লক্ষ্যে এই বিশেষ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই মেধা অন্বেষণ প্রতিযোগিতায় অংশ নেন।

আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, আঞ্চলিক পর্বের প্রতিটি কেন্দ্র থেকে সেরা ১০ জন করে মেধাবী শিক্ষার্থীকে বিজয়ী হিসেবে নির্বাচন করা হয়েছে। প্রতিযোগিতায় বিজয়ী এসব কৃতি শিক্ষার্থীকে অলিম্পিয়াডের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে সনদ ও পদক প্রদান করা হয়। আঞ্চলিক পর্যায়ে সাফল্যের ধারাবাহিকতায় এবার তারা চূড়ান্ত লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

আঞ্চলিক পর্বের সফল সমাপ্তির পর এখন সবার নজর আগামী ২৮ নভেম্বর অনুষ্ঠিতব্য চূড়ান্ত পর্বের দিকে। ওই দিন দেশের সেরা রসায়নবিদদের খুঁজে বের করতে চূড়ান্ত প্রতিযোগিতাটি অনুষ্ঠিত হবে। আঞ্চলিক পর্বে বিজয়ী ও নির্বাচিত প্রতিযোগীরা এই জাতীয় বা চূড়ান্ত পর্বে অংশ নেওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছেন।

সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন যে, এই অলিম্পিয়াডের মাধ্যমে দেশের মেধাবী শিক্ষার্থীরা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের নাম উজ্জ্বল করার সুযোগ পাবে। বিজ্ঞানভিত্তিক মনন তৈরিতে এবং শিক্ষার মান উন্নয়নে এ ধরনের প্রতিযোগিতার আয়োজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। চূড়ান্ত পর্বকে কেন্দ্র করে বর্তমানে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থী ও আয়োজকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে।

বিনার গামা রশ্মি বিকিরণ কেন্দ্র উদ্বোধন, কৃষিপণ্যের সংরক্ষণকাল বাড়বে ১২ মাস পর্যন্ত

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৩:৩৩ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বিনার গামা রশ্মি বিকিরণ কেন্দ্র উদ্বোধন, কৃষিপণ্যের সংরক্ষণকাল বাড়বে ১২ মাস পর্যন্ত

বিনার গামা রশ্মি বিকিরণ কেন্দ্র উদ্বোধন, কৃষিপণ্যের সংরক্ষণকাল বাড়বে ১২ মাস পর্যন্ত

ডেস্ক রিপোর্ট: কৃষিপণ্যের অপচয় রোধ ও সংরক্ষণ ক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্যে সম্প্রতি একটি নতুন গামা রশ্মি বিকিরণ কেন্দ্র উদ্বোধন করা হয়েছে। বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট বা বিনা আয়োজিত এই উদ্যোগ দেশের কৃষিখাতে এক নতুন দিগন্তের সূচনা করবে বলে আশা করা হচ্ছে। আধুনিক এই প্রযুক্তির সাহায্যে এখন থেকে কৃষিপণ্য অনেক দীর্ঘ সময় পর্যন্ত তাজা ও উপযোগী রাখা সম্ভব হবে।

বিনার মহাপরিচালক সম্প্রতি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এই প্রকল্পের বিভিন্ন ইতিবাচক দিক তুলে ধরেন। তিনি জানান যে এই বিশেষ বিকিরণ কেন্দ্র চালুর ফলে প্রতিবছর প্রায় ছাপ্পান্ন হাজার পাঁচশত টন কৃষিপণ্যের সংগ্রহোত্তর ক্ষতি সফলভাবে কমানো সম্ভব হবে। এর ফলে কৃষিজ পণ্যের পচন রোধ করা এবং বাজারজাতকরণের প্রক্রিয়া আরও সহজতর করা যাবে।

প্রযুক্তির এই ব্যবহারের ফলে আর্থিক দিক থেকেও দেশ বড় ধরনের লাভবান হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। মহাপরিচালকের তথ্য অনুযায়ী, এই কেন্দ্রটি কার্যকর হওয়ার মাধ্যমে প্রতিবছর অন্তত তিপ্পান্ন কোটি সত্তর লাখ টাকা সাশ্রয় করা সম্ভব হবে। কৃষিপণ্যের অপচয় কমার কারণে উৎপাদক ও ভোক্তা উভয় পক্ষই এর সুফল ভোগ করবেন।

কৃষিবিদরা আশা করছেন যে এই সংরক্ষণ ব্যবস্থার মাধ্যমে কৃষিপণ্যের মেয়াদ বারো মাস পর্যন্ত বাড়ানো সম্ভব হবে, যা খাদ্য নিরাপত্তায় বিশেষ ভূমিকা রাখবে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে উৎপাদিত কৃষিপণ্য সঠিক সময়ে সংরক্ষণ করে সারাবছর এর সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা যাবে। এ ধরনের উদ্যোগ কৃষকদের অর্থনৈতিক সুরক্ষা দেওয়ার পাশাপাশি দেশের সামগ্রিক খাদ্য অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করবে।

রাশেদ খানের আচরণ সংবাদপত্রের স্বাধীনতায় সরাসরি আঘাত: মাওলানা মুহিউদ্দীন রব্বানী

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৩:১৬ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
রাশেদ খানের আচরণ সংবাদপত্রের স্বাধীনতায় সরাসরি আঘাত: মাওলানা মুহিউদ্দীন রব্বানী

রাশেদ খানের আচরণ সংবাদপত্রের স্বাধীনতায় সরাসরি আঘাত: মাওলানা মুহিউদ্দীন রব্বানী

জাতীয় ডেস্ক: আমার দেশ পত্রিকা ছিঁড়ে ফেলা এবং গণমাধ্যমের বিরুদ্ধে আপত্তিকর মন্তব্য করার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক মজলিসে তাহাফফুজে খতমে নবুওয়ত বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা মুহিউদ্দীন রব্বানী। সম্প্রতি রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এই তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন এবং এটিকে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার ওপর নগ্ন হস্তক্ষেপ বলে আখ্যায়িত করেন। তিনি বলেন যে কোনো স্বাধীন রাষ্ট্রে সংবাদপত্রের মুখ বন্ধ করার এমন অপচেষ্টা অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয় এবং এটি কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।

বিবৃতিতে মাওলানা মুহিউদ্দীন রব্বানী আরও উল্লেখ করেন যে সংবাদমাধ্যমের মূল দায়িত্ব হলো সমাজের সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ চিত্র তুলে ধরা। সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে তা কোনো বিশেষ পক্ষের অনুকূলে যেতে পারে আবার অন্য কোনো পক্ষের বিপক্ষেও যেতে পারে, যা সাংবাদিকতার একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। এই ধরনের বিষয়কে কেন্দ্র করে ক্ষুব্ধ হয়ে কোনো পত্রিকার প্রতি উগ্র আচরণ প্রদর্শন করা একজন দায়িত্বশীল ব্যক্তির নিকট থেকে কোনোভাবেই কাম্য হতে পারে না এবং সচেতন জনগণ এমন গর্হিত আচরণ কখনোই সমর্থন করে না।

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খানের নাম উল্লেখ করে তিনি বলেন যে এমন উচ্চপদস্থ ও দায়িত্বশীল ব্যক্তির পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লাইভে এসে পত্রিকা ছিঁড়ে ফেলার মতো ঔদ্ধত্যপূর্ণ কাজ সরকারের সামগ্রিক ভাবমূর্তিকে মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ করছে। কোনো সংবাদ কিংবা সম্পাদকীয় নীতি নিয়ে দ্বিমত বা আপত্তি থাকলে তা প্রকাশের জন্য দেশে প্রচলিত আইনি পথ এবং গণতান্ত্রিক প্রতিবাদ জানানোর সুযোগ সবসময়ই খোলা রয়েছে। কিন্তু সেই পথ ছেড়ে প্রকাশ্যে পত্রিকা ধ্বংস করে আক্রোশ প্রকাশ করা সম্পূর্ণ অগণতান্ত্রিক ও অগ্রহণযোগ্য একটি সংস্কৃতি।

পরিশেষে মাওলানা মুহিউদ্দীন রব্বানী আশা প্রকাশ করেন যে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি নিজের এই অনভিপ্রেত আচরণের জন্য প্রকাশ্যে দুঃখ প্রকাশ করবেন এবং সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতায় সরকারের বিশ্বাসের বিষয়টি স্পষ্ট করবেন। একই সঙ্গে তিনি দেশের প্রতিটি গণমাধ্যমের পূর্ণ স্বাধীনতা এবং সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার জন্য সরকারের কাছে জোরালো দাবি জানান।