খুঁজুন
advertisement
advertisement
শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১৫ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

এনভিডিয়া প্রধানের ওপর চীনা গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ ভিত্তিহীন: বেইজিং

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১০ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
এনভিডিয়া প্রধানের ওপর চীনা গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ ভিত্তিহীন: বেইজিং

এনভিডিয়া প্রধানের ওপর চীনা গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ ভিত্তিহীন: বেইজিং

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: প্রযুক্তি জায়ান্ট এনভিডিয়ার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জেনসেন হুয়াংকে কেন্দ্র করে সম্প্রতি যে চীনা গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ উঠেছে, তা জোরালোভাবে নাকচ করে দিয়েছে বেইজিং। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্প্রতি আয়োজিত এক নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন জল্পনা এবং দেশটির আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার একটি সুদূরপ্রসারী অপচেষ্টা বলে অভিহিত করেছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য নিউইয়র্ক টাইমস-এ প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনের তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন এই অবস্থান স্পষ্ট করেন। তিনি জানান যে সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদনটি পুরোপুরি ভিত্তিহীন অনুমানের ওপর দাঁড়িয়ে রয়েছে এবং এর মূল উদ্দেশ্যই হলো চীনকে বিশ্ববাসীর সামনে হেয় প্রতিপন্ন করা।

মার্কিন সংবাদমাধ্যমটির ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল যে সিঙ্গাপুরভিত্তিক ডেটা সেন্টার প্রতিষ্ঠান মেগাস্পিডের সঙ্গে জড়িত এক চীনা নির্বাহী বেইজিংয়ের পক্ষে গোয়েন্দা তৎপরতায় যুক্ত ছিলেন। মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের বরা আরও বলা হয় যে ওই ব্যক্তি চীনের কাছে বিভিন্ন গোপনীয় প্রযুক্তিগত তথ্য সরবরাহ করতেন এবং উন্নত প্রযুক্তির এনভিডিয়া এআই চিপ চীনে পাচারের সম্ভাব্য অভিযোগে মেগাস্পিডের কার্যক্রমও তদন্তের আওতায় ছিল। তদন্তসংশ্লিষ্ট নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সূত্রের বরাত দিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয় যে, প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী অ্যালিস হুয়াং বা হুয়াং লে এনভিডিয়ার প্রধান জেনসেন হুয়াংয়ের সঙ্গে বেশ ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলেছিলেন। তবে উভয় পক্ষের স্পষ্ট ভাষ্য অনুযায়ী, অ্যালিস হুয়াংয়ের সঙ্গে জেনসেন হুয়াংয়ের কোনো ধরনের পারিবারিক বা রক্তের সম্পর্ক নেই।

এদিকে মেগাস্পিডের বিরুদ্ধে ওঠা এহেন গুরুতর চিপ পাচারের অভিযোগের বিষয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন এবং রক্ষণশীল অবস্থান জানিয়েছে খোদ এনভিডিয়া কর্তৃপক্ষ। প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে স্পষ্ট করে জানানো হয়েছে যে মেগাস্পিড তাদের অন্যসব আঞ্চলিক গ্রাহকের মতোই একজন সাধারণ গ্রাহক মাত্র। সিঙ্গাপুরভিত্তিক এই প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে অতীতেও চীনে চিপ পাচারের অভিযোগ উঠেছিল এবং সে সময় এনভিডিয়া তা নিজস্ব উদ্যোগে তদন্ত করে দেখেছে। তাদের দাবি, আগের সেই অভ্যন্তরীণ তদন্তেও এই অভিযোগগুলোর কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি এবং তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে প্রমাণিত হয়েছিল।

নিউইয়র্ক টাইমসকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে এনভিডিয়ার মুখপাত্র জন রিজো ব্যাখ্যা করেছেন যে অ্যালিস হুয়াংয়ের সঙ্গে জেনসেন হুয়াংয়ের যোগাযোগ কোনো অস্বাভাবিক বা গোপন ঘটনা নয়। একজন বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীর নিয়মিত দাপ্তরিক দায়িত্বের অংশ হিসেবেই বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের গ্রাহক ও অংশীদারদের সঙ্গে বৈঠক করতে হয়। তিনি আরও জানান যে জেনসেন হুয়াং প্রতিবছর বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের হাজার হাজার গ্রাহক প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ নির্বাহীদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে চলেন। সব মিলিয়ে, চীনের পক্ষ থেকে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ সরাসরি প্রত্যাখ্যান করা এবং এনভিডিয়ার পক্ষ থেকে চিপ পাচারের দাবি নাকচ করার মধ্য দিয়ে এই স্পর্শকাতর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর অবস্থান এখন অত্যন্ত স্পষ্ট।

advertisement
advertisement

বাড়তি সময় পাওয়ায় বাড়ল দায়িত্বও

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৬:১৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বাড়তি সময় পাওয়ায় বাড়ল দায়িত্বও

বাড়তি সময় পাওয়ায় বাড়ল দায়িত্বও

অর্থনীতি ডেস্ক: জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ স্বল্পোন্নত দেশ বা এলডিসি তালিকা থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের প্রস্তুতিকাল আরও তিন বছর বাড়িয়ে ২০২৯ সালের নভেম্বর পর্যন্ত নির্ধারণ করেছে। এই সিদ্ধান্ত দেশের অর্থনীতিতে বড় ধরনের সুযোগ তৈরি করলেও একে কেবল স্বস্তির বিষয় হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। বরং সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাতের দায়িত্ব ও চ্যালেঞ্জ দুটোই বহুগুণে বৃদ্ধি পেয়েছে। কেননা উত্তরণের সময়সীমা পেছালেও অর্থনীতির ভেতরের দুর্বলতা কিংবা বৈশ্বিক প্রতিযোগিতার চাপ একটুও কমে যায়নি।

এই বাড়তি সময় কার্যকরভাবে ব্যবহারের জন্য সবার আগে প্রয়োজন একটি বাস্তবসম্মত ও সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও প্রকাশ করা। কোন মন্ত্রণালয় বা সরকারি সংস্থা নির্দিষ্ট কত দিনের মধ্যে কী ধরনের পদক্ষেপ নেবে, প্রয়োজনীয় অর্থ কোথা থেকে জোগান দেওয়া হবে এবং কাজের অগ্রগতি কীভাবে মূল্যায়ন করা হবে—সেসব বিষয়ে সবকিছু একদম পরিষ্কার থাকতে হবে। কেবল কাগজ-কলমে পরিকল্পনা সীমাবদ্ধ রাখলে এই তিন বছরের অতিরিক্ত সময়ও কোনো উপকারে আসবে না, তাই নিয়মিত অগ্রগতি পর্যালোচনা করে তা জনসমক্ষে প্রকাশ করা জরুরি।

অর্থনীতির কাঠামোগত দুর্বলতা কাটানোর অংশ হিসেবে রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি, ব্যাংক খাতে সুশাসন নিশ্চিত করা এবং বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ তৈরি করা এখন সবচেয়ে বেশি অগ্রাধিকার পাওয়া উচিত। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও পরিবহন খাতের অবকাঠামোগত ঘাটতি দূর করতে হবে, ব্যবসার খরচ কমাতে হবে এবং নীতিগত ধারাবাহিকতা বজায় রেখে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরিয়ে আনতে হবে। রপ্তানি বাণিজ্যে তৈরি পোশাক খাতের ওপর মাত্রাতিরিক্ত নির্ভরতা কমিয়ে নতুন পণ্য ও বাজারের পরিধি বাড়াতে না পারলে উত্তরণ-পরবর্তী সময়ে শুল্কমুক্ত সুবিধা হারিয়ে বড় ধরনের বিপাকে পড়ার শঙ্কা রয়েছে।

উত্তরণ প্রক্রিয়ার সম্ভাব্য চাপ যেন ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পপ্রতিষ্ঠান, সাধারণ শ্রমিক, নারী এবং তরুণ সমাজের ওপর বেশি না পড়ে, সেদিকে বিশেষ নজর দিতে হবে। তাদের জন্য প্রযুক্তিগত সহায়তা, দক্ষতা বৃদ্ধি, সহজে অর্থায়ন এবং নতুন বাজারে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রশিক্ষণ কর্মসূচিকে বাজারের প্রকৃত চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে হবে। সরকারের দৃঢ় রাজনৈতিক সদিচ্ছা, কার্যকর সমন্বয় ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার মাধ্যমেই কেবল এই বাড়তি সময়ের সদ্ব্যবহার করা সম্ভব, যা দিনশেষে দেশের রপ্তানি, বিনিয়োগ ও সাধারণ মানুষের জীবনমানের টেকসই উন্নয়নে প্রতিফলিত হবে।

মিথ্যা ঘোষণায় বন্দরে বাড়ছে আমদানি

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৬:০২ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মিথ্যা ঘোষণায় বন্দরে বাড়ছে আমদানি

মিথ্যা ঘোষণায় বন্দরে বাড়ছে আমদানি

অর্থনীতি ডেস্ক: চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর দিয়ে মিথ্যা ঘোষণায় পণ্য আমদানির প্রবণতা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। অসাধু আমদানিকারকরা কম শুল্ক পরিশোধের উদ্দেশ্যে নতুন নতুন কৌশলের আশ্রয় নিচ্ছেন বলে বন্দর সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কঠোর নজরদারিতে এই ধরনের বহু অবৈধ চালান ধরা পড়ে। মূলত ভুল ট্যারিফ নির্ধারণ, পণ্যের প্রকৃত পরিমাণ ও দাম গোপন করা এবং নিষিদ্ধ বা উচ্চ শুল্কের পণ্য লুকিয়ে আনার মতো অনিয়মগুলো বেশি ঘটছে। কাস্টমস হাউসের অডিট, ইনভেস্টিগেশন অ্যান্ড রিসার্চ শাখা এসব জালিয়াতি রোধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে। সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে যেসব পণ্য আনা হয়েছে, তার মধ্যে স্ক্র্যাপের আড়ালে যন্ত্রপাতি বা গাড়ি এবং সাধারণ পণ্যের আড়ালে মোবাইল ফোন বা প্রসাধনী আমদানির মতো ঘটনা রয়েছে।

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে অর্থাৎ জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত সময়ে মিথ্যা ঘোষণা সন্দেহে মোট ৪৬৭টি আমদানি চালান জব্দ করেছে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস। এই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট আমদানিকারকদের বিরুদ্ধে মোট ২৭০টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। জব্দ করা এসব চালান থেকে শুল্ক ফাঁকি রোধ এবং জরিমানা বাবদ মোট ৫৮ কোটি দুই লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা হয়েছে। কাস্টমসের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় এবার চালান জব্দের হার প্রায় ত্রিশ শতাংশ বেশি। এর আগের অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে ৩৬১টি চালান জব্দ করা হয়েছিল এবং মামলা হয়েছিল ১৯৯টি। সময়ের ব্যবধানে অনিয়মের মাত্রা বাড়ার পাশাপাশি রাজস্ব ও জরিমানা আদায়ের পরিমাণও বহুলাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে।

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের সহকারী কমিশনার ও মুখপাত্র মোহাম্মদ শরীফ আল আমিন জানান, বন্দর দিয়ে মিথ্যা ঘোষণায় পণ্য আমদানির অপচেষ্টা বাড়ায় কাস্টমস কর্মকর্তারা তাদের তদারকি আরও জোরদার করেছেন। ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহারের পাশাপাশি বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে অপরাধ দমনের কাজ চলছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, কাস্টমসের এআইআর শাখার পাশাপাশি শুল্ক গোয়েন্দা এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা ইউনিট অত্যন্ত সক্রিয়ভাবে মাঠে কাজ করছে। কাসটমস কর্মকর্তাদের এই কঠোর অবস্থানের ফলে অসাধু চক্রগুলোর অনেক জালিয়াতি ইতিমধ্যে ভেস্তে দেওয়া সম্ভব হয়েছে। অনিয়ম রোধে নিয়মিত চালানের শতভাগ কায়িক পরীক্ষাও চালানো হচ্ছে বলে জানান এই কর্মকর্তা।

ব্যবসায়ী সমাজের প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা এই ধরনের অনিয়মের বিরুদ্ধে আরও কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পক্ষে মত দিয়েছেন। চট্টগ্রাম চেম্বারের পরিচালক ও চট্টগ্রাম কাস্টম অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য মো. ইসমাইল খান বলেন, মিথ্যা ঘোষণা দেওয়ার পেছনে অনেক সময় একটি সংঘবদ্ধ চক্র সক্রিয় থাকে। তাই ইচ্ছাকৃতভাবে যারা শুল্ক ফাঁকি দিচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। তবে একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেছেন যে, কাস্টমসের কড়াকড়ির কারণে যেন কোনোভাবেই বৈধ আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীরা অহেতুক হয়রানির শিকার না হন। সামগ্রিক বাণিজ্য পরিবেশ ঠিক রেখে অনিয়মকারীদের আইনের আওতায় আনতে পারলে সরকারের রাজস্ব আয় আরও বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচনে আগাম ভোটের রেকর্ড ভাঙতে পারে

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১৫ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচনে আগাম ভোটের রেকর্ড ভাঙতে পারে

যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচনে আগাম ভোটের রেকর্ড ভাঙতে পারে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন নির্বাচনে নাগরিকদের অংশগ্রহণ আগের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে সাধারণ মানুষের মাঝে যে উৎসাহ লক্ষ্য করা গেছে, তাতে ভোটদানের সামগ্রিক হার ২০২০ সালের পরিসংখ্যানকেও পেছনে ফেলতে পারে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বর্তমান প্রবণতা অব্যাহত থাকলে তা সাম্প্রতিক ইতিহাসের যেকোনো নির্বাচনকে ছাড়িয়ে যাবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ভোটার উপস্থিতি শুধু সাধারণ নির্বাচনকেই ছাড়িয়ে যাবে না, বরং তা মধ্যবর্তী নির্বাচনের দীর্ঘমেয়াদি ইতিহাসেও নতুন রেকর্ড গড়তে পারে। এর আগে মধ্যবর্তী নির্বাচনে ১৯১৪ সালে সর্বোচ্চ ভোটদানের হার রেকর্ড করা হয়েছিল। বর্তমান পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে গবেষকরা বলছেন, শতবর্ষ আগের সেই রেকর্ড ভাঙার ক্ষেত্রে এবার বড় ধরনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

নির্বাচন বিশ্লেষকরা বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের আগাম ভোটের পরিসংখ্যান পর্যালোচনা করে এই আশাবাদী হিসাব কষেছেন। সাধারণ ভোটারদের দীর্ঘ লাইন এবং ডাকযোগে ভোট দেওয়ার ব্যাপক আগ্রহ এই রেকর্ড ভাঙার মূল কারণ হিসেবে কাজ করছে। রাজনৈতিক দলগুলোর প্রচারণা এবং নাগরিক অধিকার সংগঠনগুলোর ব্যাপক জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে টানতে বড় ভূমিকা রেখেছে।

ভোটগ্রহণের দিন যতই এগিয়ে আসছে, ভোটারদের এই স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ মার্কিন গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রতি জনগণের আস্থার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আশা করছে, চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশের পর এই নির্বাচন মার্কিন রাজনৈতিক ইতিহাসে ভোটার উপস্থিতির এক নতুন মাইলফলক হয়ে থাকবে।