খুঁজুন
advertisement
advertisement
শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১৫ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

সরকার জনগণের কাঁধে স্বৈরাচার চাপিয়ে দিতে চায়: শফিকুর রহমান

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৭:৩৪ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সরকার জনগণের কাঁধে স্বৈরাচার চাপিয়ে দিতে চায়: শফিকুর রহমান

সরকার জনগণের কাঁধে স্বৈরাচার চাপিয়ে দিতে চায়: শফিকুর রহমান

রাজনীতি ডেস্ক: গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করে সরকার জনগণের ঘাড়ে স্বৈরাচার চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান। সম্প্রতি এক রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তিনি এই মন্তব্য করেন। তিনি বলেন যে, বর্তমান সরকার জনগণের মৌলিক অধিকার নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে এবং জনগণের সঙ্গে এক ধরণের প্রতারণা করা হচ্ছে। দেশের সাধারণ মানুষ দীর্ঘদিন ধরে নিজেদের ভোটাধিকার ও বাকস্বাধীনতা ফিরে পাওয়ার লড়াই চালিয়ে গেলেও ক্ষমতাসীনরা সেই আকাঙ্ক্ষাকে মূল্যায়ন করছে না বলে তিনি দাবি করেন।

খুলনা ও যশোর অভিমুখে আয়োজিত ১১ দলীয় জোটের লংমার্চ কর্মসূচির অংশ হিসেবে শরীয়তপুরের জাজিরার নাওডোবায় একটি পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই কঠোর সমালোচনা করেন শফিকুর রহমান। তিনি আরও বলেন যে, যত বাধাবিপত্তিই আসুক না কেন, জনগণের ন্যায্য অধিকার আদায় না হওয়া পর্যন্ত তাদের এই রাজনৈতিক আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। যেকোনো মূল্যে দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরিয়ে আনতে তারা রাজপথে সক্রিয় থাকবেন বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

উক্ত পথসভায় জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার সরকারের কঠোর সমালোচনা করে বলেন যে, সরকার গণভোটের রায় উপেক্ষা করে প্রকারান্তরে দেশের জনগণকে লালকার্ড দেখিয়েছে। এর ফলস্বরূপ জনগণও ঐক্যবদ্ধ হয়ে এই ব্যর্থ সরকারকে ক্ষমতা থেকে বিদায় করতে লালকার্ড দেখাবে বলে তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে প্রশাসনের নানামুখী ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে শীর্ষ এই নেতারা সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন আরও তীব্র করার ইঙ্গিত দেন।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব জালালুদ্দিন অভিযোগ করেন যে, রাষ্ট্র মেরামতের প্রশ্নে গণভোটে সাধারণ মানুষ ইতিবাচক রায় দিলেও নির্বাচনে কারচুপির মাধ্যমে ক্ষমতায় যাওয়ার পর সরকারের চরিত্র ও নীতিতে পরিবর্তন এসেছে। তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে এক ধরণের কথা বলা হলেও ক্ষমতায় বসার পর তারা জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সম্পূর্ণ ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে। দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে এই লংমার্চ ও পথসভাকে কেন্দ্র করে বিরোধী দলগুলোর পক্ষ থেকে সরকারের বিরুদ্ধে চাপ আরও বাড়ানোর কৌশল স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

advertisement
advertisement

এইচএসসিতে ছাত্রদের অর্ধেকই ফেল, ছাত্রী ৪৩.৬৯ শতাংশ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১:৩২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
এইচএসসিতে ছাত্রদের অর্ধেকই ফেল, ছাত্রী ৪৩.৬৯ শতাংশ

এইচএসসিতে ছাত্রদের অর্ধেকই ফেল, ছাত্রী ৪৩.৬৯ শতাংশ

শিক্ষা ডেস্ক: চলতি বছরে অনুষ্ঠিত উচ্চমাধ্যমিক ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে শিক্ষাবোর্ডে পাসের হারে বড় ধরনের পতন লক্ষ্য করা গেছে। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এবার সারা দেশে গড় পাসের হার উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমে ৫২ দশমিক ১২ শতাংশে এসে দাঁড়িয়েছে। অথচ এর আগের বছর অর্থাৎ ২০২৫ সালের এই পাবলিক পরীক্ষায় সার্বিক পাসের হার ছিল ৫৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ। এক বছরের ব্যবধানে পাসের হার প্রায় সাড়ে ছয় শতাংশেরও বেশি হ্রাস পাওয়ার ফলে শিক্ষা অঙ্গনে নানা আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

এবারের ফলাফলের বিস্তারিত বিশ্লেষণে দেখা যায়, ছাত্র এবং ছাত্রী উভয়ের ক্ষেত্রেই ফলাফলের এই নিম্নমুখী ধারা বজায় রয়েছে। বিশেষ করে ছাত্রদের ক্ষেত্রে পাসের হার আশঙ্কাজনকভাবে কমে অর্ধেক শিক্ষার্থীর মধ্যেই সীমিত হয়ে পড়েছে। অন্যদিকে ছাত্রীদের ক্ষেত্রেও পাসের হার গতবারের তুলনায় হ্রাস পেয়েছে, যদিও তারা সার্বিক ফলাফলের দিক থেকে তুলনামূলক কিছুটা এগিয়ে রয়েছে। বোর্ডের প্রকাশিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এবছর পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ছাত্রছাত্রীদের উল্লেখযোগ্য একটি অংশ কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে।

শিক্ষাবিদ ও সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন প্রক্রিয়া এবং শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পড়াশোনার ঘাটতির কারণে সামগ্রিক ফলাফলে এই নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। করোনাকালীন শিক্ষাজীবনে যে ঘাটতি তৈরি হয়েছিল, তা কাটিয়ে ওঠার দীর্ঘমেয়াদি প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকলেও পরীক্ষার্থীদের প্রস্তুতিতে কিছু দুর্বলতা রয়ে গেছে। তাছাড়া ইংরেজি ও অন্যান্য কঠিন বিষয়ে শিক্ষার্থীদের ফলাফল আশানুরূপ না হওয়ায় সার্বিক পাসের হার এত নিচে নেমে এসেছে বলে মনে করছেন অভিজ্ঞ শিক্ষকরা।

শিক্ষা বোর্ডগুলোর পক্ষ থেকে প্রকাশিত এই ফলাফলের পর এখন খতিয়ে দেখা হচ্ছে কোন কোন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাসের হার সবচেয়ে বেশি কমেছে। যেসব প্রতিষ্ঠান থেকে কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি বা যাদের ফলাফল অত্যন্ত হতাশাব্যঞ্জক, তাদের বিরুদ্ধে কারণ দর্শানোর নোটিশসহ প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। আগামী দিনে শিক্ষাদানের মান উন্নত করতে এবং পাসের হার বাড়াতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষগুলো সুনির্দিষ্ট কিছু পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবছে।

এক মাসের মধ্যে ফের পরীক্ষা দিতে পারবে সর্বোচ্চ দুই বিষয়ে অকৃতকার্যরা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
এক মাসের মধ্যে ফের পরীক্ষা দিতে পারবে সর্বোচ্চ দুই বিষয়ে অকৃতকার্যরা

এক মাসের মধ্যে ফের পরীক্ষা দিতে পারবে সর্বোচ্চ দুই বিষয়ে অকৃতকার্যরা

শিক্ষা ডেস্ক: এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় এক বা দুটি বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীরা মাত্র এক মাসের ব্যবধানে পুনরায় পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। সম্প্রতি সচিবালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত সম্পর্কে বিস্তারিত জানান শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন। এবারের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় সারা দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছিলেন। দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষে প্রকাশিত ফলে দেখা গেছে, এবার গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ, যা গত বছরের তুলনায় কিছুটা কম।

চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা নির্ধারিত সময়ে শুরু হলেও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে কিছু জটিলতা তৈরি হয়েছিল। গত দুই জুলাই শুরু হওয়া এই পরীক্ষা আট আগস্ট শেষ হওয়ার কথা থাকলেও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কবলে পড়ে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের কয়েকটি লিখিত পরীক্ষা যথাসময়ে নেওয়া সম্ভব হয়নি। পরবর্তী সময়ে স্থগিত হওয়া পরীক্ষাগুলো সম্পন্ন হওয়ায় ওই বোর্ডের লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় নয় সেপ্টেম্বর। সারা দেশের দুই হাজার ৬৯৭টি কেন্দ্রে নয় হাজার ৪৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এই পাবলিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিলেন।

শিক্ষার্থীরা শিক্ষা বোর্ডগুলোর যৌথ ওয়েবসাইট এবং নিজ নিজ শিক্ষা বোর্ডের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট থেকে মার্কশিটসহ ফলাফল দেখতে ও ডাউনলোড করতে পারছেন। এ ছাড়া যেকোনো মোবাইল অপারেটরের নম্বর থেকে নির্দিষ্ট ফরম্যাটে এসএমএস পাঠিয়েও খুব সহজে ফল জেনে নেওয়ার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কোনো কেন্দ্র বা দপ্তর থেকে সরাসরি ফলাফল বা শিট বিতরণ করা হচ্ছে না, সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি ডিজিটাল মাধ্যমে সম্পন্ন করা হচ্ছে।

এদিকে প্রকাশিত ফলাফলে কোনো শিক্ষার্থী সন্তুষ্ট না হলে তাদের জন্য উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণের সুযোগ রাখা হয়েছে। আগামী এক নভেম্বর থেকে শুরু হয়ে সাত নভেম্বর পর্যন্ত অনলাইনে পুনর্নিরীক্ষার আবেদন গ্রহণ করা হবে। এসংক্রান্ত বিস্তারিত নিয়মাবলি এবং ফি পরিশোধের পদ্ধতি ইতিমধ্যে শিক্ষা বোর্ডগুলোর অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। পুনর্নিরীক্ষণের পর ফল পরিবর্তিত হলে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা জীবনে তার ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশে ছিল না এনসিপি, গাড়িবহরে ৪ নেতা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১:০২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশে ছিল না এনসিপি, গাড়িবহরে ৪ নেতা

লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশে ছিল না এনসিপি, গাড়িবহরে ৪ নেতা

রাজনীতি ডেস্ক: ১১-দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে সম্প্রতি খুলনার অভিমুখে যে লংমার্চের কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়, তার উদ্বোধনী সমাবেশে অনুপস্থিত ছিল ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি বা এনসিপি। দলটির শীর্ষস্থানীয় বা সাধারণ নেতাকর্মীরা এই কর্মসূচির শুরুর অংশে অংশ নেননি, যা রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। উদ্বোধনী পর্বের এই অনুপস্থিতির কারণে জোটে কোনো ধরনের অভ্যন্তরীণ দূরত্ব তৈরি হয়েছে কি না, তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা শুরু হয়।

তবে উদ্বোধনী সমাবেশে দলীয় উপস্থিতি না থাকলেও পরবর্তীতে লংমার্চের মূল গাড়িবহরে এনসিপির চারজন শীর্ষস্থানীয় নেতা যুক্ত হন। জোটের পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি এবং সংহতি বজায় রাখার অংশ হিসেবেই তারা এই গাড়িবহরে অংশ নেন বলে জানা গেছে। দলটির নীতিনির্ধারক পর্যায়ের এই চার নেতার উপস্থিতি কিছুটা হলেও জোটের মধ্যকার ঐক্য অক্ষুণ্ণ থাকার বার্তা দিয়েছে।

এদিকে লংমার্চের গাড়িবহরে দলের চার নেতার এই অংশগ্রহণকে স্রেফ একটি প্রতীকী পদক্ষেপ বলে অভিহিত করেছে দলটির ঘনিষ্ট সূত্র। তাদের ভাষ্যমতে, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে জোটের সার্বিক কার্যক্রমের প্রতি নৈতিক সমর্থন ও সংহতি প্রকাশের জন্যই এই সীমিত উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়েছিল। একে বড় কোনো সাংগঠনিক শক্তি প্রদর্শন হিসেবে না দেখার অনুরোধ জানিয়েছে দলটি।

উল্লেখ্য, ১১-দলীয় ঐক্যের এই লংমার্চ কর্মসূচিটি দেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ একটি ঘটনা। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে গঠিত এই জোট সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন দাবি নিয়ে রাজপথে সক্রিয় রয়েছে। তবে জোটে থাকা দলগুলোর মধ্যে এ ধরনের খণ্ডিত অংশগ্রহণ বা প্রতীকী উপস্থিতি ভবিষ্যতে তাদের রাজনৈতিক ঐক্যের ওপর কী প্রভাব ফেলে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।