খুঁজুন
advertisement
advertisement
রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১৬ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

ইসরায়েলের রাস্তায় হাজারো মানুষ, ইহুদি-আরব সরকার গঠনের দাবি

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ১২:১৫ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ইসরায়েলের রাস্তায় হাজারো মানুষ, ইহুদি-আরব সরকার গঠনের দাবি

ইসরায়েলের রাস্তায় হাজারো মানুষ, ইহুদি-আরব সরকার গঠনের দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইসরায়েলের বিভিন্ন সড়কে হাজার হাজার মানুষ সমবেত হয়ে একটি নতুন রাজনৈতিক পরিবর্তনের দাবিতে জোরালো আন্দোলন শুরু করেছেন। সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে দেশটির সাধারণ নাগরিকরা ভেদাভেদ ভুলে একসঙ্গে বসবাসের পক্ষে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করছেন। বিক্ষোভকারীদের হাতে থাকা বিভিন্ন ফেস্টুনে সম্প্রীতি ও বন্ধুত্বের বার্তা ফুটে ওঠে, যা পুরো অঞ্চলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

আন্দোলনকারীরা এই সময় বেশ কিছু প্রগতিশীল ও শান্তির সপক্ষে স্লোগান দেন। তাদের মুখে বারবার উচ্চারিত হয় যে ইহুদি ও আরব জনগোষ্ঠী কখনোই একে অপরের শত্রু হতে পারে না। বর্ণবাদী ব্যবস্থার অবসান ঘটিয়ে একটি সমন্বিত ও বহুত্ববাদী সমাজ গঠনের ওপর তারা বিশেষভাবে জোর দেন।

বিক্ষোভের মূল দাবিগুলোর মধ্যে অন্যতম ছিল বর্তমান রাজনৈতিক সংকটের বাইরে এসে ইহুদি ও আরব রাজনৈতিক দলগুলোর যৌথ অংশগ্রহণে একটি নতুন সরকার গঠন করা। অংশগ্রহণকারীরা মনে করেন, একমাত্র পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমেই দেশের চলমান বিভাজন দূর করা সম্ভব। তাদের এই শান্তিপূর্ণ কিন্তু দৃঢ় আন্দোলন সরকারের নীতিনির্ধারকদের ওপর নতুন করে চাপ সৃষ্টি করেছে।

ইসরায়েলের বৈচিত্র্যময় সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ এই কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে নিজেদের সংহতি প্রকাশ করেছেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতির মধ্যেও বিক্ষোভকারীরা অত্যন্ত শৃঙ্খলিতভাবে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যান। এই আন্দোলন দেশটির ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক সমীকরণে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

advertisement
advertisement

এইচএসসির ফল: ইংরেজি-আইসিটিতেই বিপর্যয়

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৬:৪৬ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
এইচএসসির ফল: ইংরেজি-আইসিটিতেই বিপর্যয়

এইচএসসির ফল: ইংরেজি-আইসিটিতেই বিপর্যয়

শিক্ষা ডেস্ক: উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে বিগত দুই দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় ধস নেমেছে। গত ২২ বছরের মধ্যে এবারই সর্বনিম্ন পাসের হার রেকর্ড করা হয়েছে এবং প্রায় অর্ধেক পরীক্ষার্থীই অকৃতকার্য হয়েছেন। শিক্ষা বোর্ডগুলোর গড় পাসের হার এবং সর্বোচ্চ ফল অর্জনকারীর সংখ্যা উভয়ই উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। একই সঙ্গে শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা কমে যাওয়ার পাশাপাশি কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যাও বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলাফল পর্যালোচনায় দেখা গেছে যে সার্বিক এই পতনের পেছনে প্রধান ভূমিকা রেখেছে কয়েকটি নির্দিষ্ট বিষয়ে শিক্ষার্থীদের আশানুরূপ ফল করতে না পারা।

ফলাফল বিশ্লেষণে স্পষ্ট হয়েছে যে মূলত ইংরেজি এবং তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিষয়ের খারাপ ফলাফলই সামগ্রিক বিপর্যয় ডেকে এনেছে। এই দুই বিষয়ে রেকর্ডসংখ্যক শিক্ষার্থী ফেল করেছেন, যা মোট অকৃতকার্য শিক্ষার্থীর বড় একটি অংশ। শিক্ষা সংশ্লিষ্টদের মতে, গ্রামাঞ্চলে দক্ষ শিক্ষকের তীব্র সংকট এবং শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশের দীর্ঘদিনের ইংরেজিভীতি এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী। এছাড়া তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিষয়ে পাঠদানের জন্য উপযুক্ত ও প্রশিক্ষিত শিক্ষকের অভাব থাকায় শিক্ষার্থীরা প্রয়োজনীয় শিখনদক্ষতা অর্জন করতে ব্যর্থ হয়েছেন, যার সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে পরীক্ষার ফলাফলে।

শিক্ষাবিদ ও শিক্ষা বোর্ডের শীর্ষ কর্তাব্যক্তিদের মতে, এবারের এই ফলাফল কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয় বরং দীর্ঘদিনের সংকটের বহিঃপ্রকাশ। প্রকৃত শিক্ষা ও মূল্যায়নের ঘাটতির কারণে শিক্ষার্থীরা কাঙ্ক্ষিত যোগ্যতা অর্জন করতে পারছেন না। এর পাশাপাশি মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থীদের ফলাফলের করুণ দশা সামগ্রিক চিত্রকে আরও ম্লান করে দিয়েছে। অন্যান্য বিভাগের তুলনায় মানবিক বিভাগে পাসের হার সবচেয়ে কম রেকর্ড করা হয়েছে। এছাড়া ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের হিসাববিজ্ঞান বিষয়েও অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় নম্বর তুলতে পারেননি, যা ফল বিপর্যয়কে আরও ত্বরান্বিত করেছে।

এবারের ফলাফলের পেছনে নানামুখী প্রতিকূল পরিস্থিতিও বড় ধরনের প্রভাব রেখেছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। সম্প্রতি প্রাকৃতিক দুর্যোগের কবলে পড়েছিল কয়েকটি অঞ্চল এবং পরীক্ষা কেন্দ্র করে বিভিন্ন ধরনের শিক্ষার্থী আন্দোলন পরিস্থিতিকে জটিল করে তোলে। রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে দীর্ঘ সময় ধরে নিয়মিত শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক শিখনঘাটতি তৈরি হয়েছিল। এর ওপর পরীক্ষার হলে কড়াকড়ি এবং উত্তরপত্র মূল্যায়নে কঠোর নীতি অনুসরণ করায় পাসের হার ও জিপিএ-৫ এর সূচক একসঙ্গে নিম্নমুখী হয়েছে।

বরিশাল শিক্ষা বোর্ড: তিন কারণে ফল বিপর্যয়

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৬:৩১ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বরিশাল শিক্ষা বোর্ড: তিন কারণে ফল বিপর্যয়

বরিশাল শিক্ষা বোর্ড: তিন কারণে ফল বিপর্যয়

শিক্ষা ডেস্ক: চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় দেশের সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর মধ্যে সবচেয়ে খারাপ ফলাফল করেছে বরিশাল শিক্ষা বোর্ড। প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী এই বোর্ডে পাসের হার মাত্র চুয়াল্লিশ দশমিক আট চার শতাংশ যা সারা দেশের মধ্যে সর্বনিম্ন। গত বছরের তুলনায় এই অঞ্চলে পাসের হার কমেছে প্রায় আঠারো শতাংশ এবং সেই সঙ্গে উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পেয়েছে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা। বিগত বছরগুলোতে তুলনামূলক ভালো অবস্থানে থাকা এই শিক্ষাবোর্ডটির এমন ধস নামায় শিক্ষক ও অভিভাবক মহলে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

বোর্ডের শোচনীয় এই ফলাফলের প্রধান কারণ হিসেবে ইংরেজি বিষয়ে শিক্ষার্থীদের চরম ব্যর্থতাকে দায়ী করেছে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ। বোর্ডের তথ্যমতে ইংরেজি বিষয়ে পাসের হার মাত্র তেপান্ন শতাংশের কাছাকাছি অবস্থান করায় তার সামগ্রিক নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে পুরো ফলাফল ব্যবস্থার ওপর। বোর্ড কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে এ বছরের খাতা মূল্যায়ন ও ফলাফল প্রকাশ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে সম্পন্ন হয়েছে এবং এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের প্রকৃত মেধার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে।

অন্যদিকে শিক্ষাবিদ ও কলেজ অধ্যক্ষদের মতে এই বিপর্যয়ের পেছনে মূলত তিনটি প্রধান কারণ জড়িত রয়েছে যার মধ্যে অন্যতম হলো ছাত্র আন্দোলনের পর শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা থেকে দীর্ঘসময় দূরে থাকা। তাঁরা জানান রাজনৈতিক অস্থিরতা ও আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থীরা নিয়মিত ক্লাসে অনুপস্থিত ছিল এবং অভিভাবকেরাও তাদের সন্তানদের পড়াশোনার বিষয়টি যথাযথভাবে তদারকি করেননি। এর ফলে ইংরেজি উচ্চতর গণিত এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির মতো কঠিন বিষয়গুলোতে শিক্ষার্থীরা নিজেদের প্রস্তুত করতে ব্যর্থ হয়েছে।

শিক্ষকদের এমন মন্তব্যের সঙ্গে অবশ্য পুরোপুরি একমত পোষণ করেননি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা বরং তাঁরা এর জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক দায়িত্বহীনতা ও পাঠদানের ঘাটতিকেও সমানভাবে দায়ী করেছেন। অভিভাবক মহলের মতে শিক্ষার্থীদের একচেটিয়াভাবে দোষ না দিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোরও নিজেদের দুর্বলতা খতিয়ে দেখা উচিত। সব মিলিয়ে পূর্ণাঙ্গ সিলেবাসে পরীক্ষা গ্রহণ এবং নিয়মিত ক্লাসের অনুপস্থিতির মতো নানা জটিলতার কারণে বরিশাল বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষার এই বিপর্যয় দীর্ঘমেয়াদে শিক্ষাব্যবস্থায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

পুঁজিবাজারে করনীতি: মূলধনি মুনাফায় ২০৩০ সাল পর্যন্ত করছাড় চায় ডিবিএ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৬:১৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পুঁজিবাজারে করনীতি: মূলধনি মুনাফায় ২০৩০ সাল পর্যন্ত করছাড় চায় ডিবিএ

পুঁজিবাজারে করনীতি: মূলধনি মুনাফায় ২০৩০ সাল পর্যন্ত করছাড় চায় ডিবিএ

অর্থনীতি ডেস্ক: দেশের পুঁজিবাজারকে আরও গতিশীল এবং বিনিয়োগবান্ধব করে তোলার লক্ষ্যে নতুন নীতিগত সহায়তার প্রস্তাব করেছে স্টক ব্রোকারদের প্রধান সংগঠন ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ। সংগঠনটির পক্ষ থেকে ব্যক্তি এবং বিদেশি বিনিয়োগকারীদের তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজ থেকে অর্জিত মূলধনি মুনাফার ওপর আগামী ২০৩০ সাল পর্যন্ত সম্পূর্ণ কর অব্যাহতি দেওয়ার জোরালো দাবি জানানো হয়েছে। বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী বিনিয়োগকারীদের নির্দিষ্ট সীমার বেশি মুনাফার ওপর কর প্রদান করতে হয়, যা অনেক সময় বাজারের স্বাভাবিক লেনদেন ও তারল্য প্রবাহকে বাধাগ্রস্ত করে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্টরা।

সম্প্রতি ডিবিএ-এর পক্ষ থেকে সরকারের নীতিনির্ধারক ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার শীর্ষ কর্তাব্যক্তিদের কাছে এই সংক্রান্ত সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব পেশ করা হয়েছে। এর মধ্যে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর বিনিয়োগ ও পুঁজিবাজারবিষয়ক বিশেষ সহকারী তানভীর শাহরিয়ার গনি, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান মাসুদ খান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান আহসান হাবিবের সঙ্গে বৈঠক করে এই রূপরেখা তুলে ধরা হয়। প্রস্তাবিত বিধান অনুযায়ী, স্টক এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে সম্পন্ন এবং নির্ধারিত কেন্দ্রীয় ডিপোজিটরি ব্যবস্থায় নিষ্পত্তি হওয়া লেনদেনগুলোকে এই কর অব্যাহতির আওতায় আনার কথা বলা হয়েছে।

এই বিশেষ করছাড়ের সুবিধা মূলত সাধারণ ব্যক্তি বিনিয়োগকারী এবং বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য প্রযোজ্য করার সুপারিশ করা হয়েছে, তবে কোম্পানির স্পনসর, পরিচালক এবং স্থানীয় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের বর্তমান করব্যবস্থার আওতাতেই রাখার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে সংগঠনটি। ডিবিএ মনে করে, সেন্ট্রাল কাউন্টারপার্টি অব বাংলাদেশ লিমিটেড বা সিসিবিএল পুরোপুরি কার্যক্রম শুরু না করা পর্যন্ত কর হিসাবের প্রক্রিয়া জটিল থাকতে পারে। তাই এই আধুনিক ব্যবস্থাটি সম্পূর্ণরূপে চালুর পূর্ববর্তী সময় পর্যন্ত অর্থাৎ ২০৩০ সাল নাগাদ বিনিয়োগকারীদের কর অব্যাহতি প্রদান করা যুক্তিযুক্ত হবে।

সংগঠনটির নেতারা বিশ্বাস করেন যে, এই ধরনের কর সুবিধা বাস্তবায়িত হলে বাজারে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের আস্থা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে এবং পুঁজিবাজারে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের সংস্কৃতি গড়ে উঠবে। মুনাফার অর্থ পুনরায় বাজারে বিনিয়োগ করার সুযোগ তৈরি হলে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর মূলধন সংগ্রহের পথও আরও প্রসারের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এই কর অব্যাহতি কার্যকর করা হলে সরকারের রাজস্ব আয়ে সাময়িক কোনো প্রভাব পড়বে কি না এবং এর দীর্ঘমেয়াদি সুফল কীভাবে মূল্যায়ন করা হবে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে নানা ধরনের আলোচনা চলছে।