খুঁজুন
advertisement
advertisement
রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ১৬ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

আমেরিকার রাজনীতিতে বাংলাদেশিদের কেন সক্রিয় হতে হবে

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৬:১৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
আমেরিকার রাজনীতিতে বাংলাদেশিদের কেন সক্রিয় হতে হবে

আমেরিকার রাজনীতিতে বাংলাদেশিদের কেন সক্রিয় হতে হবে

প্রবাস ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বাংলাদেশি অভিবাসী সম্প্রদায় অত্যন্ত সৌভাগ্যবান যে তারা বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম এবং উন্নত গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় জীবনযাপন করার সুযোগ পাচ্ছেন। এই দেশে অভিবাসীরা কোনো ধরনের ভয়ভীতি বা হুমকির মুখোমুখি না হয়ে নিজেদের সাংবিধানিক ভোটাধিকার অবাধে প্রয়োগ করতে পারেন। দীর্ঘমেয়াদে মার্কিন সমাজে নিজেদের অধিকার সুরক্ষা এবং শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করতে এই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করা জরুরি।

আমেরিকার মূলধারার রাজনীতিতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের অংশগ্রহণ কেবল নিজেদের স্বার্থরক্ষা নয়, বরং দেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি তুলে ধরার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। স্থানীয় নীতিনির্ধারক ও জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখলে অভিবাসী সম্প্রদায়ের বিভিন্ন সমস্যা সমাধান করা অনেক সহজ হয়। তাছাড়া প্রবাসীদের অধিকার, নিরাপত্তা এবং সুযোগ-সুবিধা সংক্রান্ত নীতিগুলো প্রণয়নের সময় তাদের জোরালো উপস্থিতি অত্যন্ত জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন স্তরের নির্বাচনে বাংলাদেশিদের অংশগ্রহণ এখন আগের তুলনায় কিছুটা বাড়লেও তা এখনও আশানুরূপ নয়। স্থানীয় সরকার থেকে শুরু করে জাতীয় রাজনীতি পর্যন্ত প্রতিটি ক্ষেত্রে নিজেদের প্রতিনিধি নির্বাচন কিংবা প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণায় অংশ নেওয়ার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে। নতুন প্রজন্মকে মার্কিন রাজনৈতিক কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী নেতৃত্ব তৈরি করা সম্ভব হবে।

তাই প্রবাসী বাংলাদেশিদের কেবল অর্থনৈতিকভাবে সফল হলেই চলবে না, বরং রাজনৈতিক সচেতনতা বৃদ্ধি করে মূলধারার সঙ্গে একাত্ম হতে হবে। ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করলে মার্কিন রাজনীতিতে বাংলাদেশি সমাজের গুরুত্ব ও প্রভাব বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে। এর ফলে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উন্নয়নের পাশাপাশি প্রবাসীদের ভবিষ্যৎ আরও সুদৃঢ় ও নিরাপদ হবে।

advertisement
advertisement

সকালে স্কুল শুরু করতে হয় কেন

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৭:১৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সকালে স্কুল শুরু করতে হয় কেন

সকালে স্কুল শুরু করতে হয় কেন

শিক্ষা ডেস্ক: বাংলাদেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে সকালের দিকে ক্লাস শুরু হওয়া অত্যন্ত পরিচিত একটি দৃশ্য। দেশের বেশিরভাগ স্কুলেই সকাল আটটা বা তার কাছাকাছি সময়ে পাঠদান কার্যক্রম শুরু হয়ে থাকে। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর ক্ষেত্রেও এই সকালের সময়সূচি বজায় রাখার রেওয়াজ রয়েছে দীর্ঘদিন ধরে। প্রাতঃকালীন এই রুটিন কেবল পড়াশোনার অংশ নয়, বরং এটি প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত হয়েছে।

শিশুদের ঘুম এবং শারীরিক গঠনের সঙ্গে এই সকালের সময়সূচির সম্পর্ক নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই নানা আলোচনা চলছে। চিকিৎসাবিজ্ঞান এবং শিশু মনোবিজ্ঞানীদের মতে, পড়ন্ত কিশোর বয়সীদের মস্তিষ্কের জৈবিক ঘড়ি একটু দেরিতে ঘুমাতে এবং দেরিতে জাগতে অভ্যস্ত করে তোলে। কিন্তু সামাজিক ও প্রাতিষ্ঠানিক চাহিদার কারণে এই স্বাভাবিক নিয়মের ব্যত্যয় ঘটে। ফলে পর্যাপ্ত ঘুমের ঘাটতি নিয়ে শিশুদের সকালে ক্লাসে উপস্থিত হতে হয়।

সকাল সকাল ঘুম থেকে ওঠার এই বাধ্যবাধকতা শিক্ষার্থীদের মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যের ওপর কেমন প্রভাব ফেলে, তা নিয়ে বিশেষজ্ঞরা বহুবার উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। অপর্যাপ্ত ঘুমের কারণে ক্লাসে মনোযোগ দেওয়া, নতুন কিছু শেখা এবং স্মৃতিশক্তি ধরে রাখার ক্ষমতা কমে যেতে পারে। তা সত্ত্বেও দীর্ঘদিনের এই অভ্যাস পরিবর্তনের কোনো বড় উদ্যোগ এখনও নজরে আসেনি।

অভিভাবকদের অনেকেই আবার এই সকালের স্কুল নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে থাকেন। তাদের মতে, সকালে স্কুল শুরু হলে দিনের বাকি সময়টা অন্যান্য কাজে ব্যবহার করা যায় এবং গরমের হাত থেকেও কিছুটা রেহাই পাওয়া সম্ভব। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে স্কুল শুরুর সময় কিছুটা পেছানোর প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছেন অনেকে।

চট্টগ্রামে মিয়ানমারে পাচারের সময় এক হাজার মণ সিমেন্ট জব্দ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৭:০২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
চট্টগ্রামে মিয়ানমারে পাচারের সময় এক হাজার মণ সিমেন্ট জব্দ

চট্টগ্রামে মিয়ানমারে পাচারের সময় এক হাজার মণ সিমেন্ট জব্দ

অপরাধ ডেস্ক: চট্টগ্রামের পতেঙ্গা থানাধীন কর্ণফুলী চ্যানেলের ১৫ নম্বর ঘাটসংলগ্ন এলাকা থেকে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সিমেন্ট জব্দ করেছে কোস্ট গার্ড। নদীপথে কার্গো বোটে করে এসব সিমেন্ট প্রতিবেশী দেশ মিয়ানমারে পাচারের চেষ্টা চলছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোস্ট গার্ডের একটি দল ওই এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে।

অভিযানের সময় সন্দেহজনক একটি কার্গো বোট গতি রোধ করে তল্লাশি চালান কোস্ট গার্ডের সদস্যরা। তল্লাশিতে বোটের ভেতর থেকে প্রায় ৪০ হাজার কেজি বা এক হাজার মণ সিমেন্ট উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, কোনো ধরনের বৈধ কাগজপত্র বা সরকারি অনুমোদন ছাড়াই এই সিমেন্টগুলো পাচারের উদ্দেশ্যে নেওয়া হচ্ছিল।

অবৈধভাবে সিমেন্ট পাচারের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ঘটনাস্থল থেকে চার ব্যক্তিকে আটক করেছে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যরা। আটককৃত ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং তাদের বিরুদ্ধে চোরাচালান আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।

কোস্ট গার্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশের জলসীমা রক্ষা এবং সব ধরনের অবৈধ পাচার রোধে তাদের এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে। জব্দকৃত সিমেন্ট ও আটককৃত পাচারকারীদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

৩৪০ হজযাত্রীর চিকিৎসা ব্যয়ের ১০ কোটি টাকা ফেরত দিল সৌদি আরব

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ১:১৯ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
৩৪০ হজযাত্রীর চিকিৎসা ব্যয়ের ১০ কোটি টাকা ফেরত দিল সৌদি আরব

৩৪০ হজযাত্রীর চিকিৎসা ব্যয়ের ১০ কোটি টাকা ফেরত দিল সৌদি আরব

ধর্ম ডেস্ক: চলতি বছর বিভিন্ন এজেন্সির মাধ্যমে হজে যাওয়া বাংলাদেশি নাগরিকদের চিকিৎসা সংক্রান্ত অতিরিক্ত কেটে রাখা অর্থ ফেরত দিয়েছে সৌদি আরব। সম্প্রতি আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ এই তথ্য গণমাধ্যমের সামনে তুলে ধরেন। তিনি জানান, বাংলাদেশি মুদ্রায় এই অর্থের পরিমাণ প্রায় দশ কোটি ২৩ লাখ টাকা, যা সৌদি মুদ্রায় ৩০ লাখ ৯১ হাজার ২৪৩ রিয়াল। হজযাত্রীদের আর্থিক সুরক্ষা প্রদান এবং দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সংরক্ষণের ক্ষেত্রে এই ঘটনাকে একটি বড় অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। সরকারের জোরালো কূটনৈতিক প্রচেষ্টার ফলেই এই অর্থ সফলভাবে পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বেসরকারি হজ এজেন্সির ব্যবস্থাপনায় সৌদি আরব গমনকারী ৩১০ জন হজযাত্রীর বিপরীতে প্রায় ২৯ লাখ ৭৬ হাজার রিয়াল এবং সরকারি ব্যবস্থাপনায় যাওয়া ৩০ জন হজযাত্রীর বিপরীতে ১ লাখ ১৫ হাজার রিয়াল কেটে রাখা হয়েছিল। মূলত বীমা বহির্ভূত চিকিৎসা ব্যয় মেটানোর জন্য এই অর্থ কর্তন করা হয়েছিল যা পরবর্তীতে ফেরত পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হওয়ার পর ধর্ম মন্ত্রণালয় অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগ শুরু করে এবং গত ২৯ অক্টোবর সম্পূর্ণ অর্থ ফেরত আসে। এই সফলতার মধ্য দিয়ে দেশের নাগরিকদের অধিকার ও স্বার্থ রক্ষায় সরকারের আন্তরিকতা আবারও প্রমাণিত হলো বলে মন্তব্য করেন সংশ্লিষ্টরা।

সৌদি কর্তৃপক্ষের এই অর্থ কর্তন করার পেছনে তাদের কোনো প্রশাসনিক ভুল ছিল না বলে স্পষ্ট করেছেন ধর্মমন্ত্রী। তিনি জানান, গুরুতর অসুস্থ ব্যক্তি, ক্যানসার ও কিডনি রোগী, মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তি এবং অন্তঃসত্ত্বা নারীদের হজে না পাঠানোর সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা রয়েছে সৌদি সরকারের। তবে চিকিৎসকদের কিছু অনিয়ম বা অবহেলার কারণে এ ধরনের রোগীরা হজে যাওয়ায় এই জটিলতার সৃষ্টি হয়েছিল। তা সত্ত্বেও সৌদি প্রশাসন বাংলাদেশের অনুরোধ ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করে সম্পূর্ণ অর্থ ফেরত দেওয়ায় তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। এর মাধ্যমে দুই দেশের বন্ধুত্বের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে হজ ব্যবস্থাপনার স্বচ্ছতা বাড়াতে মন্ত্রণালয়ের অন্যান্য কল্যাণমুখী উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন ধর্মমন্ত্রী। তিনি জানান, ব্যবস্থাপনায় জবাবদিহি নিশ্চিত করতে ২০২৬ সালের হজের উদ্বৃত্ত থেকে চার হাজারেরও বেশি হজযাত্রীকে প্রায় চার কোটি ৮৭ লাখ টাকা ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে ফেরত দেওয়া হয়েছে। এছাড়া আগামী ২০২৭ সালের হজের বিমান ভাড়া উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমিয়ে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। অতীতের তুলনায় এই ভাড়া কমার ফলে সাধারণ মানুষের ওপর আর্থিক চাপ অনেকটাই কমবে বলে আশা করা হচ্ছে। সুষ্ঠুভাবে আগামী হজ সম্পন্ন করার মাধ্যমে এই অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে সংশ্লিষ্ট সকলের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেছেন তিনি।