খুঁজুন
advertisement
advertisement
সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

দারিদ্র্য জয় করে এইচএসসিতে চমক: রাজারহাটে কলেজ পর্যায়ে একমাত্র জিপিএ-৫ পেল যমজ দুই বোন

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০২৬, ৩:৫০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
দারিদ্র্য জয় করে এইচএসসিতে চমক: রাজারহাটে কলেজ পর্যায়ে একমাত্র জিপিএ-৫ পেল যমজ দুই বোন

জিপিএ–৫ পাওয়া যমজ বোন রহিমা সরদার ও রাবেয়া সরদার

সংসারের তীব্র অভাব-অনটন আর বাবার আর্থিক অনিশ্চয়তা সত্ত্বেও দমিয়ে রাখা যায়নি কুড়িগ্রামের রাজারহাটের যমজ দুই বোন রহিমা সরদার ও রাবেয়া সরদারকে। প্রবল মনোবল ও কঠোর অধ্যবসায়ের মাধ্যমে ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় মানবিক বিভাগ থেকে উভয়ই জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন। এর আগে এসএসসি পরীক্ষাতেও তাঁরা দুজনেই জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন। ছিনাই ইউনিয়নের রামকার্জ্বী গ্রামের এই দুই বোন রাজারহাট সরকারি মীর ইসমাইল হোসেন কলেজের শিক্ষার্থী।

কলেজ প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর প্রতিষ্ঠানটি থেকে মোট ১৪২ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় কৃতকার্য হয়েছেন, যাঁদের মধ্যে কেবল রহিমা ও রাবেয়াই জিপিএ-৫ পাওয়ার গৌরব অর্জন করেছেন। শুধু নিজ কলেজই নয়, রাজারহাট উপজেলার সাতটি কলেজ, তিনটি স্কুল অ্যান্ড কলেজ ও চারটি কারিগরি প্রতিষ্ঠান মিলিয়ে মোট ১৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কলেজ পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে একমাত্র এ দুই বোনই এই সাফল্য দেখিয়েছেন। রাজারহাটের সহকারী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সাজ্জাদ হোসেন প্রথম আলোকে জানান, পুরো উপজেলায় মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে দুজন এবং কলেজ শাখায় দুজনসহ সর্বমোট চারজন জিপিএ-৫ পেয়েছেন; যার মধ্যে কলেজ পর্যায়ের দুজনই এই যমজ সহোদরা।

রহিমা ও রাবেয়ার বাবা মনির হোসেন সরদারের স্থায়ী কোনো কর্মসংস্থান নেই। তিনি সামান্য জমিতে চাষাবাদের পাশাপাশি মাঝেমধ্যে দিনমজুর ও মৌসুমি শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন। তাঁদের মা নাসিমা বেগম একজন গৃহিণী। এই দম্পতির তিন কন্যার মধ্যে বড় মেয়ের বিয়ে হয়ে গেছে এবং ছোট দুজন হলেন এই যমজ বোন। চরম দারিদ্র্যের মধ্যেও তাঁদের পড়াশোনা থেমে থাকেনি।

মেয়েদের সাফল্যে আনন্দ প্রকাশ করে মা নাসিমা বেগম বলেন, অনেক কষ্ট সহ্য করে মেয়েদের লেখাপড়া চালিয়েছেন। শিক্ষকেরা কোনো পারিশ্রমিক ছাড়াই তাঁদের পড়িয়েছেন এবং কলেজের অধ্যক্ষ ভর্তি ও ফরম পূরণসহ বিভিন্ন পরীক্ষায় নামমাত্র খরচ নিয়েছেন। সেই সঙ্গে সরকারি উপবৃত্তি পাওয়ায় এবং সবার অকুণ্ঠ সহযোগিতায় মেয়েদের পক্ষে এমন সাফল্য অর্জন সম্ভব হয়েছে।

রাজারহাট সরকারি মীর ইসমাইল হোসেন কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মুহা. জহুরুল ইসলাম বলেন, উপজেলার ১৪টি প্রতিষ্ঠানের মানবিক বিভাগ থেকে কেবল এই দুই বোনই জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। তাঁদের এই সাফল্যে কলেজ কর্তৃপক্ষ অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত এবং তাঁদের আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভকামনা জানানো হয়েছে।

নিজেদের পরিশ্রমের বর্ণনা দিয়ে রহিমা সরদার জানান, বাবার দুঃখ-কষ্ট লাঘব করা এবং নিজেদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের তাগিদ থেকেই দিনরাত পড়াশোনা করেছেন। কলেজে আসা-যাওয়া ও খাওয়ার সময়টুকু ছাড়া বাকি পুরো সময়টাই পড়াশোনায় নিয়োজিত ছিল, এমনকি ঘুমানোর সময়ও ছিল অতি সীমিত। ভবিষ্যতে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের প্রত্যয় ব্যক্ত করে রাবেয়া সরদার বলেন, কোনো ভালো বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে উচ্চশিক্ষা লাভ করাই এখন তাঁদের প্রধান লক্ষ্য এবং সে অনুযায়ীই তাঁরা প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

advertisement
advertisement

এইচএসসিতে এমন ভয়াবহ ফল বিপর্যয় কেন অশনিসংকেত

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৯:০৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
এইচএসসিতে এমন ভয়াবহ ফল বিপর্যয় কেন অশনিসংকেত

এইচএসসিতে এমন ভয়াবহ ফল বিপর্যয় কেন অশনিসংকেত

শিক্ষা ডেস্ক: সম্প্রতি প্রকাশিত উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট অর্থাৎ এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল দেশজুড়ে গভীর উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। ২২ বছরের মধ্যে এত বড় অবনতি এবং জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমে যাওয়া গোটা শিক্ষাব্যবস্থার ভঙ্গুর অবস্থাকেই স্পষ্ট করে তুলেছে। দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত এই পরীক্ষায় প্রায় সাড়ে ১০ লাখ পরীক্ষার্থীর মধ্যে অর্ধেকের বেশি শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছেন। একই সঙ্গে শূন্য পাসের হারের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বৃদ্ধি এবং শতভাগ পাসের হার কমার মতো নেতিবাচক চিত্রও সামনে এসেছে।

শিক্ষার্থীদের এমন বিপর্যয়ের পেছনে একাধিক কাঠামোগত ত্রুটি ও সামাজিক কারণ দায়ী বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিভিন্ন আন্দোলন এবং রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা থেকে দূরে সরে গেছে। পাশাপাশি অপ্রাপ্তবয়স্ক শিক্ষার্থীদের হাতে মুঠোফোনের অবাধ ব্যবহার এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অনিয়ন্ত্রিত আসক্তি তাদের মনোযোগ পুরোপুরি বিঘ্নিত করেছে। অনেক ক্ষেত্রে অভিভাবকদের উদাসীনতা এবং অতিরিক্ত প্রশ্রয় কিশোর সমাজকে ধ্বংসের পথে ঠেলে দিচ্ছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে শিক্ষা কার্যক্রমে।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও চিকিৎসালয় পরিচালনার বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে দেখা যায় যে, অনেক অভিভাবক সন্তানদের অনিয়মিত উপস্থিতি বা অমনোযোগিতার বিষয়ে চরম উদাসীনতা প্রদর্শন করেন। শিক্ষক-শিক্ষিকারা যোগাযোগ করলেও অনেক সময় অভিভাবকেরা সঠিক দায়িত্ব পালন করেন না, যা তরুণ প্রজন্মকে আরও বেপরোয়া করে তুলছে। এমনকি বিদ্যালয়স্তরের মেধাবী শিক্ষার্থীরাও পরবর্তী সময়ে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল ধরে রাখতে ব্যর্থ হচ্ছে, যা সামগ্রিক শিক্ষাসংকটকে আরও ঘনীভূত করছে।

এই ভয়াবহ ফল বিপর্যয়কে কেবল একটি সাময়িক ব্যর্থতা হিসেবে উড়িয়ে দেওয়ার কোনো অবকাশ নেই। এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বড় অশনিসংকেত এবং জাতিকে পিছিয়ে দেওয়ার উপক্রম তৈরি করেছে। সুশিক্ষিত ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন সমাজ গঠনে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগের পাশাপাশি পারিবারিক নজরদারি ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি করা এখন সময়ের সবচেয়ে বড় দাবি।

নোয়াখালীতে নতুন কূপে গ্যাসের সন্ধান, বিপুল মজুতের আশা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৮:৪৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নোয়াখালীতে নতুন কূপে গ্যাসের সন্ধান, বিপুল মজুতের আশা

নোয়াখালীতে নতুন কূপে গ্যাসের সন্ধান, বিপুল মজুতের আশা

অর্থনীতি ডেস্ক: নোয়াখালী জেলায় অবস্থিত নতুন একটি গ্যাসকূপে জ্বালানির সন্ধান পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা আশা করছেন, এই কূপ থেকে দেশের জ্বালানি খাতের চাহিদা পূরণে সহায়ক হতে পারে এমন একটি উল্লেখযোগ্য পরিমাণ গ্যাসের মজুত রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে গ্যাসের নতুন উৎস অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে এই খননকার্য চালানো হয়েছিল।

খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক সময়ে পরিচালিত এই অনুসন্ধান কার্যক্রমে গ্যাসের এই নতুন ভান্ডার উন্মোচিত হয়েছে। কূপটির প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্ন করার পরই এই আশাব্যঞ্জক তথ্য সামনে আসে। দেশের বর্তমান জ্বালানি সংকট উত্তরণে এবং দীর্ঘমেয়াদি শক্তির জোগান নিশ্চিত করতে এই আবিষ্কার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করা হচ্ছে।

পেট্রোবাংলা এবং সংশ্লিষ্ট জ্বালানি উন্নয়ন সংস্থাগুলোর তত্ত্বাবধানে এই কূপ খননের কাজ পরিচালিত হয়। কূপের প্রকৃত ধারণক্ষমতা এবং সেখান থেকে দৈনিক কী পরিমাণ গ্যাস উত্তোলন করা সম্ভব হবে, তা নির্ধারণ করতে বর্তমানে আরও কিছু প্রযুক্তিগত পরীক্ষা চলছে। খুব দ্রুতই এ বিষয়ে বিস্তারিত সুসংবাদ জাতির সামনে তুলে ধরা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

দেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা মেটাতে নিজস্ব উৎস থেকে গ্যাস আহরণের ওপর বরাবরই জোর দিয়ে আসছে নীতিনির্ধারকেরা। নোয়াখালীর এই নতুন গ্যাসকূপ থেকে সফলভাবে গ্যাস উত্তোলন শুরু হলে তা দেশের শিল্প ও বিদ্যুৎ খাতের উৎপাদনে গতি আনবে। একই সঙ্গে আমদানিনির্ভরতা কমিয়ে দেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে এই আবিষ্কার উল্লেখযোগ্য অবদান রাখবে।

এনসিপির স্পোর্টস উইংয়ের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে ফাহিম-নাজমুল

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ২:৫২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
এনসিপির স্পোর্টস উইংয়ের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে ফাহিম-নাজমুল

এনসিপির স্পোর্টস উইংয়ের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে ফাহিম-নাজমুল

খেলা ডেস্ক: দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে আরও গণতান্ত্রিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিযোগিতাসক্ষম করে তোলার লক্ষ্যে নতুন একটি সংগঠনের আত্মপ্রকাশ ঘটেছে। সম্প্রতি রাজধানীর খামারবাড়িতে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট বাংলাদেশে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে ন্যাশনাল স্পোর্টস অ্যালায়েন্স। জাতীয় নাগরিক পার্টির এই নতুন ক্রীড়া উইং গঠনের মূল উদ্দেশ্য হলো দেশের খেলাধুলাকে দলীয় প্রভাবমুক্ত রেখে একটি স্বাধীন ও কার্যকর পরিবেশ তৈরি করা। এই উদ্যোগের মাধ্যমে ক্রীড়া ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের স্থবিরতা ও নানা অনিয়মের অবসান ঘটিয়ে ইতিবাচক পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

নয়া গঠিত এই সংগঠনের শীর্ষ নেতৃত্বে আনা হয়েছে দেশের ক্রীড়াঙ্গনের পরিচিত মুখ ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিত্বদের। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সাবেক পরিচালক ও প্রখ্যাত ক্রিকেট বিশ্লেষক নাজমুল আবেদীন ফাহিমকে এই সংগঠনের আহ্বায়কের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের আরেক সাবেক পরিচালক এম. নাজমুল ইসলাম সংগঠনের সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াসহ মোট পাঁচজনকে এই নবগঠিত সংগঠনের উপদেষ্টা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক দেশের বিভিন্ন খাতের মতো ক্রীড়াঙ্গনেও দলীয়করণের তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি জানান যে ন্যাশনাল স্পোর্টস অ্যালায়েন্স কোনো দলীয় অঙ্গসংগঠন হিসেবে কাজ করবে না, বরং এটি সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে নিজেদের কার্যক্রম পরিচালনা করবে। রাজনৈতিক দল হিসেবে তারা কেবল এই প্ল্যাটফর্মের ভালো কাজের ক্ষেত্রে আদর্শিক ও নীতিগত সহযোগিতা প্রদান করবে। সংগঠনের কাজের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বা প্রেসক্রিপশন দেওয়া হবে না বলে তিনি দ্ব্যর্থহীন ভাষায় স্পষ্ট করে দিয়েছেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা দেশের বর্তমান ক্রীড়া ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন ত্রুটি ও দুর্বলতা নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেন। জনসংখ্যার অনুপাতে আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনে বাংলাদেশের অবস্থান এখনো কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে পৌঁছাতে পারেনি বলে মন্তব্য করেন নেতারা। ক্রীড়াপ্রেমী দর্শকদের দীর্ঘদিনের হতাশা কাটিয়ে দেশের খেলাধুলাকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়। এই আংশিক কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি আগামী ছয় মাস দেশের ক্রীড়া উন্নয়নের রূপরেখা তৈরি করতে কাজ করবে এবং মাঠপর্যায়ের নানা সমস্যা দূর করতে জোরালো ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।