খুঁজুন
advertisement
advertisement
সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে নানা ষড়যন্ত্র চলছে : রিজভী

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৫:১৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে নানা ষড়যন্ত্র চলছে : রিজভী

সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে নানা ষড়যন্ত্র চলছে : রিজভী

রাজনীতি ডেস্ক: বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে দেশ ও দেশের বাইরে নানা ধরনের ষড়যন্ত্র অব্যাহত রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতারা। সম্প্রতি সিলেট নগরীর একটি অভিজাত হোটেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে দলের অন্যতম শীর্ষ এই নেতা জানান যে, শ্রমিক অসন্তোষকে পুঁজি করে দেশে একটি অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির গভীর পাঁয়তারা চলছে। বিগত দীর্ঘ সময় ধরে গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়া রাজনৈতিক শক্তিগুলো এসব পরিস্থিতি অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছে। দেশের সামগ্রিক গণতান্ত্রিক ধারাকে বাধাগ্রস্ত করতে এবং মানুষের ভোটাধিকার হরণের উদ্দেশ্যে এই ধরনের অপতৎপরতা চালানো হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ওই বিএনপি নেতা আরও অভিযোগ করেন যে, রাজনৈতিকভাবে পরাজিত শক্তিগুলো সাধারণ শ্রমিকদের ভুল বুঝিয়ে রাজপথে নামানোর অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে ঘটা শ্রমিক অসন্তোষের পেছনে নির্দিষ্ট কিছু রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের প্রত্যক্ষ সংশ্লিষ্টতার জোরালো প্রমাণ পাওয়া গেছে বলেও তিনি দাবি করেন। সম্প্রতি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সংঘাতপূর্ণ বিভিন্ন এলাকা থেকে সরকারবিরোধী ছাত্র ও যুব সংগঠনের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মীকে আটক করেছে। এছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে এই ধরনের বিশৃঙ্খল কর্মকাণ্ডের দায় স্বীকার করে অনেকের আপত্তিকর পোস্ট দেওয়ার ঘটনাও জনসমক্ষে এসেছে।

সামাজিক স্থিতিশীলতা বিনষ্ট করার যেকোনো ধরনের অপচেষ্টা কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে বলে তিনি প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। দেশের সাধারণ মানুষ বরাবরই শান্তিপ্রিয় এবং তারা অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের প্রকৃত প্রতিনিধি নির্বাচন করতে ইচ্ছুক। পেছনের দরজা দিয়ে বা চোরাপথে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখলের যেকোনো ষড়যন্ত্র এদেশের সচেতন জনগণ অতীতেও প্রত্যাখ্যান করেছে এবং ভবিষ্যতেও করবে। গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় রাখতে এবং যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা এড়াতে সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি দায়িত্বশীল আচরণের আহ্বান জানান তিনি।

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে প্রার্থীরা নির্বাচিত হবেন। জেলা ও উপজেলা স্তরের নেতৃবৃন্দ স্থানীয় পর্যায়ে জনসমর্থন এবং জনপ্রিয়তার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে উপযুক্ত প্রার্থীদের মনোনয়ন দেবেন। নির্বাচনের তফসিল আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষিত হওয়ার পর দলীয় মনোনয়ন কার্যক্রম আরও বেগবান করা হবে। উক্ত মতবিনিময় সভায় বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির একাধিক শীর্ষ স্থানীয় নেতাসহ স্থানীয় পর্যায়ের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

advertisement
advertisement

বিপ্লব আপনারা কবে করেছেন, কোন বিপ্লবে ছিলেন: জামায়াতকে রিজভী

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৬:৩২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বিপ্লব আপনারা কবে করেছেন, কোন বিপ্লবে ছিলেন: জামায়াতকে রিজভী

বিপ্লব আপনারা কবে করেছেন, কোন বিপ্লবে ছিলেন: জামায়াতকে রিজভী

রাজনীতি ডেস্ক: বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী সম্প্রতি জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকা ও অবস্থান নিয়ে তীব্র প্রশ্ন তুলেছেন। সিলেটে সাংবাদিকদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে তাদের অতীত কার্যক্রম নিয়ে এই মন্তব্য করেন। তিনি জানতে চান যে দলটি অতীতে ঠিক কোন সময়ে এবং কোন ধরনের বিপ্লবের সঙ্গে যুক্ত ছিল।

নগরের একটি স্থানীয় রেস্তোরাঁয় আয়োজিত ওই মতবিনিময় সভায় বিএনপির এই শীর্ষ নেতা দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। এ সময় উপস্থিত সংবাদকর্মীরা বিভিন্ন বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি খোলামেলাভাবে নানা রাজনৈতিক দলের ভূমিকা বিশ্লেষণ করেন। বিশেষ করে বিগত বছরগুলোতে ফ্যাসিবাদী সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে কার কী অবদান ছিল, সে বিষয়টিও তার বক্তব্যে উঠে আসে।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের দীর্ঘ লড়াইয়ে বিএনপির নেতাকর্মীরা বছরের পর বছর ধরে নানা দমনপীড়ন ও মামলার শিকার হয়েছেন। অথচ যারা এখন নিজেদের বড় বিপ্লবী হিসেবে জাহির করার চেষ্টা করছেন, তারা অতীতে রাজপথের মূল আন্দোলনে কতটা সক্রিয় ছিলেন তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন রয়েছে। দেশের মানুষের ভোটাধিকার ও মৌলিক অধিকার আদায়ের সংগ্রামে বিএনপি সবসময় আপসহীনভাবে রাজপথে লড়াই চালিয়ে গেছে বলে তিনি দাবি করেন।

মতবিনিময় সভায় স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের শীর্ষস্থানীয় নেতারাও উপস্থিত ছিলেন। তারা দলের সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধি এবং দেশের বর্তমান রাজনৈতিক রূপরেখা নিয়ে বিভিন্ন মতামত তুলে ধরেন। পরিশেষে, বিএনপির এই নেতা দলের সব স্তরের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান এবং জনগণের অধিকার আদায়ে আন্দোলন আরও বেগবান করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

সিনেটের প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ৭ অঙ্গরাজ্যের সব কটিতে এগিয়ে ডেমোক্র্যাটরা: নিউইয়র্ক টাইমসের জরিপ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৬:১৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সিনেটের প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ৭ অঙ্গরাজ্যের সব কটিতে এগিয়ে ডেমোক্র্যাটরা: নিউইয়র্ক টাইমসের জরিপ

সিনেটের প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ৭ অঙ্গরাজ্যের সব কটিতে এগিয়ে ডেমোক্র্যাটরা: নিউইয়র্ক টাইমসের জরিপ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন সিনেট নির্বাচনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পূর্বাভাস পাওয়া গেছে। দেশের অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ সাতটি অঙ্গরাজ্যের প্রতিটিতে ডেমোক্র্যাট প্রার্থীরা রিপাবলিকানদের তুলনায় সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউ ইয়র্ক টাইমসের সাম্প্রতিক এক জরিপে এই তথ্য উঠে এসেছে, যা রাজনৈতিক মহলে বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

জরিপের ফলাফলে দেখা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে রিপাবলিকান পার্টির দুর্গ বলে পরিচিত টেক্সাস এবং কানসাস অঙ্গরাজ্যেও এবার ডেমোক্র্যাট প্রার্থীরা বড় ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন। রাজনৈতিক ইতিহাস বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ঐতিহাসিক দিক থেকে এসব অঞ্চলের আসনগুলোতে ডেমোক্র্যাটদের জয় পাওয়া বেশ বিরল ঘটনা। দীর্ঘ রাজনৈতিক খরা কাটিয়ে এই রাজ্যগুলোতে এবার নাটকীয় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে।

তথ্য অনুযায়ী, এর আগে ১৯৮৮ সালের পর থেকে টেক্সাস অঙ্গরাজ্যে কোনো ডেমোক্র্যাট প্রার্থী সিনেটর হিসেবে নির্বাচিত হতে পারেননি। একই ভাবে কানসাস অঙ্গরাজ্যের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি আরও অনেক দীর্ঘস্থায়ী, যেখানে ১৯৩২ সালের পর থেকে কোনো ডেমোক্র্যাট দলের নেতা সিনেট আসনে জয়লাভ করতে সক্ষম হননি। ফলে এবারের জরিপ ফলাফলকে দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গনে একটি বড় ধরনের চমক হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ভোটারদের মনোভাবের এই পরিবর্তন মার্কিন রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে। যদি জরিপের এই ধারা নির্বাচনের দিন পর্যন্ত বজায় থাকে, তবে তা দীর্ঘমেয়াদে মার্কিন কংগ্রেসের ক্ষমতার ভারসাম্যে বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে। ডেমোক্র্যাট শিবিরের জন্য এটি অত্যন্ত উৎসাহব্যঞ্জক হলেও চূড়ান্ত ফল পেতে নির্বাচনের শেষ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

আগামী গ্রীষ্মে সৌরবিদ্যুৎ থেকে ৪ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদনের লক্ষ্য সরকারের

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৬:০২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
আগামী গ্রীষ্মে সৌরবিদ্যুৎ থেকে ৪ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদনের লক্ষ্য সরকারের

আগামী গ্রীষ্মে সৌরবিদ্যুৎ থেকে ৪ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদনের লক্ষ্য সরকারের

অর্থনীতি ডেস্ক: আসন্ন গ্রীষ্ম মৌসুমে বিদ্যুৎ সংকট সহনীয় পর্যায়ে রাখতে সৌরবিদ্যুৎ থেকে তিন থেকে চার হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এই লক্ষ্য অর্জনে ভবনগুলোর ছাদে সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল স্থাপন তথা রুফটপ সোলার ব্যবস্থাকে অন্যতম সহজ ও কার্যকর সমাধান হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। সম্প্রতি রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের উদ্যোগে দেশের বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনবিষয়ক এক মতবিনিময় সভায় এই পরিকল্পনার কথা জানানো হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

মতবিনিময় সভায় প্রতিমন্ত্রী জানান, বিগত গ্রীষ্মে সাধারণ মানুষকে বিদ্যুৎ নিয়ে যে তীব্র ভোগান্তির মুখোমুখি হতে হয়েছিল, আগামী দিনে তার পুনরাবৃত্তি রোধ করতে সরকার এখন থেকেই আগাম প্রস্তুতি শুরু করেছে। সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার দ্রুত সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে মাত্র দুই মাসের মধ্যে একটি নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতে এটি প্রয়োজনে সংশোধনের সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের সিদ্ধান্ত কোনোভাবেই জোর করে চাপিয়ে দেওয়া হবে না বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন তিনি। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব প্রয়োজন, আর্থিক সক্ষমতা ও বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে হবে এবং এই কার্যক্রমে সরকার ও ইউজিসি সব ধরনের সহায়তা প্রদান করবে।

সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের মাধ্যমে কেবল বিদ্যুৎ সাশ্রয়ই নয়, বরং কার্বন নিঃসরণ কমিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কার্বন ক্রেডিট অর্জনের সম্ভাবনার দিকটিও তুলে ধরেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, কার্বন নিঃসরণ হ্রাসের বিপরীতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে এই বিশেষ ক্রেডিট অর্জনে সার্বিক সহযোগিতা দেবে বিদ্যুৎ বিভাগ এবং এই ক্রেডিট পরবর্তীতে বিক্রির সুযোগও রয়েছে। এই উদ্যোগের প্রচার ও প্রসারের অংশ হিসেবে আগামী নভেম্বর মাসে ঢাকায় বাংলাদেশ সোলার এক্সপো আয়োজন করা হতে যাচ্ছে। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের রূপরেখা ও কার্যকারিতা নিয়ে উপাচার্যদের অংশগ্রহণে খুব শীঘ্রই একটি বিশেষ বিশেষজ্ঞ সভারও আয়োজন করা হবে বলে তিনি জানান।

সভায় সভাপতির বক্তব্যে ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ বলেন, উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন নিয়ে বিদ্যমান নানা বিভ্রান্তি দূর করতেই এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর পরিচালন ব্যয়ের একটি বড় অংশই বিদ্যুৎ ও গ্যাস বিল পরিশোধে ব্যয় হয়, তাই ব্যয় কমাতে ওপেক্স মডেলে সৌরবিদ্যুৎ চালুর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। ইতিমধ্যে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে এই মডেলে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও একই ধরনের ত্রিপক্ষীয় উদ্যোগ গ্রহণের সুযোগ রয়েছে। অনুষ্ঠানে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ডিন অধ্যাপক ড. এম শামসুল আলম ও বিদ্যুৎ বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব তাহমিলুর রহমান সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন বিষয়ে পৃথক দুটি প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এবং বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যরা আলোচনায় অংশ নেন।