খুঁজুন
advertisement
advertisement
সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

গাজায় ২০০ সেনা মোতায়েন করবে যুক্তরাষ্ট্র

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৭:২১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গাজায় ২০০ সেনা মোতায়েন করবে যুক্তরাষ্ট্র

গাজায় ২০০ সেনা মোতায়েন করবে যুক্তরাষ্ট্র

গাজায় যৌথ টাস্কফোর্সের অংশ হিসেবে ২০০ সেনা মোতায়েন করবে যুক্তরাষ্ট্র। তবে আলাদা করে কোনো মার্কিন সেনা গাজার ভেতরে মোতায়েন করা হবে না।

গাজায় স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে এই সেনা মোতায়েন করা হবে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের জ্যেষ্ঠ দুই কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। মার্কিন দুই জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে সাংবাদিকদের জানান, এই ২০০ সেনা টাস্কফোর্সের মূল অংশ হবে। সেখানে মিসরের সশস্ত্র বাহিনী, কাতার, তুরস্ক ও সম্ভবত সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিনিধিরাও থাকবেন।গাজায় যৌথ টাস্কফোর্সের অংশ হিসেবে ২০০ সেনা মোতায়েন করবে যুক্তরাষ্ট্র। তবে আলাদা করে কোনো মার্কিন সেনা গাজার ভেতরে মোতায়েন করা হবে না।

গাজায় স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে এই সেনা মোতায়েন করা হবে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের জ্যেষ্ঠ দুই কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। মার্কিন দুই জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে সাংবাদিকদের জানান, এই ২০০ সেনা টাস্কফোর্সের মূল অংশ হবে। সেখানে মিসরের সশস্ত্র বাহিনী, কাতার, তুরস্ক ও সম্ভবত সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিনিধিরাও থাকবেন।গাজায় যৌথ টাস্কফোর্সের অংশ হিসেবে ২০০ সেনা মোতায়েন করবে যুক্তরাষ্ট্র। তবে আলাদা করে কোনো মার্কিন সেনা গাজার ভেতরে মোতায়েন করা হবে না।

গাজায় স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে এই সেনা মোতায়েন করা হবে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের জ্যেষ্ঠ দুই কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। মার্কিন দুই জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে সাংবাদিকদের জানান, এই ২০০ সেনা টাস্কফোর্সের মূল অংশ হবে। সেখানে মিসরের সশস্ত্র বাহিনী, কাতার, তুরস্ক ও সম্ভবত সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিনিধিরাও থাকবেন।গাজায় যৌথ টাস্কফোর্সের অংশ হিসেবে ২০০ সেনা মোতায়েন করবে যুক্তরাষ্ট্র। তবে আলাদা করে কোনো মার্কিন সেনা গাজার ভেতরে মোতায়েন করা হবে না।

গাজায় স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে এই সেনা মোতায়েন করা হবে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের জ্যেষ্ঠ দুই কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। মার্কিন দুই জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে সাংবাদিকদের জানান, এই ২০০ সেনা টাস্কফোর্সের মূল অংশ হবে। সেখানে মিসরের সশস্ত্র বাহিনী, কাতার, তুরস্ক ও সম্ভবত সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিনিধিরাও থাকবেন।
advertisement
advertisement

অজু ছাড়া মোবাইল ফোনে কোরআন পড়া যাবে কি

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৫:১৭ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
অজু ছাড়া মোবাইল ফোনে কোরআন পড়া যাবে কি

অজু ছাড়া মোবাইল ফোনে কোরআন পড়া যাবে কি

ধর্ম ডেস্ক: ডিজিটাল প্রযুক্তির ছোঁয়ায় বর্তমান সময়ে ধর্মীয় গ্রন্থ পাঠের মাধ্যম হিসেবে স্মার্টফোনের ব্যবহার উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। অনেকে প্রতিদিনের ইবাদত হিসেবে মুঠোফোনের অ্যাপস ব্যবহার করে কোরআন তিলাওয়াত করে থাকেন। তবে পবিত্র এই গ্রন্থ পাঠের ক্ষেত্রে পবিত্রতা বা অজু থাকা জরুরি কি না, তা নিয়ে প্রায়ই সাধারণ মানুষের মনে বিভিন্ন ধরনের প্রশ্ন জাগে। বিশেষ করে আধুনিক প্রযুক্তির যন্ত্র হওয়ায় এর শরয়ী বিধান সম্পর্কে সঠিক ধারণা অনেকেরই অজানা থাকে।

ইসলামি বিশেষজ্ঞদের মতে, মুঠোফোনে কোরআন তিলাওয়াত করার ক্ষেত্রে সাধারণ কাগজের কোরআনের বিধান থেকে কিছু ভিন্নতা রয়েছে। প্রযুক্তির উৎকর্ষের ফলে স্ক্রিনের গ্লাসটি একটি আলাদা আবরণ হিসেবে কাজ করে, যার ফলে ব্যবহারকারী সরাসরি মূল হরফ স্পর্শ করেন না। মূলত এই যন্ত্রের স্ক্রিনে আয়াতের লেখাগুলো প্রতিফলিত হয় এবং কাচের পর্দার মাধ্যমে তা দৃশ্যমান হয়। সরাসরি হরফ স্পর্শ না করার কারণে এই বিশেষ মাধ্যমের ক্ষেত্রে বিধান কিছুটা সহজ করা হয়েছে।

অবশ্য অজু ছাড়া মুঠোফোনে কোরআন পড়া জায়েজ হলেও, তিলাওয়াতের সর্বোচ্চ আদব ও পবিত্রতা রক্ষা করা সর্বদা উত্তম বলে বিবেচিত হয়। পবিত্র কোরআন আল্লাহর বাণী হওয়ায় এর প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা প্রতিটি মুসলমানের ঈমানি দায়িত্ব। তাই সম্ভব হলে পূর্ণ পবিত্রতা অর্জন করে এবং অজুসহকারে তিলাওয়াত করা অধিক সওয়াবের কাজ বলে গণ্য করা হয়। তবে কোনো কারণে অজু না থাকলে শুধু চোখের দৃষ্টি বা ইশারার মাধ্যমেও স্ক্রিন থেকে তিলাওয়াত করা সম্ভব।

পরিশেষে, বর্তমান যুগের এই আধুনিক সুযোগটি ধর্মীয় জ্ঞান চর্চাকে আরও সহজ করে তুলেছে। প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে যেকোনো সময় ও পরিস্থিতিতে মানুষ সহজেই পবিত্র কালাম পড়তে পারছে। তবে শরিয়তের মূল চেতনা বজায় রেখে এবং যথাযথ আদব রক্ষা করে এই ডিজিটাল মাধ্যমের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা উচিত বলে মনে করেন ধর্মীয় গবেষকরা।

গ্যাস ও তেলের খনির সম্ভাবনা, মজুত মিললে খনন হবে রিলিফ কূপ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৫:০৪ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
গ্যাস ও তেলের খনির সম্ভাবনা, মজুত মিললে খনন হবে রিলিফ কূপ

গ্যাস ও তেলের খনির সম্ভাবনা, মজুত মিললে খনন হবে রিলিফ কূপ

জাতীয় ডেস্ক: কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানী এলাকায় মাটির নিচ থেকে নির্গত গ্যাসের আগুনে নতুন খনিজসম্পদ পাওয়ার সম্ভাবনা জোরালো হয়ে উঠেছে। সম্প্রতি একটি বাড়িতে নলকূপ স্থাপনের সময় গভীর পাইপ বসানোর পর সেখান থেকে প্রাকৃতিকভাবে গ্যাস বের হতে শুরু করে এবং একপর্যায়ে আগুন ধরে যায়। টানা কয়েক দিন ধরে এই আগুন জ্বলতে থাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি ভূতত্ত্ববিদদের মধ্যেও কৌতূহল তৈরি হয়েছে। প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন যে, এই গ্যাসের সঙ্গে মূল্যবান তেল বা কনডেনসেট থাকার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে।

পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে খতিয়ে দেখতে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড তথা বাপেক্স এবং পেট্রোবাংলার উচ্চপর্যায়ের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, এটি একটি অগভীর গ্যাসের মজুত হতে পারে, যা সাধারণত ভূগর্ভের তুলনামূলক কম গভীরে পাওয়া যায়। গ্যাসের উৎস, ধরন এবং প্রকৃত মজুতের পরিমাণ সম্পর্কে পুরোপুরি নিশ্চিত হতে আগামী পনেরো দিন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে আগুনের তীব্রতা ও গ্যাসের নির্গমনের গতিপ্রকৃতি পর্যবেক্ষণ করে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করা হবে।

বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, পর্যবেক্ষণের এই সময় শেষে যদি আগুনের তীব্রতা না কমে, তবে তা নিয়ন্ত্রণের জন্য বিকল্প বা রিলিফ কূপ খনন করার পরিকল্পনা রয়েছে। এক্ষেত্রে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে গ্যাসের নির্গমন বন্ধ করার চেষ্টা চালানো হবে। পাশাপাশি, এই উৎস থেকে উৎপাদনে যাওয়ার মতো পর্যাপ্ত ও অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক জ্বালানি পাওয়া গেলে এটি দেশের এক নতুন খনিজ কূপ হিসেবে যুক্ত হতে পারে। পরবর্তীতে ওই এলাকায় ত্রিমাত্রিক ভূকম্পন জরিপ চালিয়ে আশপাশের ভূগর্ভস্থ স্তরের প্রকৃত অবস্থা যাচাই করা হবে।

এদিকে গ্যাসের অব্যাহত আগুন ও সম্ভাব্য ঝুঁকি বিবেচনা করে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। ঘটনাস্থলের আশপাশের নির্দিষ্ট দূরত্বের মধ্যে সাধারণ মানুষের প্রবেশ নিষিদ্ধ করে স্থানীয় প্রশাসন ১৪৪ ধারা জারি করেছে। এলাকায় মাইকিং ও নিরাপত্তা বেষ্টনী তৈরি করা হলেও উৎসুক জনতার ভিড় পুরোপুরি থামানো যাচ্ছে না। অন্যদিকে দীর্ঘদিন ধরে আগুন জ্বলতে থাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে কিছুটা আতঙ্ক বিরাজ করছে এবং যাতায়াতেও নানা ধরনের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

লিভারপুলকে হারিয়ে শীর্ষে আর্সেনাল

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৪:৪৬ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
লিভারপুলকে হারিয়ে শীর্ষে আর্সেনাল

লিভারপুলকে হারিয়ে শীর্ষে আর্সেনাল

খেলা ডেস্ক: দীর্ঘদিনের আক্ষেপ ঘুচিয়ে অ্যানফিল্ডে দুর্দান্ত এক জয় তুলে নিয়েছে আর্সেনাল। লিভারপুলের ঘরের মাঠে তাদের বিপক্ষে এক গোলের ব্যবধানে জয় পেয়ে প্রিমিয়ার লিগের পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে জায়গা করে নিয়েছে লন্ডনের ক্লাবটি। গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে এই ভেন্যুতে জয়হীন থাকার ধারা ভেঙে কোচ মিকেল আর্তেতার দল এক অবিস্মরণীয় সাফল্য অর্জন করেছে। ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দলের আক্রমণ ও প্রতিআক্রমণে লড়াই জমে ওঠে, যা শেষ পর্যন্ত দর্শকদের রোমাঞ্চ উপহার দেয়।

ম্যাচের ষোলো মিনিটে প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগের ভুলের সুযোগ নিয়ে লিড নেয় গানাররা। লিভারপুলের গোলরক্ষক অ্যালিসন বেকারের একটি দুর্বল পাস কাজে লাগিয়ে আক্রমণ তৈরি করে আর্সেনাল। ডান দিক থেকে ডিক্লান রাইসের নিখুঁত নিচু ক্রসে দারুণ ফিনিশিং করে দলকে এগিয়ে নেন জার্মান ফরোয়ার্ড কাই হাভার্টজ। এই একটি মাত্র গোলই শেষ পর্যন্ত ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয় এবং অতিথিদের জয়ের পথ প্রশস্ত করে।

গোল হজম করার পর ম্যাচে ফেরার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে অলরেডরা। প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে সমতা আনার চমৎকার সুযোগ পেলেও ফ্লোরিয়ান উইর্টজের ফ্রি-কিক ক্রসবারে লেগে প্রতিহত হয়। এছাড়া আলেক্সিস মাক অ্যালিস্টার ফাঁকায় থেকেও হেড করে বল জালে জড়াতে ব্যর্থ হন। বিরতির পর বলের দখল নিজেদের রাখলেও আর্সেনালের জমাট রক্ষণ ভাঙতে পারেনি স্বাগতিকরা।

ম্যাচের শেষভাগে সমতা ফেরাতে সর্বশক্তি প্রয়োগ করে লিভারপুল। তবে আর্সেনালের গোলরক্ষক ডেভিড রায়া চীনের প্রাচীর হয়ে দাঁড়িয়ে একাধিক নিশ্চিত গোল রক্ষা করেন। রক্ষণভাগের দৃঢ়তা বজায় রেখে শেষ পর্যন্ত এক গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। এই ঐতিহাসিক জয়ের ফলে শিরোপা লড়াইয়ে নিজেদের অবস্থান আরও সুসংহত করল আর্সেনাল।