খুঁজুন
advertisement
advertisement
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৩০ আশ্বিন, ১৪৩৩
advertisement

নেত্রকোনার মৌগাতিতে গ্রামীণ ব্যাংকের শাখায় মধ্যরাতে আগুন দিল দুর্বৃত্তরা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ৩:২৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
নেত্রকোনার মৌগাতিতে গ্রামীণ ব্যাংকের শাখায় মধ্যরাতে আগুন দিল দুর্বৃত্তরা

নেত্রকোনার সদর উপজেলার মৌগাতি ইউনিয়নে গ্রামীণ ব্যাংকের চুঁচুয়া শাখায় আগুনে পুড়েছে একটি কক্ষ। আজ বুধবার সকালে তোলা

নেত্রকোনা সদর উপজেলার মৌগাতি ইউনিয়নে অবস্থিত গ্রামীণ ব্যাংকের চুঁচুয়া শাখায় গভীর রাতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। দুর্বৃত্তদের দেওয়া এই আগুনে ব্যাংক ভবনের বারান্দার একটি কক্ষে রাখা দুটি মোটরসাইকেল ও বেশ কিছু কাগজপত্র পুড়ে নষ্ট হয়ে গেছে। গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাত সোয়া তিনটার দিকে এই ঘটনা ঘটে।

অগ্নিকাণ্ডের সত্যতা নিশ্চিত করে গ্রামীণ ব্যাংকের চুঁচুয়া শাখার ব্যবস্থাপক মঞ্জু আহমেদ প্রথম আলোকে জানান, দুর্বৃত্তরা পেট্রল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, ব্যাংকের নিয়মিত নিরাপত্তাকর্মী আবদুর রহমান সে সময় ছুটিতে ছিলেন। তাঁর পরিবর্তে দায়িত্বরত ব্যক্তি আগুন জ্বলতে দেখে দ্রুত আশপাশের লোকজনকে বিষয়টি জানান। পরবর্তী সময়ে স্থানীয় বাসিন্দা ও ফায়ার সার্ভিসের তৎপরতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। এ বিষয়ে থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

নেত্রকোনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল খায়ের আজ বুধবার বেলা ১১টার দিকে মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, সংবাদ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। সেখানে কয়েকটি খালি বোতল পড়ে থাকতে দেখা গেছে। দুর্বৃত্তরা পেট্রল ঢেলে আগুন দিয়েছে বলেই প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হচ্ছে। ঘটনাটি তদন্ত করে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

advertisement
advertisement

দুর্গাপুরে নিম্নমানের ও রাবিসমিশ্রিত খোয়া ব্যবহার করে রাস্তা নির্মানের অভিযোগ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
দুর্গাপুরে নিম্নমানের ও রাবিসমিশ্রিত খোয়া ব্যবহার করে রাস্তা নির্মানের অভিযোগ

খোজনিয়ে জানা যায়, উপজেলার কাঁকৈরগড়া ইউনিয়নের বড়বাট্রা গ্রামের দুলাল মিয়ার দোকান থেকে নয়ন মিয়ার পুকুরপাড় পর্যন্ত এক কিলোমিটার রাস্তা নির্মাণে প্রাক্কলিত ব্যয় ১ কোটি ৬৭ লাখ ১২ হাজার ৩০৫ টাকা। গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতাধীন। এলজিইডি বাস্তবায়নে সড়কটির নির্মাণকাজ পেয়েছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সমীরণ চৌধুরী।

দুর্গাপুর(নেত্রকোনা)প্রতিনিধি:-নেত্রকোনার দুর্গাপুরে পোনে দুই কোটি টাকা ব্যয়ে একটি রাস্তার নির্মাণকাজে রাবিসমিশ্রিত ও নিম্নমানের ইটের খোয়া ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। কাজ শুরুর পর থেকেই নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করা হচ্ছে। কোদাল দিয়ে সড়কের খোয়া খুঁড়লে বেরিয়ে আসছে খোয়ার চেয়ে রাবিসের পরিমাণই বেশি।

খোজনিয়ে জানা যায়, উপজেলার কাঁকৈরগড়া ইউনিয়নের বড়বাট্রা গ্রামের দুলাল মিয়ার দোকান থেকে নয়ন মিয়ার পুকুরপাড় পর্যন্ত এক কিলোমিটার রাস্তা নির্মাণে প্রাক্কলিত ব্যয় ১ কোটি ৬৭ লাখ ১২ হাজার ৩০৫ টাকা। গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতাধীন। এলজিইডি বাস্তবায়নে সড়কটির নির্মাণকাজ পেয়েছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সমীরণ চৌধুরী। ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে প্রকল্পটির চুক্তি সম্পন্ন হয়। একই বছরের ডিসেম্বর মাসে কাজ শুরুর লিখিত আদেশ দেওয়া হয়। কাজ শেষ করার সময়সীমা নির্ধারণ করা হয় ২০২৬ সালের নভেম্বর পর্যন্ত।

সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কটির নির্মাণকাজ এখনো মেকাডম পর্যায়ে রয়েছে। এক কিলোমিটার সড়কের প্রায় ৪৫০ মিটার অংশে মেকাডম করা হয়েছে। এর মধ্যে বেশিরভাগ অংশে রাবিস বা ময়লা মিশ্রিত খোয়া দেওয়া হয়েছে,এজিং এ ব্যবহার করা হয়েছে নিম্মমানের ইট।

স্থানীয় বাসিন্দা আলী হোসেন মিয়া বলেন, রাস্তায় যে রাবিসমিশ্রিত খোয়া দিতেছে সেটি অত্তন্ত নি¤œমানের। এই রাস্তাটা এইভাবে কইরা গেলে ৩/৪ মাসেই শেষ অইয়া যাইবো।

সোলাইমান কবির বলেন, খোযার মধ্যে খুব নিম্নমানের খোয়া পাইতেছি আমরা। আঙ্গুল দিয়ে ভাইঙ্গা ফেলাযায়। কাজগুলা যে নিম্নমানের হচ্ছে এগুলা দেখে আমরা প্রতিবাদ করি কিন্তু কোনো ফল পাই না,উল্টো ধমক শুনতে হয়।

সরেজমিনে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি আব্দুল হান্নানের সঙ্গে প্রতিবেদকের কথা হয়, বালুমিশ্রিত খোয়া ব্যবহারের বিষয়টি তিনি স্বীকার করেছেন। তবে এ বিষয়ে তিনি আনুষ্ঠানিক কোন বক্তব্য দিতে রাজি হননি।

পরে প্রকল্পের ঠিকাদার সমীরণ চৌধুরীর সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমার জানা মতে আমি কোনো খারাপ মাল দিয়ে কাজ করি নাই। এখন একজন তো বলতেই পারে। আপনি গিয়ে দেখেন আমরা কোনো খারাপ মাল দিছি কি না। অভিযোগ তো আসতেই পারে। কেউ অভিযোগ করলে আমি তো না করতে পারব না।

এ বিষয়ে দুর্গাপুর উপজেলা প্রকৌশলী মো. হুমায়ুন কবীর বলেন, বালুর সঙ্গে খোয়া মিশ্রিত কিছু খোয়া পড়ছে শুনেছি পরে আমি সরেজমিনে গিয়েছিলাম। ঠিকাদারের সঙ্গে কথা হয়েছে। বালুমিশ্রিত খোয়া সরানোর জন্য বলেছি। আগামীকাল(৫ অক্টোবর)সব খোয়া উঠিয়ে ফেলবে। তিনি আরও বলেন, আমাদের নির্বাহী প্রকৌশলী মহোদয় ল্যাব থেকে লোক পাঠিয়েছিলেন। তাঁরাও এসে দেখে গেছেন, খোয়ার স্যাম্পল নিয়ে গেছেন এই পরিস্থিতিতে রাস্তার কাজ সাময়িকভাবে স্খগিদ রাখা হয়েছে।

এস.এম রফিকুল ইসলাম-রফিক
০১৭১২-৪৬৩ ৪৪৯

বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে চলে বহিরাগতদের প্রাইভেট বাণিজ্য প্রধান শিক্ষক বলছেন আমার জানা নাই

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ৯:৫৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে চলে বহিরাগতদের প্রাইভেট বাণিজ্য  প্রধান শিক্ষক বলছেন আমার জানা নাই

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রতিদিনই বিদ্যালয়টির শ্রেণিকক্ষে সবমিলিয়ে অর্ধ শতাধিক শিক্ষার্থীদের প্রাইভেট পড়ানো হয়। সেখানে প্রাইভেট শিক্ষকরা হলেন স্থানীয় বাসিন্দা অজুত হোসেন, মিলন মিয়া ও নাজিম মিয়া। পার্শ্ববর্তী কাকৈরগড়া ইউনিয়ন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক শিক্ষার্থী জানায়, গত ৫ মাস ধরে এই বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে অজুত হোসেনের কাছে প্রাইভেট পড়ছে তারা। প্রতি মাসে ৫০০ টাকা করে প্রাইভেট বেতন দিচ্ছে।

দুর্গাপুর (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি:-নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার কাকৈরগড়া ইউনিয়নের কৃষ্ণেরচর উচ্চ বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষ ব্যবহার করে বহিরাগত প্রাইভেট শিক্ষকরা প্রাইভেট পড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, সকাল-বিকাল বিদ্যালয় শ্রেণিকক্ষে চলে প্রাইভেট টিউশন। শুধু ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নয় আশপাশের বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও এখানে এসে প্রাইভেট টিউশন নিচ্ছে। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টার দিকে বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, তিনটি শ্রেণিকক্ষে বহিরাগত ব্যক্তিরা শিক্ষার্থীদের প্রাইভেট পড়াচ্ছেন। সাংবাদিকের উপস্থিতি দেখে এক কক্ষের শিক্ষার্থীদের ছুটি দিয়ে দেন তবে প্রাইভেট পড়ানোর বিষয়টি স্বীকার করেন। অন্য একজন সেবা দিচ্ছেন বলতে থাকেন। তবে পরে স্বীকার করেন তিনিও।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রতিদিনই বিদ্যালয়টির শ্রেণিকক্ষে সবমিলিয়ে অর্ধ শতাধিক শিক্ষার্থীদের  প্রাইভেট পড়ানো হয়। সেখানে প্রাইভেট শিক্ষকরা হলেন স্থানীয় বাসিন্দা অজুত হোসেন, মিলন মিয়া ও নাজিম মিয়া। পার্শ্ববর্তী কাকৈরগড়া ইউনিয়ন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক শিক্ষার্থী জানায়, গত ৫ মাস ধরে এই বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে অজুত হোসেনের কাছে প্রাইভেট পড়ছে তারা। প্রতি মাসে ৫০০ টাকা করে প্রাইভেট বেতন দিচ্ছে। 
স্থানীয় বাসিন্দা রতন মিয়া জানান, সকাল ও বিকাল দুই সময়েই বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষ ব্যবহার করে চলে এই প্রাইভেট বাণিজ্য। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কি বাণিজ্যর জন্য ? সরকার তো প্রাইভেট পড়ানোর জন্য বিদ্যালয় করেনি। আমরা চাই ব্যবস্থা নেওয়া হোক। এ বিষয়ে জানতে চাইলে কৃষ্ণেরচর উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ইলিয়াস উদ্দিন দাবি করেন, শ্রেণিকক্ষে এভাবে প্রাইভেট পড়ানোর বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না। তিনি বলেন, কিভাবে তারা প্রাইভেট পড়াচ্ছেন আমি জানি না। তালার চাবি তাদের কাছে কিভাবে তাদের জিজ্ঞেস করুন। আমি কিছুই জানি না।
এ নিয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. বজলুল রহমান আনছারী প্রতিবেদকে বলেন, প্রতিষ্ঠানের কোন কক্ষ অন্য কোন কাজে ব্যবহৃত হয় এটি সবার আগে জানবেন প্রতিষ্ঠান প্রধান। যদি প্রতিষ্ঠান প্রধান বলে থাকেন যে আমি জানিনা এটি ওনার দায়িত্বে চরম একটা অবহেলা আমি বলব। তো আমি অবশ্যই খোঁজ নিব এটি কেন জানেন না এবং এটি জানা উচিত ছিল কিনা। তিনি আরও বলেন, একটা প্রতিষ্ঠানের রুমে প্রাইভেট পড়াবে বাইরের লোকজন। চাবি থাকবে তাদের হাতে আর প্রতিষ্ঠান প্রধান হিসেবে জানবেন না এটা তো ওনার চরম ব্যর্থতা। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করব।


মেঘনার রূপ উপভোগ আর তাজা ইলিশের স্বাদ মিলবে ‘পরিচ্ছন্ন প্রাঙ্গণে’

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ৩:০৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মেঘনার রূপ উপভোগ আর তাজা ইলিশের স্বাদ মিলবে ‘পরিচ্ছন্ন প্রাঙ্গণে’

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে মেঘনার তীরে গড়ে ওঠা পার্ক পরিচ্ছন্ন প্রাঙ্গণ

‘পরিচ্ছন্ন প্রাঙ্গণ’ নামের পার্কে দাঁড়িয়ে নদীর পানে চোখ মেললেই স্মরণে আসে শিল্পী হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের সেই বিখ্যাত গানের পঙ্‌ক্তি—‘কত যে ধীরে বহে মেঘনা/ শান্ত তবু সুপ্ত সে নয়।’ মেঘনার বয়ে চলা শান্ত ও গভীর রূপ এবং তার মুক্ত বাতাসের পরশ যে কারও হৃদয়কে প্রশান্ত করে দেয়।

ময়মনসিংহ শহরের ব্রহ্মপুত্র নদের পাড়ে গড়ে ওঠা ‘শিল্পাচার্য জয়নুল উদ্যান’-এর মতোই এই পার্কেও দর্শনার্থীরা ভিড় জমান নদীর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অবলোকন করতে। পাশাপাশি এখানকার ভ্রমণপিপাসুদের বাড়তি আকর্ষণ হিসেবে জুটে যেতে পারে মেঘনার টাটকা ইলিশের স্বাদ নেওয়ার সুযোগ।