খুঁজুন
advertisement
advertisement
সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

শ্রমিক আন্দোলন ঘিরে নিষিদ্ধ দলের ষড়যন্ত্র সফল হবে না: মাহদী আমিন

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ১১:১০ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
শ্রমিক আন্দোলন ঘিরে নিষিদ্ধ দলের ষড়যন্ত্র সফল হবে না: মাহদী আমিন

শ্রমিক আন্দোলন ঘিরে নিষিদ্ধ দলের ষড়যন্ত্র সফল হবে না: মাহদী আমিন

জাতীয় ডেস্ক: তৈরি পোশাকশিল্পের শ্রমিকদের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে কোনো নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দল কিংবা অপশক্তিকে দেশে বিশৃঙ্খলা তৈরির সুযোগ দেওয়া হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানবিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন। সম্প্রতি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। তিনি বলেন, একটি মহল শ্রমিকদের ন্যায্য দাবিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করে দেশের গুরুত্বপূর্ণ এই শিল্প খাতে নাশকতা ও অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। অথচ দেশের অর্থনীতি এবং লাখ লাখ শ্রমিকের জীবন-জীবিকা এই খাতের সঙ্গে সরাসরি জড়িত। তাই শ্রমিকের স্বার্থ রক্ষায় এবং শিল্পকারখানার স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখতে সরকার যেকোনো মূল্যে এই ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে বদ্ধপরিকর।

পোশাকশিল্পের পটভূমি তুলে ধরে মাহদী আমিন উল্লেখ করেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাত ধরেই মূলত বাংলাদেশে তৈরি পোশাকশিল্পের যুগান্তকারী যাত্রা শুরু হয়েছিল, যা পরবর্তীতে দেশে ব্যাপক কর্মসংস্থান ও নারীর ক্ষমতায়নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। পরবর্তী সময়ে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সরকারও এই খাতের টেকসই বিকাশ এবং শ্রমিকদের সার্বিক কল্যাণে বিভিন্ন কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিল। সেই ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতা বজায় রেখেই জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শ্রমিকবান্ধব সরকার বর্তমানে শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি, সামাজিক মর্যাদা এবং মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই বিভিন্ন উৎসবের সময়ে শ্রমিকদের বেতন-বোনাস যথাসময়ে পরিশোধের বিষয়টি কঠোরভাবে তদারকি করে আসছে।

শ্রমিকদের সুযোগ-সুবিধার কথা বিবেচনা করে বর্তমান সরকার নতুন মজুরি বোর্ড গঠন করেছে বলে জানান এই উপদেষ্টা। তিনি বলেন, শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি শিল্পের সার্বিক সক্ষমতা, উৎপাদন ব্যয় এবং আন্তর্জাতিক বাজারের প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশের বিষয়গুলো মাথায় রেখেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কিন্তু এই প্রক্রিয়া চলমান থাকা সত্ত্বেও একটি চিহ্নিত মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে শিল্প খাতে অস্থিরতা সৃষ্টির পাঁয়তারা চালাচ্ছে। তাঁর অভিযোগ, পতিত স্বৈরাচারের দোসর ও সহযোগীরা বিভিন্ন ধরনের উসকানি দিয়ে এবং নাশকতার পথ বেছে নিয়ে শ্রমিকদের যৌক্তিক বেতনের দাবিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চক্রান্ত করছে। বিশেষ করে কারখানায় হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ কিংবা পুলিশের গাড়ি ও সরকারি স্থাপনায় আক্রমণের মতো ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই শ্রমিকদের প্রকৃত কল্যাণের সঙ্গে যায় না, বরং এটি সম্পূর্ণ শ্রমিক স্বার্থবিরোধী।

এ ধরনের নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের পেছনে থাকা পলাতক অপশক্তির নানা অপতৎপরতার সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ সরকারের হাতে রয়েছে বলে জানান মাহদী আমিন। তিনি সতর্ক করে বলেন, কারখানা ক্ষতিগ্রস্ত বা বন্ধ হয়ে গেলে দিনশেষে সবচেয়ে বড় বিপদের মুখে পড়বেন সাধারণ শ্রমিকরাই। এর ফলে দেশে বেকারত্ব আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধির পাশাপাশি জাতীয় অর্থনীতিও মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হবে। তাই শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি আদায়ের গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষার পাশাপাশি সন্ত্রাস, ভাঙচুর ও শিল্প ধ্বংসের সব অপচেষ্টা শক্ত হাতে দমন করা হবে। নাশকতার সঙ্গে সরাসরি জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনের আওতায় এনে বিচার করা হবে।

সাধারণ শ্রমিকদের প্রতি বিশেষ আহ্বান জানিয়ে এই উপদেষ্টা বলেন, কোনো ধরনের গুজব, অপপ্রচার, বিভ্রান্তি কিংবা উসকানিতে কান না দিয়ে সংযত থাকতে হবে। তৈরি পোশাকশিল্পের সামগ্রিক বাস্তবতা এবং দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে যেকোনো যৌক্তিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় বর্তমান সরকার সবসময় শ্রমিকদের পাশে রয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে শ্রমিকদের অধিকার সুরক্ষায় বহুমুখী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে। শ্রমিকদের ঘামে গড়া এই শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে এবং দেশের অগ্রগতি অব্যাহত রাখতে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।

advertisement
advertisement

বিরোধী দলের জন্য আলোচনার দ্বার এখনো উন্মুক্ত: চিফ হুইপ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৫:৩২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বিরোধী দলের জন্য আলোচনার দ্বার এখনো উন্মুক্ত: চিফ হুইপ

বিরোধী দলের জন্য আলোচনার দ্বার এখনো উন্মুক্ত: চিফ হুইপ

রাজনীতি ডেস্ক: জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের বিষয়ে বর্তমান সরকার অত্যন্ত দৃঢ়প্রতিজ্ঞ রয়েছে এবং এ লক্ষ্যে দেশের সব মহলের সঙ্গে আলোচনা চলছে। জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি সম্প্রতি ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে এক বৈঠকে এই কথা জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, এই সনদের বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সংবিধান বিশেষজ্ঞ, শিক্ষক, সাংবাদিক, জুলাই যোদ্ধা এবং সমাজের নানা পেশার মানুষের সঙ্গে ইতোমধ্যে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক সম্পন্ন হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে বিরোধী দলগুলোকেও এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত হওয়ার জন্য বারবার আহ্বান জানানো হয়েছে এবং তাদের জন্য আলোচনার সুযোগ এখনও পুরোপুরি খোলা রয়েছে।

জাতীয় সংসদ ভবনে চিফ হুইপের কার্যালয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলারের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এই সৌজন্য সাক্ষাতে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বৈঠকে বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যকার পারস্পরিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার পাশাপাশি সংসদীয় গণতান্ত্রিক চর্চা পুনরুদ্ধারের বিষয়টি বিশেষভাবে প্রাধান্য পায়। এ ছাড়া উভয় পক্ষের মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, শ্রম অধিকার সুরক্ষার ক্ষেত্র এবং সংবিধান সংশোধনের চলমান কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে খোলামেলা আলোচনা হয়েছে।

দীর্ঘ বিরতির পর দেশে সংসদীয় গণতান্ত্রিক ধারা ফিরে আসায় সন্তোষ প্রকাশ করে চিফ হুইপ জানান যে, বিরোধী দলগুলোর এখন উচিত রাজপথের আন্দোলন বাদ দিয়ে সংসদ ভবনে এসে তাদের সুনির্দিষ্ট বক্তব্য তুলে ধরা। গণতন্ত্রের মূল কেন্দ্রবিন্দু যেহেতু জাতীয় সংসদ, তাই সংসদে গঠনমূলক আলোচনার মাধ্যমেই যেকোনো রাজনৈতিক মতপার্থক্য দূর করা সম্ভব বলে তিনি মনে করেন। সংসদীয় কার্যক্রম আরও গতিশীল করা এবং সংসদ সদস্যদের পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময়ের উদ্দেশ্যে একটি বাংলাদেশ-ইউরোপীয় ইউনিয়ন সংসদীয় ফ্রেন্ডশিপ গ্রুপ গঠনের ওপর বৈঠকে গুরুত্ব আরোপ করা হয়।

বৈঠকের শেষ পর্যায়ে দেশের গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা রক্ষা, সুশাসন এবং প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহি নিশ্চিত করার বিষয়ে উভয় পক্ষ ঐকমত্য প্রকাশ করে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে পুনরায় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা চালু হওয়ার প্রেক্ষাপটে জাতীয় সংসদের ইতিবাচক ভূমিকার উচ্চ প্রশংসা করেন। ভবিষ্যতে দুই পক্ষের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, অভিন্ন গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে বলে উভয় পক্ষ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে নানা ষড়যন্ত্র চলছে : রিজভী

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৫:১৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে নানা ষড়যন্ত্র চলছে : রিজভী

সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে নানা ষড়যন্ত্র চলছে : রিজভী

রাজনীতি ডেস্ক: বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে দেশ ও দেশের বাইরে নানা ধরনের ষড়যন্ত্র অব্যাহত রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতারা। সম্প্রতি সিলেট নগরীর একটি অভিজাত হোটেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে দলের অন্যতম শীর্ষ এই নেতা জানান যে, শ্রমিক অসন্তোষকে পুঁজি করে দেশে একটি অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির গভীর পাঁয়তারা চলছে। বিগত দীর্ঘ সময় ধরে গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়া রাজনৈতিক শক্তিগুলো এসব পরিস্থিতি অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছে। দেশের সামগ্রিক গণতান্ত্রিক ধারাকে বাধাগ্রস্ত করতে এবং মানুষের ভোটাধিকার হরণের উদ্দেশ্যে এই ধরনের অপতৎপরতা চালানো হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ওই বিএনপি নেতা আরও অভিযোগ করেন যে, রাজনৈতিকভাবে পরাজিত শক্তিগুলো সাধারণ শ্রমিকদের ভুল বুঝিয়ে রাজপথে নামানোর অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে ঘটা শ্রমিক অসন্তোষের পেছনে নির্দিষ্ট কিছু রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের প্রত্যক্ষ সংশ্লিষ্টতার জোরালো প্রমাণ পাওয়া গেছে বলেও তিনি দাবি করেন। সম্প্রতি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সংঘাতপূর্ণ বিভিন্ন এলাকা থেকে সরকারবিরোধী ছাত্র ও যুব সংগঠনের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মীকে আটক করেছে। এছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে এই ধরনের বিশৃঙ্খল কর্মকাণ্ডের দায় স্বীকার করে অনেকের আপত্তিকর পোস্ট দেওয়ার ঘটনাও জনসমক্ষে এসেছে।

সামাজিক স্থিতিশীলতা বিনষ্ট করার যেকোনো ধরনের অপচেষ্টা কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে বলে তিনি প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। দেশের সাধারণ মানুষ বরাবরই শান্তিপ্রিয় এবং তারা অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের প্রকৃত প্রতিনিধি নির্বাচন করতে ইচ্ছুক। পেছনের দরজা দিয়ে বা চোরাপথে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখলের যেকোনো ষড়যন্ত্র এদেশের সচেতন জনগণ অতীতেও প্রত্যাখ্যান করেছে এবং ভবিষ্যতেও করবে। গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় রাখতে এবং যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা এড়াতে সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি দায়িত্বশীল আচরণের আহ্বান জানান তিনি।

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে প্রার্থীরা নির্বাচিত হবেন। জেলা ও উপজেলা স্তরের নেতৃবৃন্দ স্থানীয় পর্যায়ে জনসমর্থন এবং জনপ্রিয়তার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে উপযুক্ত প্রার্থীদের মনোনয়ন দেবেন। নির্বাচনের তফসিল আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষিত হওয়ার পর দলীয় মনোনয়ন কার্যক্রম আরও বেগবান করা হবে। উক্ত মতবিনিময় সভায় বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির একাধিক শীর্ষ স্থানীয় নেতাসহ স্থানীয় পর্যায়ের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

মেজর আখতারুজ্জামানের জামিন বহাল, রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন খারিজ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৫:০৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মেজর আখতারুজ্জামানের জামিন বহাল, রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন খারিজ

মেজর আখতারুজ্জামানের জামিন বহাল, রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন খারিজ

আইন-আদালত ডেস্ক: আইনগত লড়াইয়ের পর অবশেষে সাবেক সংসদ সদস্য মেজর আখতারুজ্জামানের জামিন আদেশ বহাল রেখেছে দেশের সর্বোচ্চ আদালত। এর মাধ্যমে তার কারামুক্তির পথে আর কোনো আইনি বাধা রইল না বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা। রাষ্ট্রপক্ষের করা একটি আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই আদেশ দেওয়া হয়।

এর আগে হাইকোর্ট বিভাগ থেকে জামিন লাভ করেছিলেন এই রাজনৈতিক নেতা। তবে হাইকোর্টের দেওয়া ওই জামিন আদেশের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে রাষ্ট্রপক্ষ এবং এর বিরুদ্ধে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে চ্যালেঞ্জ জানায় তারা।

সম্প্রতি দেশের সর্বোচ্চ আদালতের আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হকের আদালতে এই মামলার শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। উভয় পক্ষের আইনজীবীদের দীর্ঘ ও বিস্তারিত যুক্তি উপস্থাপন শেষে আদালত রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনটি সরাসরি খারিজ করে দেন।

চেম্বার আদালতের এই আদেশের ফলে হাইকোর্ট থেকে মেজর আখতারুজ্জামানের পাওয়া জামিন আদেশটি এখন সম্পূর্ণ বহাল থাকল। সার্বিক আইনি প্রক্রিয়া শেষে তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ও জামিন সংক্রান্ত জটিলতার অবসান ঘটছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।