খুঁজুন
advertisement
advertisement
সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১৭ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

মেজর আখতারুজ্জামানের জামিন বহাল, রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন খারিজ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ১২:০১ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
মেজর আখতারুজ্জামানের জামিন বহাল, রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন খারিজ

মেজর আখতারুজ্জামানের জামিন বহাল, রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন খারিজ

আইন-আদালত ডেস্ক: আইনগত লড়াইয়ের পর অবশেষে সাবেক সংসদ সদস্য মেজর আখতারুজ্জামানের জামিন আদেশ বহাল রেখেছে দেশের সর্বোচ্চ আদালত। এর মাধ্যমে তার কারামুক্তির পথে আর কোনো আইনি বাধা রইল না বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা। রাষ্ট্রপক্ষের করা একটি আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই আদেশ দেওয়া হয়।

এর আগে হাইকোর্ট বিভাগ থেকে জামিন লাভ করেছিলেন এই রাজনৈতিক নেতা। তবে হাইকোর্টের দেওয়া ওই জামিন আদেশের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে রাষ্ট্রপক্ষ এবং এর বিরুদ্ধে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে চ্যালেঞ্জ জানায় তারা।

সম্প্রতি দেশের সর্বোচ্চ আদালতের আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হকের আদালতে এই মামলার শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। উভয় পক্ষের আইনজীবীদের দীর্ঘ ও বিস্তারিত যুক্তি উপস্থাপন শেষে আদালত রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনটি সরাসরি খারিজ করে দেন।

চেম্বার আদালতের এই আদেশের ফলে হাইকোর্ট থেকে মেজর আখতারুজ্জামানের পাওয়া জামিন আদেশটি এখন সম্পূর্ণ বহাল থাকল। সার্বিক আইনি প্রক্রিয়া শেষে তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ও জামিন সংক্রান্ত জটিলতার অবসান ঘটছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

advertisement
advertisement

আগামী গ্রীষ্মে সৌরবিদ্যুৎ থেকে ৪ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদনের লক্ষ্য সরকারের

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৬:০২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
আগামী গ্রীষ্মে সৌরবিদ্যুৎ থেকে ৪ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদনের লক্ষ্য সরকারের

আগামী গ্রীষ্মে সৌরবিদ্যুৎ থেকে ৪ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদনের লক্ষ্য সরকারের

অর্থনীতি ডেস্ক: আসন্ন গ্রীষ্ম মৌসুমে বিদ্যুৎ সংকট সহনীয় পর্যায়ে রাখতে সৌরবিদ্যুৎ থেকে তিন থেকে চার হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এই লক্ষ্য অর্জনে ভবনগুলোর ছাদে সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল স্থাপন তথা রুফটপ সোলার ব্যবস্থাকে অন্যতম সহজ ও কার্যকর সমাধান হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। সম্প্রতি রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের উদ্যোগে দেশের বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনবিষয়ক এক মতবিনিময় সভায় এই পরিকল্পনার কথা জানানো হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

মতবিনিময় সভায় প্রতিমন্ত্রী জানান, বিগত গ্রীষ্মে সাধারণ মানুষকে বিদ্যুৎ নিয়ে যে তীব্র ভোগান্তির মুখোমুখি হতে হয়েছিল, আগামী দিনে তার পুনরাবৃত্তি রোধ করতে সরকার এখন থেকেই আগাম প্রস্তুতি শুরু করেছে। সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার দ্রুত সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে মাত্র দুই মাসের মধ্যে একটি নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতে এটি প্রয়োজনে সংশোধনের সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের সিদ্ধান্ত কোনোভাবেই জোর করে চাপিয়ে দেওয়া হবে না বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন তিনি। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব প্রয়োজন, আর্থিক সক্ষমতা ও বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে হবে এবং এই কার্যক্রমে সরকার ও ইউজিসি সব ধরনের সহায়তা প্রদান করবে।

সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারের মাধ্যমে কেবল বিদ্যুৎ সাশ্রয়ই নয়, বরং কার্বন নিঃসরণ কমিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কার্বন ক্রেডিট অর্জনের সম্ভাবনার দিকটিও তুলে ধরেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, কার্বন নিঃসরণ হ্রাসের বিপরীতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে এই বিশেষ ক্রেডিট অর্জনে সার্বিক সহযোগিতা দেবে বিদ্যুৎ বিভাগ এবং এই ক্রেডিট পরবর্তীতে বিক্রির সুযোগও রয়েছে। এই উদ্যোগের প্রচার ও প্রসারের অংশ হিসেবে আগামী নভেম্বর মাসে ঢাকায় বাংলাদেশ সোলার এক্সপো আয়োজন করা হতে যাচ্ছে। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের রূপরেখা ও কার্যকারিতা নিয়ে উপাচার্যদের অংশগ্রহণে খুব শীঘ্রই একটি বিশেষ বিশেষজ্ঞ সভারও আয়োজন করা হবে বলে তিনি জানান।

সভায় সভাপতির বক্তব্যে ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ বলেন, উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন নিয়ে বিদ্যমান নানা বিভ্রান্তি দূর করতেই এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর পরিচালন ব্যয়ের একটি বড় অংশই বিদ্যুৎ ও গ্যাস বিল পরিশোধে ব্যয় হয়, তাই ব্যয় কমাতে ওপেক্স মডেলে সৌরবিদ্যুৎ চালুর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। ইতিমধ্যে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে এই মডেলে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও একই ধরনের ত্রিপক্ষীয় উদ্যোগ গ্রহণের সুযোগ রয়েছে। অনুষ্ঠানে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ডিন অধ্যাপক ড. এম শামসুল আলম ও বিদ্যুৎ বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব তাহমিলুর রহমান সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন বিষয়ে পৃথক দুটি প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এবং বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যরা আলোচনায় অংশ নেন।

ঋণের নামে ১২২১ কোটি টাকা লোপাট, সালমানসহ ৬৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৫:৪৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ঋণের নামে ১২২১ কোটি টাকা লোপাট, সালমানসহ ৬৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা

ঋণের নামে ১২২১ কোটি টাকা লোপাট, সালমানসহ ৬৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা

অপরাধ ডেস্ক: ঋণ সুবিধার অপব্যবহার করে ভুয়া রপ্তানি বিল তৈরি, অর্থ আত্মসাৎ এবং বিদেশে পাচারের গুরুতর অভিযোগে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাবেক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানসহ মোট ৬৯ জনের বিরুদ্ধে মামলার অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন। সম্প্রতি দুর্নীতি দমন কমিশনের পক্ষ থেকে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানানো হয়। মূলত তিনটি ভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামে জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করার সত্যতা পাওয়ার পর এই আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

অনুমোদিত তিনটি মামলার প্রথমটিতে ২২ জন, দ্বিতীয়টিতে ২২ জন এবং তৃতীয়টিতে ২৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। স্প্রিংফুল অ্যাপারেলস, আরবান ফ্যাশনস ও মিডওয়েস্ট গার্মেন্টস নামের তিনটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ব্যাংক থেকে ঋণ সুবিধা গ্রহণ করা হয়েছিল। পরবর্তীতে কোনো ধরনের প্রকৃত ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা না করে ভুয়া আমদানি ও রপ্তানির লেনদেন দেখিয়ে এই অর্থ আত্মসাৎ করা হয়, যা পরবর্তীতে অবৈধভাবে বিদেশে পাচার করা হয় বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

আসামিদের তালিকায় সালমান এফ রহমানের পাশাপাশি তার পরিবারের সদস্য এবং বেক্সিমকো গ্রুপের শীর্ষস্থানীয় বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা ও পরিচালক অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। এছাড়া বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, পরিচালক এবং রাষ্ট্রায়ত্ত জনতা ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ ব্যাংকের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তাদের এই জালিয়াতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পাওয়া গেছে। কোনো রকম পূর্ব অভিজ্ঞতা না থাকা সত্ত্বেও ক্ষমতার অপব্যবহার করে কীভাবে এই বিশাল অঙ্কের ঋণ মঞ্জুর করা হয়েছিল, তা নিয়ে তদন্তে নানা অনিয়ম উঠে এসেছে।

দুর্নীতি দমন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এই তিনটি ঘটনায় মোট ১ হাজার ১২১ কোটি টাকারও বেশি আত্মসাৎ করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রথম ঘটনায় স্প্রিংফুল অ্যাপারেলস লিমিটেডের অনুকূলে রপ্তানি উন্নয়ন তহবিলসহ বিভিন্ন ঋণের নামে প্রায় ১৪১ কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়। এছাড়া দ্বিতীয় মামলায় আরবান ফ্যাশনস লিমিটেডের নামে প্রায় ৪১৭ কোটি টাকা এবং তৃতীয় মামলায় মিডওয়েস্ট গার্মেন্টস লিমিটেডের নামে প্রায় ৫৬৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনা হয়েছে।

ক্ষমতার অপব্যবহার, প্রতারণা, জালিয়াতি এবং পরস্পরের যোগসাজশে ব্যাংকিং খাতের অর্থ তছরুপ ও বিদেশে পাচারের অপরাধে সংশ্লিষ্ট আইনে নিয়মিত মামলা দায়েরের চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে কমিশন। দণ্ডবিধি, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের বিভিন্ন ধারায় এই মামলাগুলো পরিচালিত হবে। ব্যাংক খাতের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এবং আর্থিক দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত প্রভাবশালী ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনতে দুর্নীতি দমন কমিশনের এই পদক্ষেপকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিরোধী দলের জন্য আলোচনার দ্বার এখনো উন্মুক্ত: চিফ হুইপ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ২ নভেম্বর ২০২৬, ৫:৩২ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বিরোধী দলের জন্য আলোচনার দ্বার এখনো উন্মুক্ত: চিফ হুইপ

বিরোধী দলের জন্য আলোচনার দ্বার এখনো উন্মুক্ত: চিফ হুইপ

রাজনীতি ডেস্ক: জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের বিষয়ে বর্তমান সরকার অত্যন্ত দৃঢ়প্রতিজ্ঞ রয়েছে এবং এ লক্ষ্যে দেশের সব মহলের সঙ্গে আলোচনা চলছে। জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি সম্প্রতি ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে এক বৈঠকে এই কথা জানিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, এই সনদের বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সংবিধান বিশেষজ্ঞ, শিক্ষক, সাংবাদিক, জুলাই যোদ্ধা এবং সমাজের নানা পেশার মানুষের সঙ্গে ইতোমধ্যে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক সম্পন্ন হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে বিরোধী দলগুলোকেও এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত হওয়ার জন্য বারবার আহ্বান জানানো হয়েছে এবং তাদের জন্য আলোচনার সুযোগ এখনও পুরোপুরি খোলা রয়েছে।

জাতীয় সংসদ ভবনে চিফ হুইপের কার্যালয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলারের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এই সৌজন্য সাক্ষাতে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বৈঠকে বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যকার পারস্পরিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার পাশাপাশি সংসদীয় গণতান্ত্রিক চর্চা পুনরুদ্ধারের বিষয়টি বিশেষভাবে প্রাধান্য পায়। এ ছাড়া উভয় পক্ষের মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, শ্রম অধিকার সুরক্ষার ক্ষেত্র এবং সংবিধান সংশোধনের চলমান কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে খোলামেলা আলোচনা হয়েছে।

দীর্ঘ বিরতির পর দেশে সংসদীয় গণতান্ত্রিক ধারা ফিরে আসায় সন্তোষ প্রকাশ করে চিফ হুইপ জানান যে, বিরোধী দলগুলোর এখন উচিত রাজপথের আন্দোলন বাদ দিয়ে সংসদ ভবনে এসে তাদের সুনির্দিষ্ট বক্তব্য তুলে ধরা। গণতন্ত্রের মূল কেন্দ্রবিন্দু যেহেতু জাতীয় সংসদ, তাই সংসদে গঠনমূলক আলোচনার মাধ্যমেই যেকোনো রাজনৈতিক মতপার্থক্য দূর করা সম্ভব বলে তিনি মনে করেন। সংসদীয় কার্যক্রম আরও গতিশীল করা এবং সংসদ সদস্যদের পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময়ের উদ্দেশ্যে একটি বাংলাদেশ-ইউরোপীয় ইউনিয়ন সংসদীয় ফ্রেন্ডশিপ গ্রুপ গঠনের ওপর বৈঠকে গুরুত্ব আরোপ করা হয়।

বৈঠকের শেষ পর্যায়ে দেশের গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা রক্ষা, সুশাসন এবং প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহি নিশ্চিত করার বিষয়ে উভয় পক্ষ ঐকমত্য প্রকাশ করে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে পুনরায় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা চালু হওয়ার প্রেক্ষাপটে জাতীয় সংসদের ইতিবাচক ভূমিকার উচ্চ প্রশংসা করেন। ভবিষ্যতে দুই পক্ষের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, অভিন্ন গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে বলে উভয় পক্ষ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।