খুঁজুন
advertisement
advertisement
রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬, ২ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

পরিবেশবান্ধব ও শান্তিপূর্ণ দুর্গাপূজা উদযাপনে পূজা পরিষদের ২৬ দফা নির্দেশনা

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ৩:২৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পরিবেশবান্ধব ও শান্তিপূর্ণ দুর্গাপূজা উদযাপনে পূজা পরিষদের ২৬ দফা নির্দেশনা

ফুল, বেলপাতা ও প্রদীপের বরণডালায় দেবী দুর্গাকে বরণ করে নেন ভক্তরা। গতকাল সন্ধ্যায় ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে

নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রেখে শারদীয় দুর্গাপূজা আয়োজনের লক্ষ্যে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কমিটিগুলোকে ২৬ দফা নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ পূজা উদ্‌যাপন পরিষদ। নির্দেশনায় অপ্রয়োজনীয় আলোকসজ্জা ও প্লাস্টিক বর্জন, উচ্চ শব্দের সাউন্ড সিস্টেম ও মাইক ব্যবহার না করা এবং বাজি-পটকা ফোটানো বন্ধ রাখার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে পরিবেশসম্মত সামগ্রী ব্যবহারের পাশাপাশি নিরবচ্ছিন্ন নিরাপত্তার স্বার্থে পর্যাপ্ত আলোর বন্দোবস্ত ও বিদ্যুৎ বিভ্রাট মোকাবিলায় জেনারেটর, ইউপিএস বা সৌরবিদ্যুতের মতো বিকল্প ব্যবস্থা প্রস্তুত রাখার তাগিদ দেওয়া হয়েছে। বৈদ্যুতিক সংযোগে মানসম্মত তার ও নিরাপদ সরঞ্জাম ব্যবহারের কথাও এতে উল্লেখ করা হয়।

শব্দদূষণ প্রতিরোধে ধর্মীয় ও ভক্তিমূলক সুর ব্যতীত অন্য কোনো গান বাজানো এবং আতশবাজি থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে পরিষদ। এ প্রসঙ্গে সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক সন্তোষ শর্মা জানান, মণ্ডপগুলোতে তীব্র আওয়াজে ডিজে বাজানো নিষিদ্ধ করে কেবল ধর্মীয় সঙ্গীত পরিবেশনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ভক্ত ও দর্শনার্থীদের সুরক্ষায় প্রতিটি মণ্ডপে নিজস্ব উদ্যোগে নিরাপত্তা জোরদার, গুরুত্বপূর্ণ স্থান ও প্রবেশমুখে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, অগ্নিনির্বাপণ সামগ্রী রাখা এবং স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগের কথা বলা হয়েছে। প্রতিমা তৈরি থেকে শুরু করে বিসর্জন পর্যন্ত পরিচ্ছন্নতা ও পরিবেশ সুরক্ষার নির্দেশ দিয়ে সম্ভব হলে সন্ধ্যার মধ্যেই নির্ধারিত স্থানে শৃঙ্খলা মেনে বিসর্জন সম্পন্ন করার অনুরোধ জানানো হয়।

নারী ও পুরুষ দর্শনার্থীদের জন্য পৃথক চলাচল ব্যবস্থা এবং শৃঙ্খলা রক্ষার্থে দৃশ্যমান পরিচয়পত্রসহ পর্যাপ্ত স্বেচ্ছাসেবক মোতায়েনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্বেচ্ছাসেবকদের নাম, ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর সংবলিত তালিকা স্থানীয় থানা বা ফাঁড়িতে জমা দিতে হবে। কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি বা দুর্ঘটনা দেখা দিলে গুজবে কান না দিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ৯৯৯, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কিংবা কেন্দ্রীয় মনিটরিং সেলকে অবহিত করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ইভ টিজিং কিংবা ছিনতাইয়ের মতো ঘটনায় কাউকে আটক করা হলে আইন হাতে তুলে না নিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে। সাধারণ সম্পাদক সন্তোষ শর্মা স্বাক্ষরিত ওই বার্তায় বলা হয়, দুর্গাপূজা শান্তি ও সম্প্রীতির প্রতীক; সবার ঐক্যবদ্ধ প্রয়াসে ২০২৬ সালের দুর্গাপূজা নিরাপদ ও পরিবেশবান্ধবভাবে সম্পন্ন করার আহ্বান জানায় পরিষদ।

advertisement
advertisement

অস্ট্রেলিয়ার ঘরোয়া ক্রিকেটে ঝড়: মাত্র ১৪ বলে ফিফটি হাঁকালেন ফ্রেজার–ম্যাগার্ক

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২:৫৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
অস্ট্রেলিয়ার ঘরোয়া ক্রিকেটে ঝড়: মাত্র ১৪ বলে ফিফটি হাঁকালেন ফ্রেজার–ম্যাগার্ক

জেইক ফ্রেজার–ম্যাগার্ক

২০২৩ সালের অক্টোবরে লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে এবি ডি ভিলিয়ার্সের দ্রুততম শতকের রেকর্ড ভেঙে ক্রিকেটবিশ্বে আলোড়ন তুলেছিলেন জেইক ফ্রেজার–ম্যাগার্ক। সে সময় অজি ক্রিকেটে আলোচনা শুরু হয়েছিল—তিনি কি ডেভিড ওয়ার্নারের উত্তরসূরি হবেন, নাকি লেগ স্পিনের দক্ষতার কারণে পরবর্তী শহীদ আফ্রিদি হয়ে উঠবেন? তবে সাম্প্রতিক সময়ে পারফরম্যান্সের ঘাটতিতে যেন কিছুটা হারিয়ে গিয়েছিলেন তিনি। গত বছরের জুলাইয়ে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে সর্বশেষ মাঠে নামা এই ব্যাটার ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দলেও সুযোগ পাননি। নিয়মিত ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট খেললেও সর্বশেষ আইপিএলের নিলামে ছিলেন অবিক্রীত।

তবে ফ্রেজার–ম্যাগার্ক যে ফুরিয়ে যাননি, অস্ট্রেলিয়ার ঘরোয়া ওয়ানডে কাপে তা আবারও প্রমাণ করলেন। গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের দৃষ্টিতে ‘অসীম প্রতিভাধর’ এই ব্যাটার অ্যাডিলেডে কুইন্সল্যান্ডের বিপক্ষে ৬৩ বলে ১২২ রানের এক বিধ্বংসী ইনিংস উপহার দেন। সাউথ অস্ট্রেলিয়ার জার্সিতে ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে একাই ২২ রান ও চতুর্থ ওভারে ১৭ রান তোলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত মাত্র ১৪ বলে ফিফটি ও ৪৯ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। যদিও ২০২৩ সালের মার্শ কাপে এবি ডি ভিলিয়ার্সকে ছাড়িয়ে গড়া নিজের ২৯ বলে শতকের রেকর্ড ভাঙতে পারেননি, তবে অস্ট্রেলিয়ার ঘরোয়া ক্রিকেটে দ্রুততম হাফ সেঞ্চুরির নতুন কীর্তি গড়েছেন ২৪ বছর বয়সী এই ওপেনার।

এই ইনিংসের মাধ্যমে লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে নিজের ১৮ বলের ফিফটির রেকর্ড ভেঙেছেন ফ্রেজার–ম্যাগার্ক। এই সংস্করণে সব মিলিয়ে এটি যৌথভাবে চতুর্থ দ্রুততম ফিফটি, যেখানে মাত্র ৩ বলের ব্যবধানে তিনি ভাঙতে পারেননি বৈভব সূর্যবংশীর ১১ বলে ফিফটির নজির। ক্যারেন রোলটন ওভালে ১০টি চার ও ৯টি ছক্কায় সাজানো এই ইনিংসের পর মাঠটিতে তাঁর দুর্দান্ত পরিসংখ্যান আরও উজ্জ্বল হলো। এই ভেন্যুতে খেলা ছয় ইনিংসে তাঁর দুটি সেঞ্চুরি ও একটি ৮৮ রানের ইনিংস রয়েছে, যেখানে গড় ৬৮.৬৬ এবং স্ট্রাইক রেট ২০৪.৯৭। বিপরীতে তাঁর সামগ্রিক লিস্ট ‘এ’ ক্যারিয়ারের ৩৭ ইনিংসে ব্যাটিং গড় ২৬.৫ এবং স্ট্রাইক রেট ১৩২.৮৩।

শুকিয়ে যাচ্ছে চলনবিল: ভূগর্ভস্থ পানির উচ্চ সম্ভাবনা কেবল ১ শতাংশ এলাকায়, গবেষণায় অশনিসংকেত

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২:৩৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
শুকিয়ে যাচ্ছে চলনবিল: ভূগর্ভস্থ পানির উচ্চ সম্ভাবনা কেবল ১ শতাংশ এলাকায়, গবেষণায় অশনিসংকেত

শরৎকালে চলনবিলের প্রকৃতি। পাবনার চাটমোহরে

নাটোরের সিংড়া উপজেলার চৌগ্রাম ইউনিয়নের বড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা মোহাম্মদ লিটনের স্মৃতিতে শৈশবের চলনবিল ছিল এক অথৈ সমুদ্রের মতো। আগে আশ্বিন গড়িয়ে অগ্রহায়ণ মাস পর্যন্ত সেখানে থইথই পানি থাকলেও এখন এই সময়েই চারপাশ পানিশূন্য রূপ নেয়। কমে গেছে মাছের দেখাও। দেশের অন্যতম এই বৃহৎ জলাভূমির বর্তমান বাস্তবতা নিয়ে সম্প্রতি প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে, চলনবিলের ভূগর্ভস্থ পানির আধার মারাত্মক ঝুঁকির মুখে রয়েছে এবং এর মাত্র ১ শতাংশ অঞ্চলে পানির সম্ভাবনা ‘খুব বেশি’।

চলতি মাসে ‘ডিসকভার জিওসায়েন্স’ সাময়িকীতে প্রকাশিত এই গবেষণাটি পরিচালনা করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের গবেষকেরা। রাজশাহী বিভাগের নাটোর, সিরাজগঞ্জ ও পাবনা জেলার ৫ হাজার ৯৭ বর্গকিলোমিটার এলাকা নিয়ে গবেষণাটি সম্পন্ন হয়। এর আওতায় নাটোরের সিংড়া ও গুরুদাসপুর, পাবনার চাটমোহর ও ভাঙ্গুড়া এবং সিরাজগঞ্জের তাড়াশ, রায়গঞ্জ ও উল্লাপাড়া উপজেলা অন্তর্ভুক্ত ছিল। প্রাপ্ত ফলাফলে দেখা যায়, চলনবিলের মাত্র ৬৫ বর্গকিলোমিটার এলাকায় ভূগর্ভস্থ পানির সঞ্চয় খুব ভালো। বিপরীতে ৩ হাজার ৯৩৩ বর্গকিলোমিটার বা ৭৭ শতাংশ এলাকায় সম্ভাবনা মাঝারি এবং ১ হাজার ৯৯ বর্গকিলোমিটার বা ২২ শতাংশ এলাকায় সম্ভাবনা অত্যন্ত কম।

গবেষকেরা ১৯৯০ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন উপাত্ত, স্যাটেলাইট চিত্র ও জিআইএস প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে বৃষ্টিপাত, মাটির ধরন, ভূগর্ভস্থ পানির গভীরতা ও উদ্ভিদের পরিবর্তনসহ ১৭টি উপাদান বিশ্লেষণ করেন। এতে তথ্য সংগ্রহ করা হয় যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা, ল্যান্ডস্যাট-৮ স্যাটেলাইট, ক্লাইমেট রিসার্চ ইউনিট, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল ও বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকে। গবেষণা দলের সদস্য ওয়াহিদুল আলম জানান, উচ্চ সম্ভাবনাময় অংশে বর্ষায় সর্বনিম্ন ৮ মিটার ও শুকনায় ২০ মিটারে পানি মিললেও কম সম্ভাবনার স্থানে শুকনো মৌসুমে পানি পেতে ৪০ মিটার পর্যন্ত গভীরে যেতে হয়। এলাকার ৪৪ শতাংশ অংশ কাদামাটি হওয়ায় মাটির নিচে পানি প্রবেশে স্বাভাবিকভাবেই বাধা তৈরি হয়।

গবেষণার প্রধান অধ্যাপক চৌধুরী সারোয়ার জাহানের মতে, পদ্মা ও যমুনার প্রবাহ কমে যাওয়া এবং শুকনো মৌসুমে কৃষিকাজে অতিরিক্ত পানি তোলার কারণে চলনবিলের ভূগর্ভস্থ জলস্তর বিপজ্জনকভাবে নেমে যাচ্ছে, যা পরিবেশ বিপর্যয়ের স্পষ্ট লক্ষণ। ১৯৮৫ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে উত্তরাঞ্চলের ১৬ জেলায় সেচের আওতাভুক্ত জমি ৬ লাখ ৬৫ হাজার ৬৭৫ হেক্টর থেকে বেড়ে ২৪ লাখ ৪৬ হাজার ৪২৮ হেক্টরে পৌঁছেছে। এছাড়া নাটোরে বিএডিসির তথ্যানুযায়ী, ২০১৯-২০ মৌসুমে বিদ্যুৎ ও ডিজেলচালিত সেচযন্ত্র যেখানে ছিল ৩৬ হাজার ৫০৫টি, ২০২৫-২৬ সালে তা বেড়ে হয়েছে ৪৪ হাজার ২২৯টি। বিএডিসির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাজ্জাদ হোসেনও স্বীকার করেছেন যে, সেচযন্ত্রের বৃদ্ধি পানির স্তরে বিরূপ প্রভাব ফেলছে।

একই সাথে অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ আশঙ্কাজনকভাবে হ্রাস পেয়েছে। ১৯৯০ থেকে ১৯৯৪ সময়কালে এ অঞ্চলে বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত ছিল ১ হাজার ৫৯৫ মিলিমিটার, যা ২০২৪ সালে কমে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৩৭০ মিলিমিটারে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক মতিন উদ্দিন খান উল্লেখ করেন, বৃষ্টিপাত কমে যাওয়া ও ভূগর্ভস্থ পানির যথেচ্ছ ব্যবহারই সংকটের মূল কারণ। বিদ্যমান সংকট নিরসনে তিনি চলনবিল অঞ্চলে ভূগর্ভস্থ পানির বদলে ভূ-উপরিস্থ পানির ব্যবহার বৃদ্ধির তাগিদ দেন।

ইবতেদায়ি ও দাখিল বৃত্তি পরীক্ষার কেন্দ্রতালিকা প্রকাশ, সংশোধনের সুযোগ ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৪৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ইবতেদায়ি ও দাখিল বৃত্তি পরীক্ষার কেন্দ্রতালিকা প্রকাশ, সংশোধনের সুযোগ ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত

মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড

বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দের ইবতেদায়ি ৫ম ও দাখিল ৮ম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষার কেন্দ্রতালিকা কেন্দ্রস্থিত মাদ্রাসার নামসহ প্রকাশ করা হয়েছে। প্রকাশিত তালিকায় থাকা কেন্দ্রের মাদ্রাসার নামে কোনো প্রকার সংশোধনের প্রয়োজন থাকলে আগামী ১৭ অক্টোবরের মধ্যে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানের দপ্তরে ই-মেইলে লিখিত আবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এদিকে ক্যাডেট কলেজে ভর্তির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে, যেখানে পরীক্ষার নম্বর কমানো হয়েছে এবং আগামী ১ নভেম্বর থেকে আবেদন গ্রহণ শুরু হবে। এ ছাড়া সাম্প্রতিক পরিসংখ্যানে জানা গেছে, গত এক বছরে মাধ্যমিক স্তরে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৪ লাখ কমলেও মাদ্রাসা ও ইংরেজি মাধ্যমে শিক্ষার্থীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।