খুঁজুন
advertisement
advertisement
রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬, ২ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

অবৈধ মুঠোফোন বন্ধে ফের এনইআইআর চালুর তোড়জোড়, প্রাধান্য পাচ্ছে বৈধ সেটের দাম কমানো

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ৩:১৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
অবৈধ মুঠোফোন বন্ধে ফের এনইআইআর চালুর তোড়জোড়, প্রাধান্য পাচ্ছে বৈধ সেটের দাম কমানো

মুঠোফোন

দেশের বাজারে অবৈধ মুঠোফোন সেটের ব্যবহার বন্ধ করতে তৃতীয়বারের মতো ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) চালুর উদ্যোগ নিয়েছে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি। আগামী বছরের ১ জানুয়ারি থেকে দুই ধাপে এই প্রক্রিয়া বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। তবে সরকারের নীতিগত অবস্থান হলো, বৈধ হ্যান্ডসেটের দাম সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের মধ্যে না এনে এই ব্যবস্থা পুরোপুরি কার্যকর করা হবে না। কেন্দ্রীয় এই তথ্যভান্ডারের মাধ্যমে মুঠোফোনের আইএমইআই নম্বর যাচাই করে নেটওয়ার্ক থেকে চুরি হওয়া বা অননুমোদিত হ্যান্ডসেট নিষ্ক্রিয় করা সম্ভব।

বিটিআরসির পরিকল্পনা অনুযায়ী, দুই ধাপে এই ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করা হবে। প্রথম পর্যায়ে বৈধ উপায়ে দেশে উৎপাদিত ও আমদানিকৃত ফোনসেটগুলো শনাক্ত করা হবে, তবে সে সময় নিবন্ধন বাতিলের ব্যবস্থা বা ডি-রেজিস্ট্রেশন রাখা হবে না। পরবর্তীতে দ্বিতীয় ধাপে সর্বশেষ বা প্রকৃত মালিকের ব্যবহার নিশ্চিতে ডি-রেজিস্ট্রেশন সেবা চালু করা হবে। এর আগে অনানুষ্ঠানিক ফোনের কারণে বছরে দুই হাজার কোটি টাকার রাজস্ব হারানোর বিষয়টি উল্লেখ করে ২০২৪ সালের ২৯ অক্টোবর বিটিআরসিকে পদক্ষেপ নিতে চিঠি পাঠিয়েছিল এনবিআর। যার ধারাবাহিকতায় ২০২৫ সালের ২৮ জুন ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ অনুমোদন দেয় এবং একই বছরের ১ ডিসেম্বর পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত হয়। ২০২১ সালের ১ জুলাই পরীক্ষামূলক চালুর পর ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি স্বয়ংক্রিয় বন্ধের সুবিধাসহ ব্যবস্থাটি কার্যকরের কথা থাকলেও ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে ব্যবসায়ীদের ক্ষোভ এবং জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে কঠোর ফিচারগুলো স্থগিত রাখা হয়েছিল।

পরবর্তীতে চলতি বছরের ৯ জুন অর্থনৈতিক ও জননিরাপত্তার স্বার্থে ব্যবস্থাটি পূর্ণাঙ্গ রূপ দেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে বিটিআরসিকে বার্তা দেয় জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই)। এরপর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ২ জুলাই এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর উপস্থিতিতে ২২ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত পৃথক বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে পর্যালোচনা হয়। ওই বৈঠকেই ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারির মধ্যে এনইআইআর চালুর তৃতীয় দফার এই প্রস্তাব আসে। বিষয়টি নিয়ে চূড়ান্ত সম্মতির জন্য ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগে চিঠি পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে বিটিআরসি। তবে সরকার সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা ছাড়া তড়িঘড়ি কোনো পদক্ষেপ নিতে আগ্রহী নয়।

এ প্রসঙ্গে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম প্রথম আলোকে জানিয়েছেন, সরকারি রাজস্ব বৃদ্ধির জন্য অবৈধ হ্যান্ডসেট বন্ধ করা জরুরি হলেও ক্রেতাসাধারণের ওপর এর প্রভাব বিবেচনা করা হচ্ছে। বৈধ ফোনের দাম সহনীয় রাখা গেলে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন সহজ হবে বলে হ্যান্ডসেট উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সরকার আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। অন্যথায় সাধারণ গ্রাহকদের ওপর বাড়তি খরচের চাপ তৈরি হতে পারে।

এদিকে স্থানীয় কারখানায় মূলত নিম্ন ও মাঝারি বাজেটের ফোন সংযোজিত হলেও বিশেষায়িত যন্ত্রাংশ, জটিল সরবরাহ ব্যবস্থা এবং সীমিত চাহিদার কারণে অ্যাপল, গুগল, হুয়াওয়ে, মটোরোলা, স্যামসাং ও শাওমির মতো ব্র্যান্ডের প্রিমিয়াম মডেল বাণিজ্যিকভাবে তৈরি সম্ভব হচ্ছে না। দামের ব্যবধান কমাতে চলতি বছরের শুরুতে আমদানি শুল্ক হ্রাস করা হলেও বাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়েনি। উল্টো বিশ্ববাজারে মেমোরি চিপের দাম বাড়ার অজুহাতে আগেই সেটপ্রতি ৫০০ থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়। ব্যবসায়ীদের দেওয়া তথ্যমতে, চলতি বছরের শুরুতে ১৩ হাজার টাকায় বিক্রি হওয়া স্মার্টফোনের দাম সেপ্টেম্বরে বেড়ে প্রায় ১৮ হাজার টাকায় পৌঁছেছে এবং বছর শেষে সর্বনিম্ন মডেলের দামও ২৫ হাজার টাকায় ঠেকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বৈশ্বিক মেমোরি চিপের স্বল্পতার কারণে উৎপাদন খরচ ও দাম বৃদ্ধির কথা জানিয়েছেন এক্সেল টেলিকমের (স্যামসাং) নির্বাহী পরিচালক সাইফুদ্দিন টিপু। অন্যদিকে বৈধ প্রস্তুতকারকদের তথ্যমতে, দেশের বাজারে বিক্রি হওয়া আনঅফিশিয়াল ফোনের অন্তত ৭৫ শতাংশই মূলত রিফার্বিশড ও ব্যবহৃত ফোন, যা দীর্ঘমেয়াদে ব্যবহারকারীদের ক্ষতির কারণ হচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যপ্রযুক্তি ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক বি এম মইনুল হোসেন প্রথম আলোকে জানান, বিভিন্ন দেশ শুল্ক কমিয়ে ফোনের দাম নাগালের মধ্যে রেখেছে। ক্যামেরা, ডিসপ্লে ও ব্যাটারির মতো যন্ত্রাংশের আমদানি শুল্ক কমাতে পারলে স্থানীয়ভাবে তৈরি ফোনের দাম কমবে; অন্যথায় দাম নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হলে এনইআইআর বাস্তবায়ন বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে।

advertisement
advertisement

অস্ট্রেলিয়ার ঘরোয়া ক্রিকেটে ঝড়: মাত্র ১৪ বলে ফিফটি হাঁকালেন ফ্রেজার–ম্যাগার্ক

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২:৫৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
অস্ট্রেলিয়ার ঘরোয়া ক্রিকেটে ঝড়: মাত্র ১৪ বলে ফিফটি হাঁকালেন ফ্রেজার–ম্যাগার্ক

জেইক ফ্রেজার–ম্যাগার্ক

২০২৩ সালের অক্টোবরে লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে এবি ডি ভিলিয়ার্সের দ্রুততম শতকের রেকর্ড ভেঙে ক্রিকেটবিশ্বে আলোড়ন তুলেছিলেন জেইক ফ্রেজার–ম্যাগার্ক। সে সময় অজি ক্রিকেটে আলোচনা শুরু হয়েছিল—তিনি কি ডেভিড ওয়ার্নারের উত্তরসূরি হবেন, নাকি লেগ স্পিনের দক্ষতার কারণে পরবর্তী শহীদ আফ্রিদি হয়ে উঠবেন? তবে সাম্প্রতিক সময়ে পারফরম্যান্সের ঘাটতিতে যেন কিছুটা হারিয়ে গিয়েছিলেন তিনি। গত বছরের জুলাইয়ে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে সর্বশেষ মাঠে নামা এই ব্যাটার ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দলেও সুযোগ পাননি। নিয়মিত ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট খেললেও সর্বশেষ আইপিএলের নিলামে ছিলেন অবিক্রীত।

তবে ফ্রেজার–ম্যাগার্ক যে ফুরিয়ে যাননি, অস্ট্রেলিয়ার ঘরোয়া ওয়ানডে কাপে তা আবারও প্রমাণ করলেন। গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের দৃষ্টিতে ‘অসীম প্রতিভাধর’ এই ব্যাটার অ্যাডিলেডে কুইন্সল্যান্ডের বিপক্ষে ৬৩ বলে ১২২ রানের এক বিধ্বংসী ইনিংস উপহার দেন। সাউথ অস্ট্রেলিয়ার জার্সিতে ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে একাই ২২ রান ও চতুর্থ ওভারে ১৭ রান তোলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত মাত্র ১৪ বলে ফিফটি ও ৪৯ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। যদিও ২০২৩ সালের মার্শ কাপে এবি ডি ভিলিয়ার্সকে ছাড়িয়ে গড়া নিজের ২৯ বলে শতকের রেকর্ড ভাঙতে পারেননি, তবে অস্ট্রেলিয়ার ঘরোয়া ক্রিকেটে দ্রুততম হাফ সেঞ্চুরির নতুন কীর্তি গড়েছেন ২৪ বছর বয়সী এই ওপেনার।

এই ইনিংসের মাধ্যমে লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে নিজের ১৮ বলের ফিফটির রেকর্ড ভেঙেছেন ফ্রেজার–ম্যাগার্ক। এই সংস্করণে সব মিলিয়ে এটি যৌথভাবে চতুর্থ দ্রুততম ফিফটি, যেখানে মাত্র ৩ বলের ব্যবধানে তিনি ভাঙতে পারেননি বৈভব সূর্যবংশীর ১১ বলে ফিফটির নজির। ক্যারেন রোলটন ওভালে ১০টি চার ও ৯টি ছক্কায় সাজানো এই ইনিংসের পর মাঠটিতে তাঁর দুর্দান্ত পরিসংখ্যান আরও উজ্জ্বল হলো। এই ভেন্যুতে খেলা ছয় ইনিংসে তাঁর দুটি সেঞ্চুরি ও একটি ৮৮ রানের ইনিংস রয়েছে, যেখানে গড় ৬৮.৬৬ এবং স্ট্রাইক রেট ২০৪.৯৭। বিপরীতে তাঁর সামগ্রিক লিস্ট ‘এ’ ক্যারিয়ারের ৩৭ ইনিংসে ব্যাটিং গড় ২৬.৫ এবং স্ট্রাইক রেট ১৩২.৮৩।

শুকিয়ে যাচ্ছে চলনবিল: ভূগর্ভস্থ পানির উচ্চ সম্ভাবনা কেবল ১ শতাংশ এলাকায়, গবেষণায় অশনিসংকেত

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২:৩৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
শুকিয়ে যাচ্ছে চলনবিল: ভূগর্ভস্থ পানির উচ্চ সম্ভাবনা কেবল ১ শতাংশ এলাকায়, গবেষণায় অশনিসংকেত

শরৎকালে চলনবিলের প্রকৃতি। পাবনার চাটমোহরে

নাটোরের সিংড়া উপজেলার চৌগ্রাম ইউনিয়নের বড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা মোহাম্মদ লিটনের স্মৃতিতে শৈশবের চলনবিল ছিল এক অথৈ সমুদ্রের মতো। আগে আশ্বিন গড়িয়ে অগ্রহায়ণ মাস পর্যন্ত সেখানে থইথই পানি থাকলেও এখন এই সময়েই চারপাশ পানিশূন্য রূপ নেয়। কমে গেছে মাছের দেখাও। দেশের অন্যতম এই বৃহৎ জলাভূমির বর্তমান বাস্তবতা নিয়ে সম্প্রতি প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে, চলনবিলের ভূগর্ভস্থ পানির আধার মারাত্মক ঝুঁকির মুখে রয়েছে এবং এর মাত্র ১ শতাংশ অঞ্চলে পানির সম্ভাবনা ‘খুব বেশি’।

চলতি মাসে ‘ডিসকভার জিওসায়েন্স’ সাময়িকীতে প্রকাশিত এই গবেষণাটি পরিচালনা করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের গবেষকেরা। রাজশাহী বিভাগের নাটোর, সিরাজগঞ্জ ও পাবনা জেলার ৫ হাজার ৯৭ বর্গকিলোমিটার এলাকা নিয়ে গবেষণাটি সম্পন্ন হয়। এর আওতায় নাটোরের সিংড়া ও গুরুদাসপুর, পাবনার চাটমোহর ও ভাঙ্গুড়া এবং সিরাজগঞ্জের তাড়াশ, রায়গঞ্জ ও উল্লাপাড়া উপজেলা অন্তর্ভুক্ত ছিল। প্রাপ্ত ফলাফলে দেখা যায়, চলনবিলের মাত্র ৬৫ বর্গকিলোমিটার এলাকায় ভূগর্ভস্থ পানির সঞ্চয় খুব ভালো। বিপরীতে ৩ হাজার ৯৩৩ বর্গকিলোমিটার বা ৭৭ শতাংশ এলাকায় সম্ভাবনা মাঝারি এবং ১ হাজার ৯৯ বর্গকিলোমিটার বা ২২ শতাংশ এলাকায় সম্ভাবনা অত্যন্ত কম।

গবেষকেরা ১৯৯০ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন উপাত্ত, স্যাটেলাইট চিত্র ও জিআইএস প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে বৃষ্টিপাত, মাটির ধরন, ভূগর্ভস্থ পানির গভীরতা ও উদ্ভিদের পরিবর্তনসহ ১৭টি উপাদান বিশ্লেষণ করেন। এতে তথ্য সংগ্রহ করা হয় যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা, ল্যান্ডস্যাট-৮ স্যাটেলাইট, ক্লাইমেট রিসার্চ ইউনিট, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল ও বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকে। গবেষণা দলের সদস্য ওয়াহিদুল আলম জানান, উচ্চ সম্ভাবনাময় অংশে বর্ষায় সর্বনিম্ন ৮ মিটার ও শুকনায় ২০ মিটারে পানি মিললেও কম সম্ভাবনার স্থানে শুকনো মৌসুমে পানি পেতে ৪০ মিটার পর্যন্ত গভীরে যেতে হয়। এলাকার ৪৪ শতাংশ অংশ কাদামাটি হওয়ায় মাটির নিচে পানি প্রবেশে স্বাভাবিকভাবেই বাধা তৈরি হয়।

গবেষণার প্রধান অধ্যাপক চৌধুরী সারোয়ার জাহানের মতে, পদ্মা ও যমুনার প্রবাহ কমে যাওয়া এবং শুকনো মৌসুমে কৃষিকাজে অতিরিক্ত পানি তোলার কারণে চলনবিলের ভূগর্ভস্থ জলস্তর বিপজ্জনকভাবে নেমে যাচ্ছে, যা পরিবেশ বিপর্যয়ের স্পষ্ট লক্ষণ। ১৯৮৫ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে উত্তরাঞ্চলের ১৬ জেলায় সেচের আওতাভুক্ত জমি ৬ লাখ ৬৫ হাজার ৬৭৫ হেক্টর থেকে বেড়ে ২৪ লাখ ৪৬ হাজার ৪২৮ হেক্টরে পৌঁছেছে। এছাড়া নাটোরে বিএডিসির তথ্যানুযায়ী, ২০১৯-২০ মৌসুমে বিদ্যুৎ ও ডিজেলচালিত সেচযন্ত্র যেখানে ছিল ৩৬ হাজার ৫০৫টি, ২০২৫-২৬ সালে তা বেড়ে হয়েছে ৪৪ হাজার ২২৯টি। বিএডিসির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাজ্জাদ হোসেনও স্বীকার করেছেন যে, সেচযন্ত্রের বৃদ্ধি পানির স্তরে বিরূপ প্রভাব ফেলছে।

একই সাথে অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ আশঙ্কাজনকভাবে হ্রাস পেয়েছে। ১৯৯০ থেকে ১৯৯৪ সময়কালে এ অঞ্চলে বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত ছিল ১ হাজার ৫৯৫ মিলিমিটার, যা ২০২৪ সালে কমে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৩৭০ মিলিমিটারে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক মতিন উদ্দিন খান উল্লেখ করেন, বৃষ্টিপাত কমে যাওয়া ও ভূগর্ভস্থ পানির যথেচ্ছ ব্যবহারই সংকটের মূল কারণ। বিদ্যমান সংকট নিরসনে তিনি চলনবিল অঞ্চলে ভূগর্ভস্থ পানির বদলে ভূ-উপরিস্থ পানির ব্যবহার বৃদ্ধির তাগিদ দেন।

ইবতেদায়ি ও দাখিল বৃত্তি পরীক্ষার কেন্দ্রতালিকা প্রকাশ, সংশোধনের সুযোগ ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৪৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ইবতেদায়ি ও দাখিল বৃত্তি পরীক্ষার কেন্দ্রতালিকা প্রকাশ, সংশোধনের সুযোগ ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত

মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড

বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দের ইবতেদায়ি ৫ম ও দাখিল ৮ম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষার কেন্দ্রতালিকা কেন্দ্রস্থিত মাদ্রাসার নামসহ প্রকাশ করা হয়েছে। প্রকাশিত তালিকায় থাকা কেন্দ্রের মাদ্রাসার নামে কোনো প্রকার সংশোধনের প্রয়োজন থাকলে আগামী ১৭ অক্টোবরের মধ্যে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানের দপ্তরে ই-মেইলে লিখিত আবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এদিকে ক্যাডেট কলেজে ভর্তির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে, যেখানে পরীক্ষার নম্বর কমানো হয়েছে এবং আগামী ১ নভেম্বর থেকে আবেদন গ্রহণ শুরু হবে। এ ছাড়া সাম্প্রতিক পরিসংখ্যানে জানা গেছে, গত এক বছরে মাধ্যমিক স্তরে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৪ লাখ কমলেও মাদ্রাসা ও ইংরেজি মাধ্যমে শিক্ষার্থীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।