খুঁজুন
advertisement
advertisement
রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬, ২ কার্তিক, ১৪৩৩
advertisement

আইডি হ্যাকের অজুহাতেও শেষরক্ষা হলো না পল্টুদার, লাইভ দেখে মারা গেলেন কাউন্সিলর কাশেম

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ৬:১৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
আইডি হ্যাকের অজুহাতেও শেষরক্ষা হলো না পল্টুদার, লাইভ দেখে মারা গেলেন কাউন্সিলর কাশেম

এলাকার মোড়ে চায়ের দোকানে বসে এক কাপ লিকার-চা সামনে নিয়ে উদ্বেগের সঙ্গে পা নাচাচ্ছিলেন পল্টুদা। স্থানীয় আবদুল্লাহপুরের কাউন্সিলর কাশেম ব্যাপারীর যাবতীয় বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের অন্যতম সহযোগী হিসেবে পরিচিত এই পল্টুদা। তবে সম্প্রতি তাঁদের দুজনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কে টানাপোড়েন শুরু হওয়ার গুঞ্জন চলছিল। সকালে নাশতার সুবিধা নেওয়ার আশায় সেখানে উপস্থিত হয়ে পল্টুদার উদ্বেগের কারণ জানতে চাইলে তিনি জানান, তাঁর জীবন এখন চরম ঝুঁকিতে। পারিবারিক অশান্তি নয়, বরং কাউন্সিলরের সঙ্গে জটিলতাই তাঁর এই দুশ্চিন্তার মূল কারণ। ব্যাপারীর বহু গোপন নথিপত্র পল্টুদার কাছে সংরক্ষিত রয়েছে। এর মধ্যে কয়েক দিন আগে স্থানীয় একটি প্রাইমারি স্কুলের প্রাচীর ঘেঁষে ব্যাপারীর মূত্রত্যাগের দৃশ্যটি প্রয়োজনে কাজে লাগানোর উদ্দেশে ক্যামেরাবন্দী করে রেখেছিলেন তিনি।

বিপত্তি ঘটে আগের রাতে জসিমের বিয়ের অনুষ্ঠানে খাবার-দাবারের অনিয়মজনিত অসতর্কতায়। পল্টুদা অসচেতনভাবেই সেই আপত্তিকর ছবিটি ফেসবুকে আপলোড করে ক্যাপশন জুড়ে দেন, ‘কাশেম ব্যাপারীর উন্নয়নের জোয়ারে ভাসছে আবদুল্লাহপুর!’ সকালে সম্বিৎ ফিরে পেয়ে তিনি দ্রুত পোস্টটি মুছে ফেললেও ততক্ষণে চরম বিপর্যয় ঘটে গেছে। মাঝরাতে ওই পোস্ট দেখার পরপরই স্ট্রোক করেন ব্যাপারী এবং তাঁকে তাৎক্ষণিকভাবে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তি করা হয়। ব্যাপারীর মৃত্যু হলে কারাদণ্ড নিশ্চিত জেনে পল্টুদা মুক্তির উপায় হিসেবে মফিজের পরামর্শ চান। পরিস্থিতি সামাল দিতে মফিজ তাঁকে ফেসবুকে লাইভে এসে আইডি হ্যাক হওয়ার দাবি তোলার বুদ্ধি দেন। বিরোধীদের ঘাড়ে দোষ চাপিয়ে ব্যাপারীর ভূয়সী প্রশংসা করার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

উপায়ান্তর না দেখে পল্টুদা ফেসবুক লাইভে এসে বিরোধী পক্ষকে আক্রমণ করার পাশাপাশি ষাট বছর বয়সী কাউন্সিলরের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হন। লাইভ চলাকালেই নোটিফিকেশন ভেসে ওঠে, ‘কাশেম ব্যাপারী (কাউন্সিলর আবদুল্লাহপুর) ইজ ওয়াচিং ইয়োর লাইভ’। লাইভ সম্পন্ন করে স্বস্তি নিয়ে দুজনে ডিম ছাড়া জনপ্রতি ৩০ টাকার স্থানীয় বিরিয়ানি খেতে বসেন (যেখানে ডিমসহ মূল্য ছিল ৪০ টাকা)। খাওয়ার মধ্যেই বন্ধু বুলবুলের একটি সংক্ষিপ্ত ফোনকল আসে। বুলবুল জানায়, কাউন্সিলর কাশেম ব্যাপারী শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। জীবন থেকেই তাঁর স্থায়ী বিচ্ছেদ ঘটার খবর শুনে মফিজ পল্টুদাকে সতর্ক করে দ্রুত এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে যাওয়ার তাগিদ দেন।

advertisement
advertisement

অস্ট্রেলিয়ার ঘরোয়া ক্রিকেটে ঝড়: মাত্র ১৪ বলে ফিফটি হাঁকালেন ফ্রেজার–ম্যাগার্ক

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২:৫৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
অস্ট্রেলিয়ার ঘরোয়া ক্রিকেটে ঝড়: মাত্র ১৪ বলে ফিফটি হাঁকালেন ফ্রেজার–ম্যাগার্ক

জেইক ফ্রেজার–ম্যাগার্ক

২০২৩ সালের অক্টোবরে লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে এবি ডি ভিলিয়ার্সের দ্রুততম শতকের রেকর্ড ভেঙে ক্রিকেটবিশ্বে আলোড়ন তুলেছিলেন জেইক ফ্রেজার–ম্যাগার্ক। সে সময় অজি ক্রিকেটে আলোচনা শুরু হয়েছিল—তিনি কি ডেভিড ওয়ার্নারের উত্তরসূরি হবেন, নাকি লেগ স্পিনের দক্ষতার কারণে পরবর্তী শহীদ আফ্রিদি হয়ে উঠবেন? তবে সাম্প্রতিক সময়ে পারফরম্যান্সের ঘাটতিতে যেন কিছুটা হারিয়ে গিয়েছিলেন তিনি। গত বছরের জুলাইয়ে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে সর্বশেষ মাঠে নামা এই ব্যাটার ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দলেও সুযোগ পাননি। নিয়মিত ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট খেললেও সর্বশেষ আইপিএলের নিলামে ছিলেন অবিক্রীত।

তবে ফ্রেজার–ম্যাগার্ক যে ফুরিয়ে যাননি, অস্ট্রেলিয়ার ঘরোয়া ওয়ানডে কাপে তা আবারও প্রমাণ করলেন। গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের দৃষ্টিতে ‘অসীম প্রতিভাধর’ এই ব্যাটার অ্যাডিলেডে কুইন্সল্যান্ডের বিপক্ষে ৬৩ বলে ১২২ রানের এক বিধ্বংসী ইনিংস উপহার দেন। সাউথ অস্ট্রেলিয়ার জার্সিতে ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে একাই ২২ রান ও চতুর্থ ওভারে ১৭ রান তোলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত মাত্র ১৪ বলে ফিফটি ও ৪৯ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। যদিও ২০২৩ সালের মার্শ কাপে এবি ডি ভিলিয়ার্সকে ছাড়িয়ে গড়া নিজের ২৯ বলে শতকের রেকর্ড ভাঙতে পারেননি, তবে অস্ট্রেলিয়ার ঘরোয়া ক্রিকেটে দ্রুততম হাফ সেঞ্চুরির নতুন কীর্তি গড়েছেন ২৪ বছর বয়সী এই ওপেনার।

এই ইনিংসের মাধ্যমে লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে নিজের ১৮ বলের ফিফটির রেকর্ড ভেঙেছেন ফ্রেজার–ম্যাগার্ক। এই সংস্করণে সব মিলিয়ে এটি যৌথভাবে চতুর্থ দ্রুততম ফিফটি, যেখানে মাত্র ৩ বলের ব্যবধানে তিনি ভাঙতে পারেননি বৈভব সূর্যবংশীর ১১ বলে ফিফটির নজির। ক্যারেন রোলটন ওভালে ১০টি চার ও ৯টি ছক্কায় সাজানো এই ইনিংসের পর মাঠটিতে তাঁর দুর্দান্ত পরিসংখ্যান আরও উজ্জ্বল হলো। এই ভেন্যুতে খেলা ছয় ইনিংসে তাঁর দুটি সেঞ্চুরি ও একটি ৮৮ রানের ইনিংস রয়েছে, যেখানে গড় ৬৮.৬৬ এবং স্ট্রাইক রেট ২০৪.৯৭। বিপরীতে তাঁর সামগ্রিক লিস্ট ‘এ’ ক্যারিয়ারের ৩৭ ইনিংসে ব্যাটিং গড় ২৬.৫ এবং স্ট্রাইক রেট ১৩২.৮৩।

শুকিয়ে যাচ্ছে চলনবিল: ভূগর্ভস্থ পানির উচ্চ সম্ভাবনা কেবল ১ শতাংশ এলাকায়, গবেষণায় অশনিসংকেত

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২:৩৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
শুকিয়ে যাচ্ছে চলনবিল: ভূগর্ভস্থ পানির উচ্চ সম্ভাবনা কেবল ১ শতাংশ এলাকায়, গবেষণায় অশনিসংকেত

শরৎকালে চলনবিলের প্রকৃতি। পাবনার চাটমোহরে

নাটোরের সিংড়া উপজেলার চৌগ্রাম ইউনিয়নের বড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা মোহাম্মদ লিটনের স্মৃতিতে শৈশবের চলনবিল ছিল এক অথৈ সমুদ্রের মতো। আগে আশ্বিন গড়িয়ে অগ্রহায়ণ মাস পর্যন্ত সেখানে থইথই পানি থাকলেও এখন এই সময়েই চারপাশ পানিশূন্য রূপ নেয়। কমে গেছে মাছের দেখাও। দেশের অন্যতম এই বৃহৎ জলাভূমির বর্তমান বাস্তবতা নিয়ে সম্প্রতি প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে, চলনবিলের ভূগর্ভস্থ পানির আধার মারাত্মক ঝুঁকির মুখে রয়েছে এবং এর মাত্র ১ শতাংশ অঞ্চলে পানির সম্ভাবনা ‘খুব বেশি’।

চলতি মাসে ‘ডিসকভার জিওসায়েন্স’ সাময়িকীতে প্রকাশিত এই গবেষণাটি পরিচালনা করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের গবেষকেরা। রাজশাহী বিভাগের নাটোর, সিরাজগঞ্জ ও পাবনা জেলার ৫ হাজার ৯৭ বর্গকিলোমিটার এলাকা নিয়ে গবেষণাটি সম্পন্ন হয়। এর আওতায় নাটোরের সিংড়া ও গুরুদাসপুর, পাবনার চাটমোহর ও ভাঙ্গুড়া এবং সিরাজগঞ্জের তাড়াশ, রায়গঞ্জ ও উল্লাপাড়া উপজেলা অন্তর্ভুক্ত ছিল। প্রাপ্ত ফলাফলে দেখা যায়, চলনবিলের মাত্র ৬৫ বর্গকিলোমিটার এলাকায় ভূগর্ভস্থ পানির সঞ্চয় খুব ভালো। বিপরীতে ৩ হাজার ৯৩৩ বর্গকিলোমিটার বা ৭৭ শতাংশ এলাকায় সম্ভাবনা মাঝারি এবং ১ হাজার ৯৯ বর্গকিলোমিটার বা ২২ শতাংশ এলাকায় সম্ভাবনা অত্যন্ত কম।

গবেষকেরা ১৯৯০ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন উপাত্ত, স্যাটেলাইট চিত্র ও জিআইএস প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে বৃষ্টিপাত, মাটির ধরন, ভূগর্ভস্থ পানির গভীরতা ও উদ্ভিদের পরিবর্তনসহ ১৭টি উপাদান বিশ্লেষণ করেন। এতে তথ্য সংগ্রহ করা হয় যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা, ল্যান্ডস্যাট-৮ স্যাটেলাইট, ক্লাইমেট রিসার্চ ইউনিট, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল ও বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকে। গবেষণা দলের সদস্য ওয়াহিদুল আলম জানান, উচ্চ সম্ভাবনাময় অংশে বর্ষায় সর্বনিম্ন ৮ মিটার ও শুকনায় ২০ মিটারে পানি মিললেও কম সম্ভাবনার স্থানে শুকনো মৌসুমে পানি পেতে ৪০ মিটার পর্যন্ত গভীরে যেতে হয়। এলাকার ৪৪ শতাংশ অংশ কাদামাটি হওয়ায় মাটির নিচে পানি প্রবেশে স্বাভাবিকভাবেই বাধা তৈরি হয়।

গবেষণার প্রধান অধ্যাপক চৌধুরী সারোয়ার জাহানের মতে, পদ্মা ও যমুনার প্রবাহ কমে যাওয়া এবং শুকনো মৌসুমে কৃষিকাজে অতিরিক্ত পানি তোলার কারণে চলনবিলের ভূগর্ভস্থ জলস্তর বিপজ্জনকভাবে নেমে যাচ্ছে, যা পরিবেশ বিপর্যয়ের স্পষ্ট লক্ষণ। ১৯৮৫ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে উত্তরাঞ্চলের ১৬ জেলায় সেচের আওতাভুক্ত জমি ৬ লাখ ৬৫ হাজার ৬৭৫ হেক্টর থেকে বেড়ে ২৪ লাখ ৪৬ হাজার ৪২৮ হেক্টরে পৌঁছেছে। এছাড়া নাটোরে বিএডিসির তথ্যানুযায়ী, ২০১৯-২০ মৌসুমে বিদ্যুৎ ও ডিজেলচালিত সেচযন্ত্র যেখানে ছিল ৩৬ হাজার ৫০৫টি, ২০২৫-২৬ সালে তা বেড়ে হয়েছে ৪৪ হাজার ২২৯টি। বিএডিসির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাজ্জাদ হোসেনও স্বীকার করেছেন যে, সেচযন্ত্রের বৃদ্ধি পানির স্তরে বিরূপ প্রভাব ফেলছে।

একই সাথে অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ আশঙ্কাজনকভাবে হ্রাস পেয়েছে। ১৯৯০ থেকে ১৯৯৪ সময়কালে এ অঞ্চলে বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত ছিল ১ হাজার ৫৯৫ মিলিমিটার, যা ২০২৪ সালে কমে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৩৭০ মিলিমিটারে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক মতিন উদ্দিন খান উল্লেখ করেন, বৃষ্টিপাত কমে যাওয়া ও ভূগর্ভস্থ পানির যথেচ্ছ ব্যবহারই সংকটের মূল কারণ। বিদ্যমান সংকট নিরসনে তিনি চলনবিল অঞ্চলে ভূগর্ভস্থ পানির বদলে ভূ-উপরিস্থ পানির ব্যবহার বৃদ্ধির তাগিদ দেন।

ইবতেদায়ি ও দাখিল বৃত্তি পরীক্ষার কেন্দ্রতালিকা প্রকাশ, সংশোধনের সুযোগ ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৪৫ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ইবতেদায়ি ও দাখিল বৃত্তি পরীক্ষার কেন্দ্রতালিকা প্রকাশ, সংশোধনের সুযোগ ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত

মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড

বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দের ইবতেদায়ি ৫ম ও দাখিল ৮ম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষার কেন্দ্রতালিকা কেন্দ্রস্থিত মাদ্রাসার নামসহ প্রকাশ করা হয়েছে। প্রকাশিত তালিকায় থাকা কেন্দ্রের মাদ্রাসার নামে কোনো প্রকার সংশোধনের প্রয়োজন থাকলে আগামী ১৭ অক্টোবরের মধ্যে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানের দপ্তরে ই-মেইলে লিখিত আবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এদিকে ক্যাডেট কলেজে ভর্তির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে, যেখানে পরীক্ষার নম্বর কমানো হয়েছে এবং আগামী ১ নভেম্বর থেকে আবেদন গ্রহণ শুরু হবে। এ ছাড়া সাম্প্রতিক পরিসংখ্যানে জানা গেছে, গত এক বছরে মাধ্যমিক স্তরে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৪ লাখ কমলেও মাদ্রাসা ও ইংরেজি মাধ্যমে শিক্ষার্থীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।