খুঁজুন
advertisement
advertisement
শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৩১ আশ্বিন, ১৪৩৩
advertisement

চাঁদাবাজি দমনে কঠোর আইনের উদ্যোগ সরকারের, পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থার বিবরণ সংসদীয় কমিটিতে

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ২:১৩ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
চাঁদাবাজি দমনে কঠোর আইনের উদ্যোগ সরকারের, পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থার বিবরণ সংসদীয় কমিটিতে

চাঁদাবাজি

ভয়ের কারণে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ না করলেও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে যাতে পুলিশ নিজে বাদী হয়ে পদক্ষেপ নিতে পারে, সে লক্ষ্যে বিদ্যমান ফৌজদারি দণ্ডবিধি সংশোধন অথবা স্বতন্ত্র নতুন আইন প্রণয়নের পরিকল্পনা করছে সরকার। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়–সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে উপস্থাপিত গত ১৩ আগস্টের কার্যবিবরণী থেকে এ তথ্য জানা যায়। ওই বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দীন আহমদ জানান, পেনাল কোডের আইনি দুর্বলতা কাটিয়ে উঠতে এবং চাঁদাবাজ ও তাদের নেপথ্যে থাকা গডফাদারদের শনাক্ত করতে বডি ক্যামেরা ব্যবহারের সিদ্ধান্ত হয়েছে, যার অডিও ও ভিডিও আদালতে সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণযোগ্য করার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে লঘু শাস্তির পরিবর্তে কঠোর সাজা নিশ্চিত করতে আইনি সংস্কারের কথাও জানান তিনি।

বৃহস্পতিবারের বৈঠকে চাঁদাবাজি, ছিনতাই, কিশোর গ্যাং, মাদক ও সংঘবদ্ধ অপরাধ মোকাবিলার পাশাপাশি ২০২৪ সালের গণ–অভ্যুত্থানে বিতর্কিত ভূমিকা পালনকারী পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে গৃহীত বিভাগীয় ব্যবস্থার খতিয়ান তুলে ধরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। প্রতিবেদনে জানানো হয়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পটপরিবর্তনের পর পলায়নের দায়ে বিসিএস পুলিশ ক্যাডারের ৬২ জনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হয়েছে; এর মধ্যে ৩১ জনকে গুরুদণ্ড বা চাকরিচ্যুত করা হয়েছে এবং বাকি ৩১ জনের বিচারপ্রক্রিয়া চলমান। এছাড়া গণ–অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) থেকে তদূর্ধ্ব পর্যায়ের ১৪৭ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর দেওয়া হয়েছে এবং ৭৩ জন পুলিশ পরিদর্শককে জনস্বার্থে অবসর দেওয়া হয়েছে। আইসিটি মামলার রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে এএসপি ও তদূর্ধ্ব ১৩ কর্মকর্তার মধ্যে ৫ জনকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে এবং ৮ জনের বিভাগীয় মামলা চলছে। ফৌজদারি ও আইসিটি মামলায় ধৃত ২৯ কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তারের তারিখ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে, যাদের মধ্যে ডিআইজি পদমর্যাদার দুজনকে দেওয়া হয়েছে বাধ্যতামূলক অবসর।

বৈঠকে পেশকৃত চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নয় মাসের অপরাধের তুলনামূলক চিত্রে দেখা যায়, গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ধর্ষণ, মাদক ও চুরির মামলা বেড়েছে; বিপরীতে কমেছে খুন, ডাকাতি, দস্যুতা, নারী নির্যাতন ও পুলিশ আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা। সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য অগ্রগতিতে সংসদীয় কমিটি সন্তোষ প্রকাশ করেছে। এছাড়া মিরপুরের রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্য সেবাকেন্দ্রে হামলার ঘটনায় ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট এক নারী বিএনপি সংসদ সদস্যের পদত্যাগের তথ্য জানানো হয়। বৈঠকে সাইবার পুলিশ ইউনিট গঠন ও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের সুপারিশ করা হয়। কমিটির সভাপতি জয়নুল আবেদীনের সভাপতিত্বে এতে অংশ নেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দীন আহমদ এবং সদস্য মনোয়ার হোসেন, শিরীন সুলতানা, মো. নূরুল ইসলাম ও মো. আব্দুল বাতেন। এদিকে পূর্বের বৈঠকের কার্যবিবরণীতে আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির উল্লেখ করেন, মেডিক্যাল ও ইঞ্জিনিয়ারিং হলের শিক্ষার্থীদের রাত জেগে পড়ার প্রলোভন দেখিয়ে ইয়াবায় আসক্ত করা হচ্ছে, যা রোধে সচেতনতামূলক উদ্যোগ জরুরি।

advertisement
advertisement

জার্মানির পাঁচ হাজার ৭০০ রেলস্টেশনে নিষিদ্ধ হলো মদ্যপান

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ৩:২০ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
জার্মানির পাঁচ হাজার ৭০০ রেলস্টেশনে নিষিদ্ধ হলো মদ্যপান

রেলস্টেশনে মদ্যপান নিষিদ্ধ

জার্মানি জুড়ে প্রায় ৫ হাজার ৭০০টি রেলস্টেশনে মদ্যপান পুরোপুরি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকে কার্যকর হওয়া এই নিয়মের ফলে দেশটির সব রেলস্টেশনের প্ল্যাটফর্ম এখন থেকে অ্যালকোহলমুক্ত এলাকা হিসেবে বিবেচিত হবে। এর ফলে বুন্দেসলিগার ফুটবল ম্যাচ দেখতে ট্রেনে দল বেঁধে যাওয়ার পথে মদপানে অভ্যস্ত সমর্থকদের সমস্যায় পড়তে হবে।

রেলস্টেশনগুলোতে মদ সংক্রান্ত অপ্রীতিকর ঘটনা ও বিশৃঙ্খলা রোধ করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মূলত সাম্প্রতিক দুটি গুরুতর ঘটনার পর স্টেশনগুলোকে অ্যালকোহলমুক্ত করার দাবি জোরালো হয়ে ওঠে। এর একটিতে রাষ্ট্রীয় রেল সংস্থা ডয়চে বানের এক নিরাপত্তা কর্মী মদ্যপ যাত্রীর টিকিট পরীক্ষা করতে গিয়ে আক্রান্ত হন এবং দুজনের ধস্তাধস্তিতে ট্রেনের দরজা খুলে যাওয়ায় নিচে পড়ে গুরুতর আহত হন। এছাড়া চলতি বছরের শুরুর দিকে বৈধ টিকিট না থাকা এক ব্যক্তির হামলায় এক ট্রেন কন্ডাক্টর প্রাণ হারান।

নতুন এই নিয়ম জারি হলেও রেলস্টেশনের ভেতরে থাকা রেস্তোরাঁ, পাব ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে মদ পরিবেশন করা যাবে। পাশাপাশি দূরপাল্লার ট্রেনের অভ্যন্তরে থাকা ক্যাফে বা বিস্ত্রোতে আগের নিয়মেই বিয়ারসহ অন্যান্য পানীয় সরবরাহ চালু থাকবে। ডয়চে বান এক বিবৃতিতে উল্লেখ করেছে, অপেক্ষমাণ যাত্রীদের জন্য পরিবেশ নিরাপদ, পরিষ্কার এবং আরও আরামদায়ক করার লক্ষ্যেই এটি বাস্তবায়ন করা হলো। বার্লিন, মিউনিখ, হামবুর্গ ও কোলনের মতো বড় স্টেশনসহ জার্মানির প্রায় ৪০টি স্টেশনে পরীক্ষামূলকভাবে নিয়মটি চালু করে আবর্জনা হ্রাস ও পরিবেশ শান্ত থাকার মতো ইতিবাচক ফল পাওয়া গিয়েছিল।

তবে গৃহহীনদের সহায়তাকারী একটি সংস্থা রেলস্টেশনে মদ্যপান নিষিদ্ধের এই পদক্ষেপে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। চরম আবহাওয়ায় মদ্যপানে আসক্ত অনেক বাস্তুহারা মানুষের কাছে রেলস্টেশনগুলো নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে কাজ করে। সংগঠনটির এক মুখপাত্র জার্মান সংবাদপত্র ‘রাইনিশে পোস্ট’-কে জানান, স্টেশন এলাকা থেকে সরিয়ে দিলে সমাজকর্মীদের পক্ষে গৃহহীনদের খুঁজে পাওয়া এবং তাদের সহায়তা করা আরও বেশি কঠিন হয়ে পড়বে বলে তারা উদ্বিগ্ন।

দুর্গাপুরে নিম্নমানের ও রাবিসমিশ্রিত খোয়া ব্যবহার করে রাস্তা নির্মানের অভিযোগ

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৪:১১ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
দুর্গাপুরে নিম্নমানের ও রাবিসমিশ্রিত খোয়া ব্যবহার করে রাস্তা নির্মানের অভিযোগ

খোজনিয়ে জানা যায়, উপজেলার কাঁকৈরগড়া ইউনিয়নের বড়বাট্রা গ্রামের দুলাল মিয়ার দোকান থেকে নয়ন মিয়ার পুকুরপাড় পর্যন্ত এক কিলোমিটার রাস্তা নির্মাণে প্রাক্কলিত ব্যয় ১ কোটি ৬৭ লাখ ১২ হাজার ৩০৫ টাকা। গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতাধীন। এলজিইডি বাস্তবায়নে সড়কটির নির্মাণকাজ পেয়েছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সমীরণ চৌধুরী।

দুর্গাপুর(নেত্রকোনা)প্রতিনিধি:-নেত্রকোনার দুর্গাপুরে পোনে দুই কোটি টাকা ব্যয়ে একটি রাস্তার নির্মাণকাজে রাবিসমিশ্রিত ও নিম্নমানের ইটের খোয়া ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। কাজ শুরুর পর থেকেই নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করা হচ্ছে। কোদাল দিয়ে সড়কের খোয়া খুঁড়লে বেরিয়ে আসছে খোয়ার চেয়ে রাবিসের পরিমাণই বেশি।

খোজনিয়ে জানা যায়, উপজেলার কাঁকৈরগড়া ইউনিয়নের বড়বাট্রা গ্রামের দুলাল মিয়ার দোকান থেকে নয়ন মিয়ার পুকুরপাড় পর্যন্ত এক কিলোমিটার রাস্তা নির্মাণে প্রাক্কলিত ব্যয় ১ কোটি ৬৭ লাখ ১২ হাজার ৩০৫ টাকা। গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতাধীন। এলজিইডি বাস্তবায়নে সড়কটির নির্মাণকাজ পেয়েছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সমীরণ চৌধুরী। ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে প্রকল্পটির চুক্তি সম্পন্ন হয়। একই বছরের ডিসেম্বর মাসে কাজ শুরুর লিখিত আদেশ দেওয়া হয়। কাজ শেষ করার সময়সীমা নির্ধারণ করা হয় ২০২৬ সালের নভেম্বর পর্যন্ত।

সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কটির নির্মাণকাজ এখনো মেকাডম পর্যায়ে রয়েছে। এক কিলোমিটার সড়কের প্রায় ৪৫০ মিটার অংশে মেকাডম করা হয়েছে। এর মধ্যে বেশিরভাগ অংশে রাবিস বা ময়লা মিশ্রিত খোয়া দেওয়া হয়েছে,এজিং এ ব্যবহার করা হয়েছে নিম্মমানের ইট।

স্থানীয় বাসিন্দা আলী হোসেন মিয়া বলেন, রাস্তায় যে রাবিসমিশ্রিত খোয়া দিতেছে সেটি অত্তন্ত নি¤œমানের। এই রাস্তাটা এইভাবে কইরা গেলে ৩/৪ মাসেই শেষ অইয়া যাইবো।

সোলাইমান কবির বলেন, খোযার মধ্যে খুব নিম্নমানের খোয়া পাইতেছি আমরা। আঙ্গুল দিয়ে ভাইঙ্গা ফেলাযায়। কাজগুলা যে নিম্নমানের হচ্ছে এগুলা দেখে আমরা প্রতিবাদ করি কিন্তু কোনো ফল পাই না,উল্টো ধমক শুনতে হয়।

সরেজমিনে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি আব্দুল হান্নানের সঙ্গে প্রতিবেদকের কথা হয়, বালুমিশ্রিত খোয়া ব্যবহারের বিষয়টি তিনি স্বীকার করেছেন। তবে এ বিষয়ে তিনি আনুষ্ঠানিক কোন বক্তব্য দিতে রাজি হননি।

পরে প্রকল্পের ঠিকাদার সমীরণ চৌধুরীর সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমার জানা মতে আমি কোনো খারাপ মাল দিয়ে কাজ করি নাই। এখন একজন তো বলতেই পারে। আপনি গিয়ে দেখেন আমরা কোনো খারাপ মাল দিছি কি না। অভিযোগ তো আসতেই পারে। কেউ অভিযোগ করলে আমি তো না করতে পারব না।

এ বিষয়ে দুর্গাপুর উপজেলা প্রকৌশলী মো. হুমায়ুন কবীর বলেন, বালুর সঙ্গে খোয়া মিশ্রিত কিছু খোয়া পড়ছে শুনেছি পরে আমি সরেজমিনে গিয়েছিলাম। ঠিকাদারের সঙ্গে কথা হয়েছে। বালুমিশ্রিত খোয়া সরানোর জন্য বলেছি। আগামীকাল(৫ অক্টোবর)সব খোয়া উঠিয়ে ফেলবে। তিনি আরও বলেন, আমাদের নির্বাহী প্রকৌশলী মহোদয় ল্যাব থেকে লোক পাঠিয়েছিলেন। তাঁরাও এসে দেখে গেছেন, খোয়ার স্যাম্পল নিয়ে গেছেন এই পরিস্থিতিতে রাস্তার কাজ সাময়িকভাবে স্খগিদ রাখা হয়েছে।

এস.এম রফিকুল ইসলাম-রফিক
০১৭১২-৪৬৩ ৪৪৯

বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে চলে বহিরাগতদের প্রাইভেট বাণিজ্য প্রধান শিক্ষক বলছেন আমার জানা নাই

BANGLARGORJON
প্রকাশিত: ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ১:৩৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে চলে বহিরাগতদের প্রাইভেট বাণিজ্য  প্রধান শিক্ষক বলছেন আমার জানা নাই

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রতিদিনই বিদ্যালয়টির শ্রেণিকক্ষে সবমিলিয়ে অর্ধ শতাধিক শিক্ষার্থীদের প্রাইভেট পড়ানো হয়। সেখানে প্রাইভেট শিক্ষকরা হলেন স্থানীয় বাসিন্দা অজুত হোসেন, মিলন মিয়া ও নাজিম মিয়া। পার্শ্ববর্তী কাকৈরগড়া ইউনিয়ন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক শিক্ষার্থী জানায়, গত ৫ মাস ধরে এই বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে অজুত হোসেনের কাছে প্রাইভেট পড়ছে তারা। প্রতি মাসে ৫০০ টাকা করে প্রাইভেট বেতন দিচ্ছে।

দুর্গাপুর (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি:-নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার কাকৈরগড়া ইউনিয়নের কৃষ্ণেরচর উচ্চ বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষ ব্যবহার করে বহিরাগত প্রাইভেট শিক্ষকরা প্রাইভেট পড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, সকাল-বিকাল বিদ্যালয় শ্রেণিকক্ষে চলে প্রাইভেট টিউশন। শুধু ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নয় আশপাশের বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও এখানে এসে প্রাইভেট টিউশন নিচ্ছে। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টার দিকে বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, তিনটি শ্রেণিকক্ষে বহিরাগত ব্যক্তিরা শিক্ষার্থীদের প্রাইভেট পড়াচ্ছেন। সাংবাদিকের উপস্থিতি দেখে এক কক্ষের শিক্ষার্থীদের ছুটি দিয়ে দেন তবে প্রাইভেট পড়ানোর বিষয়টি স্বীকার করেন। অন্য একজন সেবা দিচ্ছেন বলতে থাকেন। তবে পরে স্বীকার করেন তিনিও।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রতিদিনই বিদ্যালয়টির শ্রেণিকক্ষে সবমিলিয়ে অর্ধ শতাধিক শিক্ষার্থীদের  প্রাইভেট পড়ানো হয়। সেখানে প্রাইভেট শিক্ষকরা হলেন স্থানীয় বাসিন্দা অজুত হোসেন, মিলন মিয়া ও নাজিম মিয়া। পার্শ্ববর্তী কাকৈরগড়া ইউনিয়ন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক শিক্ষার্থী জানায়, গত ৫ মাস ধরে এই বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে অজুত হোসেনের কাছে প্রাইভেট পড়ছে তারা। প্রতি মাসে ৫০০ টাকা করে প্রাইভেট বেতন দিচ্ছে। 
স্থানীয় বাসিন্দা রতন মিয়া জানান, সকাল ও বিকাল দুই সময়েই বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষ ব্যবহার করে চলে এই প্রাইভেট বাণিজ্য। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কি বাণিজ্যর জন্য ? সরকার তো প্রাইভেট পড়ানোর জন্য বিদ্যালয় করেনি। আমরা চাই ব্যবস্থা নেওয়া হোক। এ বিষয়ে জানতে চাইলে কৃষ্ণেরচর উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ইলিয়াস উদ্দিন দাবি করেন, শ্রেণিকক্ষে এভাবে প্রাইভেট পড়ানোর বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না। তিনি বলেন, কিভাবে তারা প্রাইভেট পড়াচ্ছেন আমি জানি না। তালার চাবি তাদের কাছে কিভাবে তাদের জিজ্ঞেস করুন। আমি কিছুই জানি না।
এ নিয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. বজলুল রহমান আনছারী প্রতিবেদকে বলেন, প্রতিষ্ঠানের কোন কক্ষ অন্য কোন কাজে ব্যবহৃত হয় এটি সবার আগে জানবেন প্রতিষ্ঠান প্রধান। যদি প্রতিষ্ঠান প্রধান বলে থাকেন যে আমি জানিনা এটি ওনার দায়িত্বে চরম একটা অবহেলা আমি বলব। তো আমি অবশ্যই খোঁজ নিব এটি কেন জানেন না এবং এটি জানা উচিত ছিল কিনা। তিনি আরও বলেন, একটা প্রতিষ্ঠানের রুমে প্রাইভেট পড়াবে বাইরের লোকজন। চাবি থাকবে তাদের হাতে আর প্রতিষ্ঠান প্রধান হিসেবে জানবেন না এটা তো ওনার চরম ব্যর্থতা। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করব।